Technology
কক্সবাজারের হোটেলে ফের আগুন
, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক
Technology
, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক
গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মোসলেহ উদ্দিন (৩০) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর করে পুলিশে দিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। গত বুধবার টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার একটি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গাছা থানা এলাকায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।টঙ্গীর ঘটনায় শিশুটির বাবার করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মুসলেহ উদ্দিনকে আদালতে পাঠানো হয়। অন্যদিকে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও শিক্ষকদের মারধরের অভিযোগে থানায় পৃথক অভিযোগ দিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।শিশুটির বাবার দায়ের করা মামলায় বলা হয়, গত সোমবার মাদ্রাসার নিচ তলার সিঁড়িতে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করা হয়। ঘটনার পর শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে চাইছিল না। পরিবারের সদস্যরা কারণ জানতে চাইলে প্রথমে সে কিছু বলেনি। ব
পটুয়াখালীর বাউফলে আলগী নদী থেকে হাত বাঁধা ও গলায় ইট বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে বাউফল পৌরসভার বাংলাবাজার জামে মসজিদ-সংলগ্ন নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়...
রাজশাহী জেলারগৌরনদী পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশের দুই স্থানে ময়লার ভাগাড় বানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন ভ্যান ও ট্রাক
মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নিম্নচাপ ও গভীর নিম্নচাপ পেরিয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত এবং কৃষি খাতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠার আশঙ্কায় গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও শক্তি সম্পর্কে পরবর্তী পূর্বাভাসের ওপর নজর রাখা জরুরি বলে জানানো হয়েছে।বিডব্লিউওটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি শক্তি সঞ্চয় করে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় এটি নিম্নচাপ বা গভীর নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এরপর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা থেকে ২৮ অক্টোবর সকালের মধ্যে ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানতে পারে। তবে এটি প্রাথমিক পূর্বাভাস। ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ, শক্তি ও আঘাত হানার সময় পরিবর্তিত হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানার আশঙ্কা আপাতত কম। তবে বিডব্লিউওটির পূর্বাভাস বলছে, এর পরোক্ষ প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হতে পারে।আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৭ ও ২৮ অক্টোবর থেকে ১ ও ২ নভেম্বরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী বৃষ্টিবলয় সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ ও বিস্তৃতি পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে বদলে যেতে পারে।
জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে, কিন্তু তা ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমীর ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বলেন, জনগণ আমাদের বলে, ভোট আপনাদের দিয়েছিলাম, কিন্তু আপনারা তা রক্ষা করতে পারলেন না। তখন আমাদের বলতে হয়, আমাদের দুর্বলতা ছিল। রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমীর এসব কথা বলেন। গতকাল ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সম্মেলন দু’ভাগে বিভক্ত ছিল। সকাল ৯.৪৫টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত নির্বাচনী সেশন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তর আমীর নির্বাচনে রুকনরা ভোট প্রদান করেন। নির্বাচন পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, তাকে সহায়তা
বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে কেন শঙ্কিত ভারতের তরুণ প্রজন্ম? টাইম ম্যাগাজিন এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখতে পেয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সবচেয়ে বড় ‘অর্জন’ বলতে গেলে হিন্দুত্ববাদের বয়ানকে স্বাভাবিক করে তোলা। কিন্তু তিনি এটা করতে গিয়ে ভারতের আদালত, নির্বাচন কমিশনের মত জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেঙে ফেলেছেন। এ কারণেই সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভারতজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়ার প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সমালোচকদের দাবি, মোদির জনতা পার্টিকে (বিজেপি) শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এটি করা হয়েছে। ভারতে চলমান এই বিক্ষোভ এবং এর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনার জন্য ‘টাইম’ কথা বলেছে ইতিহাসবিদ, ঔপন্যাসিক ও ভারতের অন্যতম সুপরিচিত লেখক মুকুল কেশবানের সাথে। নয়া দিগন্তের পাঠকদের জন্যে তা তুলে ধরা হলো। প্রশ্ন : ভারতের নির্বাচন দীর্ঘকাল ধরেই জাতীয় গর্বের উৎস হয়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলী কি দেশে বা বিদেশে সেই ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে?