শিক্ষার্থী নির্যাতন আইন হাতে তুলে নেওয়া , কোনটাই মেনে নেওয়া যায় না : হেফাজতে ইসলাম
Bangladesh

শিক্ষার্থী নির্যাতন আইন হাতে তুলে নেওয়া , কোনটাই মেনে নেওয়া যায় না : হেফাজতে ইসলাম

সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান শনিবার

Inqilab • 11 Days, Oct 24, 2026 6:43 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

ফরিদপুরে কমছে বাবুই পাখি, হারিয়ে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন বাসা

গ্রামবাংলার প্রকৃতিতে একসময় পরিচিত দৃশ্য ছিল তাল ও খেজুরগাছের উঁচু ডালে ঝুলে থাকা বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা। খড়, ঘাস ও

KholaKagoj • 11 Days, Oct 24, 2026 6:43 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বদলগাছীতে তিন লাখ টাকার মাছ লুট, গ্রেপ্তার ২

নওগাঁর বদলগাছীতে জমি ও পুকুর নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের মাছ লুট এবং পুকুরমালিককে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার কোলা ইউনিয়নের চকতাল গ্রামের শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও হাসান (২২)। শহিদুল ওই ইউনিয়নের গ্রামপুলিশ হিসেবে কর্মরত এবং হাসান তার ভাতিজা।এর আগে শনিবার সকালে কোলা ইউনিয়নের ঝাড়ঘরিয়া গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে মো. আবু কালাম আজাদ (৪২) বাদী হয়ে বদলগাছী থানায় মামলাটি করেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঝাড়ঘরিয়া মৌজায় আবু কালাম আজাদের দখলে থাকা ৯৭ শতক জমিতে পুকুর খনন করে দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাছ চাষ করে আসছেন। ওই জমি ও পুকুর নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল।অভিযোগে বলা হয়, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে শহিদুল ইসলামের নির্দেশে ১৩ জন নামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ১৫ জন দেশীয় অস্ত্র ও বেড় জাল নিয়ে পুকুরে নামেন। তারা আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ মণ মাছ ধরে ভটভটিতে করে নিয়ে যান, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ টাকা।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মাছ লুটকালে বাধা দিলে আসামিরা হামলা চালায়। এ সময় শহিদুল ইসলাম বাদী কালামের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে কেটে পড়েন।বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, মামলাটি নথিভুক্ত করে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

Sangbad • 11 Days, Oct 24, 2026 6:42 PM
0
• 0 min read
Sports

মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে সরকার, সোনালী ভবিষ্যতের হাতছানি

ছোট্ট একটা ঘরে বসে থাকা শিক্ষার্থীটির চোখে হয়তো পৃথিবী বদলে দেওয়ার স্বপ্ন। তার সামনে খোলা বই, পাশে খাতা-কলম; কিন্তু জ্ঞানের

Jaijaidin • 11 Days, Oct 24, 2026 6:41 PM
0
• 0 min read
Bangla

এক দশকে শ্রেণীকৃত কৃষিঋণ বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণ : বেসরকারি ও ইসলামী ব্যাংকে ঋণঝুঁকির ভিন্ন চিত্র

