Technology
Technology
Technology
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির তিন বিজ্ঞানী
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এআই ব্যবহার, কোন দেশ কোথায় দাঁড়িয়েকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডিতে থেমে নেই। ভ্রমণ পরিকল্পনা করিয়ে নেওয়া থেকে শুরু
করে গবেষণার কাজ—সব ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বাড়ছে বহুমাত্রিকভাবে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এআইয়ের ব্যবহারও নতুন নয়। যা এখন চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন প্যাড ও রোগীদের ডিজিটাল পর্দা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।
[email protected]
[email protected]
[email protected]
পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন
আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন।
[email protected]
[email protected]
ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সেতুবন্ধন করবে ‘লগইন ইনটু ইন্ডাস্ট্রি নেক্সট’শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি ও নেটওয়ার্কিং শিল্পের বাস্তব অভিজ্ঞতার সংযোগ ঘটাতে আজ সোমবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘লগইন ইনটু ইন্ডাস্ট্রি নেক্সট’ শীর্ষক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম। ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশনস লিমিটেডের উদ্যোগে
পৃথিবী ধ্বংসের ভবিষ্যদ্বাণী, নাকি জনসংখ্যার গাণিতিক হিসাব?
২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে- এমন একটি দাবি সম্প্রতি আবার আলোচনায় এসেছে। এর পেছনে রয়েছে ১৯৬০ সালে বিজ্ঞান সাময়িকী Science-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র। ‘Doomsday: Friday, 13 November, A.D. 2026’ শিরোনামের ওই গবেষণায় মানবজাতির জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট একটি তারিখের কথা বলা হয়েছিল।গবেষণাপত্রটির লেখক ছিলেন অস্ট্রিয়ার বংশোদ্ভূত মার্কিন অধ্যাপক ও সাইবারনেটিকস বিশেষজ্ঞ হাইঞ্জ ফন ফোরস্টার এবং তাঁর দুই শিক্ষার্থী প্যাট্রিসিয়া এম. মোরা ও লরেন্স ডব্লিউ. আমিট।কী বলা হয়েছিল সেই গবেষণায়?গবেষকেরা প্রায় দুই হাজার বছরের জনসংখ্যার তথ্য বিশ্লেষণ করে মানুষের জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি গাণিতিক মডেল তৈরি করেছিলেন। সেই প্রবণতা ভবিষ্যতেও একইভাবে চলতে থাকলে জনসংখ্যা ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর অসীমের কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে মডেলটি দেখিয়েছিল।অর্থাৎ গবেষণাটির মূল বক্তব্য ছিল পৃথিবী বা গ্রহটি হঠাৎ ধ্বংস হয়ে যাবে- এমন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস নয়। বরং জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক প্রবণতাকে ভবিষ্যতে টেনে নিয়ে গেলে কী পরিণতি হতে পারে, সেটিই গবেষণার বিষয় ছিল।কেন ১৩ নভেম্বরের কথা বলা হয়েছিল?গবেষণায় অতীতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে এমন একটি গাণিতিক সূত্রে বসানো হয়েছিল, যেখানে বৃদ্ধির গতি ক্রমেই বাড়তে থাকে। সেই মডেল অনুসারে ১৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে জনসংখ্যা অসীমের দিকে চলে যাওয়ার একটি বিন্দু তৈরি হয়।এই অস্বাভাবিক ফলের কারণেই গবেষণাপত্রটির শিরোনামে ‘Doomsday’ বা ‘বিচারের দিন’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে এটি ‘Doomsday Equation’ নামেও পরিচিত হয়।বাস্তব জনসংখ্যা কি সেই পথে এগিয়েছে?বাস্তব পরিস্থিতি গবেষণার সেই পূর্বাভাসের সঙ্গে মেলেনি। ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালান ম্যাকইচার্নের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ১৯৬০ সালের পর বিশ্ব জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ওই মডেলের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক ধীর হয়ে গেছে।বিশেষ করে ১৯৯৩ সালের পর বাস্তব জনসংখ্যার তথ্যের সঙ্গে ওই পূর্বাভাসের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বর্তমানে বৈশ্বিক জন্মহার ১৯৬০ সালের তুলনায় অর্ধেকেরও কম বলে ম্যাকইচার্ন উল্লেখ করেছেন।ফলে ১৯৬০ সালের মডেল অনুযায়ী ১৩ নভেম্বর পৃথিবীর মানুষ অসীম সংখ্যায় পৌঁছে যাবে- এমন ধারণার সঙ্গে বর্তমান জনমিতিক বাস্তবতার মিল নেই।