মুকুল কেশবান : নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে টি. এন. শেষন প্রধান নির্বাচন কমিশনার হওয়ার আগ পর্যন্ত ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থা কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। তিনি ছিলেন এক অদ্ভুত, আত্মকেন্দ্রিক মানুষ, যিনি নিজের দায়িত্বকে এতটাই গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলেন যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকেই তিনি ঢেলে সাজিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন তিন সদস্যের একটি সংস্থায় পরিণত হয়, যা মোটামুটি নিরপেক্ষই ছিল। কিন্তু মোদি সরকার এমন একটি আইন পাস করে, যার ফলে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগকারী এই তিন সদস্যের প্যানেলে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত হয়ে যায়। জ্ঞানেশ কুমার অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন এবং ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা এমনভাবে সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে যা স্পষ্টতই বিজেপির অনুকূলে যায়। ফলে এই প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা জনসমক্ষে ক্ষুণœ হয়েছে। ভারত এখন তুরস্কের মতো অন্যান্য দেশের ‘নির্বাচনী স্বৈরতান্ত্রিক’ ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকে পড়ছে।প্রশ্ন : এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভগুলো মোদির অবস্থান সম্পর্কে কী ইঙ্গিত দেয়?মুকুল কেশবান : প্রচলিত ভাষায় বলতে গেলে, মোদির সেই ভীতিজাগানিয়া ও কর্তৃত্বপূর্ণ ভাবমূর্তি যে এখন ফিকে হয়ে এসেছে, তা স্পষ্ট। বিশেষ করে যন্তর মন্তরে সমবেত তরুণ প্রজন্মের- যাদের মধ্যে তরুণীদের সংখ্যাই বেশি- উপহাস ও কঠোর মনোভাব এমন এক কাজ করেছে যা প্রথাগত আদর্শিক বিরোধীরা করতে ব্যর্থ হয়েছিল : এটি মোদিকে হাস্যকর, বৃদ্ধ এবং বাস্তববিচ্ছিন্ন এক মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছে। এই প্রতিবাদগুলো তার নির্বাচনী প্রভাব সম্পর্কে কী বার্তা দেয়, তা এখনই বলা কঠিন; সেটি জানার জন্য আমাদের পরবর্তী নির্বাচনের অপেক্ষা করতে হবে। বিরোধী দলগুলোকে এখন এই জনরোষকে কিভাবে ভোটে রূপান্তর করা যায়, সেই পথ খুঁজে বের করতে হবে।প্রশ্ন : মোদির ১২ বছরের শাসনামলে তার প্রকৃত অর্জনগুলো কী কী? মুকুল কেশবান : অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে কিছু অর্জন রয়েছে- যেমন রাস্তাঘাট নির্মাণ, বিমানবন্দর তৈরি ইত্যাদি। স্বৈরাচারী শাসকরা সাধারণত এসব কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন। তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান বা কল্যাণের ক্ষেত্রে ঠিক কী অর্থ বহন করে, তা বোঝা কঠিন। ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে তার শাসনামল ছিল বিপর্যয়কর : ভারতের সাথে তার সব প্রতিবেশীর সম্পর্ক খারাপ হয়েছে, চীনের বিষয়ে ভারত এক ধরনের অস্বীকারের মানসিকতায় রয়েছে এবং ট্রাম্পের সাথেও ভারতের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তার অর্জনগুলো নিয়ে আলোচনার চেয়ে বরং তিনি কিভাবে প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে- যেমন সংবাদমাধ্যম, আদালত ও নির্বাচন কমিশন- অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছেন, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়তো বেশি অর্থবহ হবে। তার সবচেয়ে বড় ‘অর্জন’ হলো হিন্দু শ্রেষ্ঠত্ববাদের বয়ানকে স্বাভাবিক করে তোলা।প্রশ্ন : বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠী ভারতে রয়েছে, অথচ এখানকার শিক্ষার মান এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অত্যন্ত হতাশাজনক। যেসব জায়গায় তরুণরা প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করছে, সেসব স্থানের পরিস্থিতির সাথে ভারতের এই অবস্থার তুলনা কিভাবে করা যায়?মুকুল কেশবান : শ্রীলঙ্কাকে সম্ভবত ব্যতিক্রম হিসেবে ধরা যেতে পারে; তবে নেপাল, বাংলাদেশ ও ভারত- যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের মধ্যে অসন্তোষ বা বিদ্রোহ দেখা গেছে- দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশেই স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থার মান সাধারণত নিম্নমানের। অবশ্য এর মধ্যে কিছু ব্যতিক্রমও আছে, যেমন- অভিজাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। এটি এমনিতেই একটি খারাপ দিক, কিন্তু সব স্তরে নিজেদের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি সাধনে চীনের সাফল্য আমাদের ব্যর্থতাকে আরো হতাশাজনক করে তুলেছে।প্রশ্ন : এই বিক্ষোভগুলো আসলে কী নিয়ে? এগুলো কি ‘ককরোচ’ আন্দোলনের আগের বিক্ষোভগুলোরই একটি স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা, নাকি ভিন্ন কিছু?