গবেষণাটির পেছনে ছিল ব্যঙ্গওহাইঞ্জ ফন ফোরস্টারের কাজ নিয়ে আলোচনায় আরেকটি বিষয় সামনে আসে। তিনি জীবনের একটি পর্যায়ে মঞ্চে জাদুকর হিসেবেও কাজ করেছিলেন। তাঁর এই পটভূমির সঙ্গে গবেষণাটির উপস্থাপনার ধরনকে অনেকে যুক্ত করেছেন।অস্বাভাবিক একটি ভবিষ্যৎ তারিখ নির্ধারণ করে গবেষণাটি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। ফলে নিছক জনসংখ্যার গাণিতিক হিসাবের বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।ষাটের দশকে আরও ছিল নানা ‘শেষের’ পূর্বাভাসষাটের দশকে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন অস্বাভাবিক পূর্বাভাস আরও ছিল। মার্কিন বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মী ও ইউএফও গবেষক চ্যান থমাসের ‘দ্য অ্যাডাম অ্যান্ড ইভ স্টোরি’ বইয়েও পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছিল।বইটি বহু বছর গোপন থাকার পর ২০১৩ সালে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ তা অবমুক্ত করে।তবে ১৯৬০ সালের ফন ফোরস্টারদের গবেষণার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- সেটি মূলত জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি গাণিতিক মডেল ও তার চরম পরিণতি নিয়ে আলোচনা করেছিল। বর্তমান জনসংখ্যার প্রবণতা সেই মডেলের পূর্বাভাসের সঙ্গে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
২২ হাজার রুপিতেই মিলছে রে-ব্যান মেটা স্মার্ট চশমা
সাধারণ চশমার মতো নকশা হলেও রে-ব্যান মেটা স্মার্ট চশমায় রয়েছে ক্যামেরা, স্পিকার, মাইক্রোফোন এবং মেটা এআইসহ বিভিন্ন স্মার্ট সুবিধা। নতুন মডেল বাজারে আসার পর এবার প্রথম প্রজন্মের এই স্মার্ট চশমার দামেও বড় ধরনের ছাড় দেখা যাচ্ছে।ক্যামেরায় ছবি-ভিডিও ধারণরে-ব্যান মেটার অন্যতম প্রধান সুবিধা এর ক্যামেরা। চশমাটিতে ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৩০২৪ × ৪০৩২ পিক্সেল রেজল্যুশনে ছবি তোলা যায়।ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ১০৮০পি মানে সর্বোচ্চ ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভিডিও ধারণ করা সম্ভব।রেকর্ডিং চলার সময় চশমার এলইডি আলো সংকেত দেয়। ফলে চশমাটি দিয়ে ভিডিও ধারণ করা হচ্ছে কি না, তা বোঝার জন্য দৃশ্যমান একটি ইন্ডিকেটর থাকে।ফোন ছাড়াই বিভিন্ন কাজক্যামেরার পাশাপাশি স্মার্ট চশমাটিতে রয়েছে বিল্ট-ইন স্পিকার ও মাইক্রোফোন। ফলে বিভিন্ন কাজের জন্য সবসময় ফোন বের করার প্রয়োজন হয় না।মেটার বিভিন্ন অ্যাপের সঙ্গেও চশমাটি ব্যবহার করা যায়। এর মাধ্যমে চশমায় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার সুবিধাও রয়েছে।ভারতে কমেছে দামভারতের প্রযুক্তি বাজারে রে-ব্যান মেটা আসে ২০২৫ সালে। তখন নির্বাচিত মডেলগুলোর দাম শুরু হয়েছিল ২৯ হাজার ৯০০ রুপি থেকে। ম্যাট ব্ল্যাকসহ বিভিন্ন ফ্রেম ও লেন্সের সংস্করণের দাম ছিল আরও বেশি।তবে বর্তমানে অ্যামাজনে চশমাটির দাম নেমে এসেছে ২২ হাজার ৪২৫ রুপিতে।অর্থাৎ আগের দামের তুলনায় সরাসরি ৭ হাজার ৪৭৫ রুপি কমে পাওয়া যাচ্ছে এটি।অফারটি কতদিন থাকবে?বর্তমান ছাড়টি সীমিত সময়ের জন্য হতে পারে। তাই কেনার আগে চেকআউট পেজে গিয়ে চূড়ান্ত দাম, ব্যাংক অফার এবং স্টকের তথ্য দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এআই তদারকিতে ট্রাম্পের নতুন ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স ফোর্স’
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স ফোর্স’ বা এসআইএফ নামের এই উদ্যোগের নেতৃত্বে থাকছেন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন।যুক্তরাষ্ট্র এআই প্রযুক্তির বিকাশে নেতৃত্ব ধরে রাখতে পারে- এ লক্ষ্য সামনে রেখেই নতুন বাহিনীটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি সংস্থা ও এআই-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয় করাও হবে এর অন্যতম কাজ।যাদের সঙ্গে কাজ করবে নতুন টাস্কফোর্সট্রাম্পের ঘোষণায় বলা হয়েছে, এসআইএফ ভোক্তা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংগঠন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এবং ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের যোগাযোগ সমন্বয় করবে।টাস্কফোর্সে থাকছেন ফেডারেল ট্রেড কমিশনের চেয়ারম্যান অ্যান্ড্রু ফার্গুসন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা ও প্রকৌশলবিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি এমিল মাইকেল এবং অফিস অব পারসোনেল ম্যানেজমেন্টের পরিচালক স্কট কুপার।এসআইএফ সরাসরি ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলসের কাছে প্রতিবেদন দেবে।‘এআই’ নয়, এখন ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’নতুন টাস্কফোর্স গঠনের সঙ্গে প্রযুক্তিটির নাম ব্যবহারে ট্রাম্প প্রশাসনের পরিবর্তনও যুক্ত হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বরের এক নির্বাহী আদেশে সরকারি যোগাযোগে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ বা ‘এআই’-এর পরিবর্তে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা ‘এসআই’ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।সরকারি চিঠিপত্র, ওয়েবসাইট, প্রতিবেদন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে ‘এআই’ শব্দের বদলে ‘এসআই’ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।ট্রাম্পের যুক্তি, ‘আর্টিফিশিয়াল’ শব্দটি প্রযুক্তিটিকে কৃত্রিম বা নকল হিসেবে তুলে ধরে। তবে এ নাম পরিবর্তন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্নও রয়েছে। তাদের মতে, ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ শব্দটি আরও উন্নত প্রযুক্তিকে বোঝাতে পারে, ফলে সাধারণ এআই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এটি বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।মাস্কও বদলাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানের নামট্রাম্পের নতুন পরিভাষাকে সমর্থন করেছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠানের এআই প্ল্যাটফর্ম ‘স্পেসএক্সএআই’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেসএক্সএসআই’ করা হবে।জে ক্লেটনের নতুন দায়িত্বজে ক্লেটন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়কারী জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন। এর আগে তিনি নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল প্রসিকিউটর ছিলেন এবং ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন।সিনেটের শুনানিতে এআই নিয়ে কথা বলার সময় ক্লেটন প্রযুক্তিটিকে একইসঙ্গে সুযোগ ও হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, কোনো প্রযুক্তির মধ্যে একই সঙ্গে সুযোগ ও হুমকি থাকলে তা মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কতাট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক করেছেন ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর ও সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির ভাইস-চেয়ার মার্ক ওয়ার্নার।তিনি ক্লেটনের সঙ্গে উন্নত এআই ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানো, কঠোর পরীক্ষা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন।এআই নিয়ে বাড়ছে নিয়ন্ত্রণের বিতর্কপ্রযুক্তিটির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এর নিরাপত্তা নিয়েও প্রযুক্তি খাতের ভেতরে আলোচনা বাড়ছে। ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের মতো প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা এআইয়ের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান বলেছেন, প্রযুক্তিটির সম্ভাব্য সুবিধা এত বড় যে কিছু ঝুঁকি মেনে নেওয়া যেতে পারে। তাঁর মতে, এ প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত।ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত এআই উন্নয়নে কঠোর সরকারি নজরদারির বদলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর নিজেদের নিয়ন্ত্রণের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এর আগে ট্রাম্প এআই উন্নয়ন তদারকি ও সম্ভাব্য ক্ষতিকর ব্যবহার পর্যবেক্ষণের জন্য একজন ‘এআই জার’ এবং আলাদা একটি ‘এআই ফোর্স’ গঠনের কথা জানিয়েছিলেন। পরে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে এআই নিরাপত্তা নিয়েও বৈঠক করেন তিনি।২৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পসহ শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ছয় নির্বাহী একটি এআই চুক্তিতে সই করেন। সেখানে এআই ব্যবহারের নির্ধারিত উদ্দেশ্য, নিরাপত্তাজনিত সমস্যা এবং অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নজরদারি ব্যবস্থার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতাও বড় বিষয়ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে এআই উন্নয়ন যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে প্রযুক্তিটির দ্রুত বিকাশকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।