মুকুল কেশবান : এটি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) সেই অবস্থানের (সিট-ইন) সাথে সম্পর্কিত, যা যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং যার ফলে শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেই অবস্থান কর্মসূচি মোদি সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করে ভিন্নমতের জন্য একটি পরিসর তৈরি করেছিল। তবে [১২ অক্টোবরের] এই মিছিলটি ছিল ভিন্ন ধরনের; কারণ এটি কংগ্রেস পার্টি এবং অন্যান্য প্রথাগত রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল। এই কর্মসূচি আয়োজনের সাথে সিজেপির কোনো সম্পর্ক ছিল না, যদিও তাদের অন্যতম প্রগতিশীল/বামপন্থী মুখ নেহা বোরা সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। এটি একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়কে কেন্দ্র করে ছিল : নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা নিয়ে কারসাজি।প্রশ্ন : ১০ অক্টোবরের সমাবেশের আগে পুলিশ এই আন্দোলনের নেতাদের আটক করেছিল, আবার কয়েক দিন পর যন্তর মন্তরে তাদের মধ্যে দু’জনকে পুনরায় আটক করা হয়। আন্দোলনের দিকে কিভাবে তাকিয়ে আছে, তা থেকে কী বোঝা যায়?মুকুল কেশবান : সিজেপির প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি বড় পরিবর্তন এসেছে। যন্তর মন্তরে প্রথমবার (১.০) আয়োজিত কর্মসূচির সময় সরকার এদের গুরুত্ব বুঝতে পারেনি; তারা ভেবেছিল এটি কেবল একটি অবস্থান কর্মসূচি, যা সময়ের সাথে সাথে মিলিয়ে যাবে। কিন্তু ২০ জুলাই তরুণ প্রজন্মের বিপুল উপস্থিতি সরকারকে পুরোপুরি অপ্রস্তুত করে ফেলেছিল। পুলিশের সহিংসতার কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয়েছিল- এই ঘটনা থেকে তারা একটি শিক্ষা পেয়েছে যে, এমন কোনো জায়গা ‘ককরোচ’-দের দখলে যেতে দেয়া যাবে না, যেখানে সাধারণ নাগরিকরা পুলিশের মুখোমুখি দাঁড়াবে আর মোবাইল ক্যামেরায় সেই দৃশ্য ধারণ করা হবে। এখন আমরা দেখছি, এই সম্ভাবনাকে শুরুতেই নস্যাৎ করার জন্য সরকার ‘প্রি-এমপ্টিভ ডিটেনশন’ বা আগাম আটকের কৌশল অবলম্বন করছে।
শনিবার চার ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
নির্বাচনী এলাকার আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরে পূজা দেখার সময় পুলিশের নিরাপত্তা পেলেও সরাইল থানা পুলিশ এলাকার সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে নিরাপত্তা
রাঙ্গামাটির সাজেক পর্যটনকেন্দ্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের সরকারি কলেজ গেইটের সামনে থেকে মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে...
কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে ‘দ্য সি প্রিসেন্স’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পর সকলেই নিরাপদে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান।
কক্সবাজারে আবাসিক হোটেলে আবারও আগুন, নিরাপদে বের হলেন ৩০০ পর্যটক
কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ আগুনে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর এক সপ্তাহের মাথায় এবার শহরের সুগন্ধা পয়েন্টের ‘দ্য সি প্রিসেন্স’ আবাসিক হোটেলে আগুন লেগেছে। শুক্রবার বিকেলে হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অবস্থানরত পর্যটকদের মধ্যে। তবে দ্রুত সবাইকে নিরাপদে বের করে আনায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে হোটেলটির পার্কিং এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় হোটেলে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে হোটেল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও পার্কিং এলাকার জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।কক্সবাজার ফায়ার সার
কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যুর রেশ না কাটতেই এবার সুগন্ধা পয়েন্টে ‘দ্য সি প্রিসেন্স’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ‘যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়’—এমন পরিস্থিতি থেকে ইরানকে বেরিয়ে আসতে হবে। দেশটির ছাত্র সংবাদ সংস্থা ইসনা এ খবর জানিয়েছে।
৩১শে অক্টোবর লংমার্চআসন্ন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট কারচুপি বা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করার চেষ্টা হলে সরকারকে মাগুরা নির্বাচনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ১১-দলীয় ঐক্য। একইসঙ্গে দুর্নীতি বন্ধ, প্রশাসনে দলীয়করণ রোধ, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ-পদোন্নতি এবং গুম-খুন ও হত্যাকাণ্ড প্রতিরোধে স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে জোটটি। গতকাল রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১-দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন- কমিটির সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।তিনি বলেন, আগামী ২৯ তারিখ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন। সে নির্বাচনে জনগণ ভোট দেয়ার জন্য, পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। সেখানে আজকে ১১দলীয় যে প্রার্থী দেলোয়ার হোসাইনের পক্ষে গণজোয়ার তৈরি
দৈনিক আমার দেশ বাংলাদেশসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউজ পোর্টাল, প্রধান সংবাদ শিরোনাম,, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাট থেকে মোসা. ডালিয়া আক্তার সুমা (৫০) নামের এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানের নিজ জেলা মৌলভীবাজারে আগমন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.