এর আগে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এআই ও ক্রিপ্টোকারেন্সিবিষয়ক ‘জার’ পদ তৈরি করা হয়েছিল। ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট ও প্রযুক্তি ব্যবসায়ী ডেভিড স্যাকস মার্চ পর্যন্ত ওই দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর নির্ধারিত সরকারি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পদটি খালি হয়।এরপর এআই তদারকিতে নতুন দায়িত্বের জন্য জে ক্লেটনের নাম আলোচনায় আসে। সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প ক্লেটনকে ‘ভালো মানুষ’ উল্লেখ করে তাঁকে এআই জার করার সম্ভাবনাকে ইতিবাচক ধারণা হিসেবে মন্তব্য করেছিলেন।
[email protected]
বিকল্প স্টোরেজ পাবেন যেভাবে
ফুরিয়ে গেছে গুগল ড্রাইভের ১৫ জিবি ফ্রি স্টোরেজ। ভাবছেন বিকল্প কিছু। স্মার্টফোনে ছবি, ভিডিও, পিডিএফ বা জরুরি ডকুমেন্ট সংরক্ষণে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। এ ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে টেলিগ্রাম।
[email protected]
স্মার্টফোনের গণ্ডি পেরিয়ে বৃহৎ কানেক্টেড ইকোসিস্টেমে অনার
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও কানেক্টেড টেকনোলজি নিয়ে নিজেদের নতুন পরিকল্পনা ও কাজের অগ্রগতি তুলে ধরেছে অনার বাংলাদেশ। ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘অনার কানেক্ট’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। আয়োজনে স্মার্টফোনের পাশাপাশি বড় পরিসরে একটি কানেক্টেড ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
[email protected]
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাথে পাচঁটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
২৪ ঘণ্টায় মাস্কের সম্পদ বাড়ল ৬১ বিলিয়ন ডলার
এক দিনেই ইলন মাস্কের নিট সম্পত্তি বেড়েছে ৬১ বিলিয়ন ডলার। এতে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৭৯.৭ বিলিয়ন ডলারে। ফলে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক থেকে খুব বেশি দূরে নেই এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা।ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নিয়ার্স তালিকায় এই হিসাব উঠে এসেছে।স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারে উত্থানশুক্রবার (২ অক্টোবর) স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে মাস্কের সম্পদে।একাধিক সফল উৎক্ষেপণের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ৭ শতাংশের বেশি বেড়ে ১৫৮.৮৪ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে টেসলার শেয়ারের দামও প্রায় ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৩৭১.৩২ ডলারে।টেসলার গাড়ি সরবরাহেও ইতিবাচক পরিসংখ্যানএই প্রান্তিকে টেসলা গ্রাহকদের কাছে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫৩২টি গাড়ি পৌঁছে দিয়েছে। প্রত্যাশার তুলনায় এই পরিসংখ্যান শক্তিশালী হওয়ায় বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়তে সহায়তা করেছে।৯৭৯.৭ বিলিয়ন ডলারে মাস্কফোর্বসের প্রাক্কলন অনুযায়ী, শুক্রবার ইডিটি সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ৯৭৯.৭ বিলিয়ন ডলার। আগের দিনের তুলনায় এই বৃদ্ধি ৬.৬৪ শতাংশ।এর মধ্য দিয়ে ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নিয়ার্স তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। প্রায় ৩৭০.৭ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস।এর আগেও ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলকফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে অল্প সময়ের জন্য বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন মাস্ক। সে সময় তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১.৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল।এরপর স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারের দামের ওঠানামার সঙ্গে তাঁর নিট সম্পত্তিতেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.