দেশে কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও ঋণের গুণমান ও আদায় ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের আগস্ট ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) মাধ্যমে কৃষিঋণ বিতরণ হয়েছে সাত হাজার ৬৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। গত বছরের আগস্টে বিতরণ করা পাঁচ হাজার ২১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার তুলনায় এ পরিমাণ ৪০ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি।তবে ঋণ বিতরণ বাড়ার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর কৃষিঋণের স্থিতি, আদায়যোগ্য ঋণ এবং কিছু ব্যাংক শ্রেণীতে বকেয়া ও শ্রেণীকৃত ঋণের বৃদ্ধি নতুন করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকগুলোর বকেয়া ও শ্রেণীকৃত ঋণের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ বাড়ার প্রবণতা সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগের গতকাল প্রকাশিত গড়হঃযষু জবঢ়ড়ৎঃ ড়হ অমৎরপঁষঃঁৎধষ ধহফ ঘড়হ ঋধৎস জঁৎধষ ঈৎবফরঃ চড়ংরঃরড়হ, অঁমঁংঃ ২০২৬ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।৬০ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা, অর্জন ১১.৪৩ শতাংশ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫৮টি অংশগ্রহণকারী ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। অর্থবছরের জুলাই ও আগস্ট- প্রথম দুই মাসে বিতরণ হয়েছে ছয় হাজার ৮৫৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্জন ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।অর্থবছরের এক-ষষ্ঠাংশ ইতোমধ্যে শেষ হলেও লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ এখনো বিতরণ করা বাকি। বাকি ১০ মাসে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে মাসে গড়ে প্রায় পাঁচ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা বিতরণ করতে হবে। প্রথম দুই মাসের গড় মাসিক বিতরণ ছিল প্রায় তিন হাজার ৪২৯ কোটি টাকা।অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে পরবর্তী মাসগুলোতে গড় মাসিক বিতরণ প্রথম দুই মাসের তুলনায় প্রায় ৫৫ শতাংশ বাড়াতে হবে। এই হিসাব নির্দেশ করে, বছরের শুরুতে বিতরণে প্রবৃদ্ধি থাকলেও পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ঋণপ্রবাহের গতি আরো বাড়ানো প্রয়োজন।বেসরকারি ব্যাংকের অবদান সবচেয়ে বেশিব্যাংক শ্রেণিভিত্তিক হিসাবে কৃষিঋণ বিতরণে সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে। প্রথম দুই মাসে এ শ্রেণির ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে দুই হাজার ৫১৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যা মোট বিতরণের ৩৬ দশমিক ৭২ শতাংশ।বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে এক হাজার ৭১৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা মোটের ২৫ শতাংশ। ইসলামী ব্যাংকগুলোর বিতরণ এক হাজার ২৮৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা, যা মোটের ১৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অবদান ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের অবদান ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ।তবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হারে এগিয়ে রয়েছে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। তাদের নির্ধারিত দুই হাজার ৫৭৫ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ৬৮১ কোটি দুই লাখ টাকা। অর্জনের হার ২৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ।ইসলামী ব্যাংকগুলোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং বিশেষায়িত ব্যাংকের ১২ দশমিক ৬৫ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অর্জন ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাত্র ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। মোট ঋণ বিতরণে বেসরকারি ব্যাংক এগিয়ে থাকলেও তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অগ্রগতি সবচেয়ে কম। বিপরীতে বিদেশী ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ তুলনামূলকভাবে কম হলেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার বেশি।তবে বিদেশী ব্যাংকের ক্ষেত্রে উচ্চ অর্জনের হারকে পুরো কৃষি অর্থনীতিতে তাদের বড় অবদান হিসেবে ব্যাখ্যা করা যাবে না। তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা বেসরকারি ব্যাংকগুলোর লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক ছোট।ঋণ বিতরণে বাড়ছে প্রাণিসম্পদ খাতের অংশবাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কৃষি ও পল্লীঋণের ৫৫ শতাংশ ফসল খাতে, ১৩ শতাংশ মৎস্য খাতে, ২০ শতাংশ প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতে এবং ২ শতাংশ সেচ ও কৃষিযন্ত্র খাতে বিতরণের নির্দেশনা রয়েছে। অবশিষ্ট ১০ শতাংশ গ্রামীণ উৎপাদন ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের জন্য নির্ধারিত। কিন্তু জুলাই-আগস্টের প্রকৃত বিতরণে খাতভিত্তিক বণ্টনে কিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট ঋণের ৪৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ গেছে ফসল খাতে। প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতে বিতরণ হয়েছে ৩১ দশমিক ৫৯ শতাংশ, যা নীতিমালায় নির্ধারিত ২০ শতাংশের চেয়ে বেশি। মৎস্য খাতে বিতরণ হয়েছে ১৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। সেচ ও কৃষিযন্ত্র খাতে সম্মিলিতভাবে গেছে মাত্র ০ দশমিক ৮৬ শতাংশ।এ ছাড়া অকৃষি গ্রামীণ ঋণের অংশ ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং শস্য সংরক্ষণ ও বিপণন খাতে ০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতে ঋণপ্রবাহ উল্লেখযোগ্য হলেও সেচ ও কৃষিযন্ত্র খাতে অর্থায়নের অংশ খুবই কম। কৃষি উৎপাদনে যান্ত্রিকীকরণ, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং উৎপাদন-পরবর্তী ক্ষতি কমানোর জন্য এসব খাতে অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।এক বছরে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ৪২.১০ শতাংশ২০২৫ সালের আগস্টের তুলনায় ২০২৬ সালের আগস্টে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর মাসিক কৃষিঋণ বিতরণ ৪২ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়েছে। আগস্ট ২০২৫-এ বিতরণ ছিল চার হাজার ৮২৬ কোটি তিন লাখ টাকা। আগস্ট ২০২৬-এ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৮৫৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।ব্যাংক শ্রেণিভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে- ১৮৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে প্রবৃদ্ধি ৫২ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং ইসলামী ব্যাংকে ৬৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। বিশেষায়িত ব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকে প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে ১০ দশমিক ০৫ ও ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ।বিদেশী ব্যাংকের ঋণ বিতরণে উচ্চ প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য হলেও তাদের বিতরণের ভিত্তি তুলনামূলক ছোট ছিল। তাই শতকরা হিসাবে বড় প্রবৃদ্ধি মানেই মোট অর্থায়নে সমান মাত্রার প্রভাব নয়।ঋণস্থিতি বেড়েছে, আদায়যোগ্য ঋণও ঊর্ধ্বমুখী২০২৬ সালের আগস্ট শেষে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর কৃষিঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ৬২০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এক বছর আগে, ২০২৫ সালের আগস্টে এই স্থিতি ছিল ৫৯ হাজার ৫৪১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে ঋণস্থিতি বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ।অন্য দিকে, আদায়ের জন্য নির্ধারিত ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ২০২৫ সালের আগস্টে এ পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৭৭৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৭৩২ কোটি ২৩ লাখ টাকা।এ সময় ঋণ আদায়ের পরিমাণও বেড়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে আদায় হয়েছিল ছয় হাজার ৭৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, যা ২০২৬ সালের আগস্টে বেড়ে সাত হাজার ৪১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। প্রবৃদ্ধি ২২ দশমিক ১৬ শতাংশ।অর্থাৎ ঋণ আদায় বাড়লেও আদায়ের জন্য নির্ধারিত ঋণের পরিমাণ তার চেয়ে বেশি হারে বেড়েছে। এটি ঋণ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নজর দেয়ার মতো একটি প্রবণতা।মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ কমলেও সব ব্যাংকে পরিস্থিতি এক নয়ঋণঝুঁকির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ বা ওভারডিউ। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে কৃষিঋণের মেয়াদোত্তীর্ণ অংশ এক বছর আগের তুলনায় ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ কমেছে।২০২৫ সালের আগস্টে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৯৬৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৩৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।মোট অঙ্কে প্রায় এক হাজার ৩০ কোটি টাকা কমে যাওয়াকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা যায়। কিন্তু ব্যাংক শ্রেণিভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে চিত্রটি মিশ্র।বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ২৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমেছে। বিপরীতে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়েছে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে ইসলামী ব্যাংকগুলোতে। এ শ্রেণীর ব্যাংকগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ ২০২৫ সালের আগস্টের ৩৮৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের আগস্টে ৮৩৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা হয়েছে। প্রবৃদ্ধি ১১৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।অর্থাৎ সামগ্রিক মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ কমলেও ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে তা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। একই সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকেও এ ধরনের ঋণ বেড়েছে।শ্রেণীকৃত ঋণে স্বস্তি সামান্য, ইসলামী ব্যাংকে উদ্বেগমেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর শ্রেণীকৃত ঋণও আর্থিক ঝুঁকি মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ সূচক। শ্রেণীকৃত ঋণের মধ্যে ব্যাংকিং বিধি অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ঋণ অন্তর্ভুক্ত থাকে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্টে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর কৃষিঋণে শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯ হাজার ৪৯৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ১৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এক বছরে হ্রাস পেয়েছে ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ।মোট অঙ্কে প্রায় ৪৮০ কোটি টাকা কমেছে। কিন্তু এ হ্রাসের হার মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের হ্রাসের তুলনায় কম। ব্যাংক শ্রেণীভেদে আবার বিপরীতমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।বিশেষায়িত ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে। বিপরীতে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ বেড়েছে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশ।ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে শ্রেণীকৃত ঋণ ৪৫৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৮৭৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। প্রবৃদ্ধি ৯১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।এক দশকে শ্রেণীকৃত কৃষিঋণ বেড়েছে ৩৫৪ শতাংশদীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা আরো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কৃষিঋণে শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল পাঁচ হাজার ২৪০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৭৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।অর্থাৎ প্রায় এক দশকে শ্রেণীকৃত কৃষিঋণ বেড়েছে প্রায় ৩৫৪ শতাংশ। একই সময়ে কৃষিঋণ বিতরণ ২০ হাজার ৯৯৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৪২ হাজার ৮৩৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা হয়েছে। বিতরণ বেড়েছে প্রায় ১০৪ শতাংশ।এই তুলনা কৃষিঋণের গুণমান সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে: ঋণ বিতরণের সম্প্রসারণের সাথে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ কি আরো দ্রুত বেড়েছে?পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শ্রেণীকৃত ঋণের বৃদ্ধির হার ঋণ বিতরণের বৃদ্ধির হারের চেয়ে অনেক বেশি। তবে এখানে সতর্কতা জরুরি। ঋণ বিতরণ একটি বার্ষিক প্রবাহের হিসাব, আর শ্রেণীকৃত ঋণ নির্দিষ্ট সময়ের স্থিতি। তাই এ দুইয়ের প্রবৃদ্ধি সরাসরি তুলনা করে ঋণমানের অবনতি কতটা হয়েছে, তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা যায় না।তবু দীর্ঘমেয়াদি এই প্রবণতা কৃষিঋণের মান, ঋণ যাচাই, তদারকি এবং পুনরুদ্ধার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে আরো গভীর অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।২০২৪-২৫ অর্থবছরে বড় উল্লম্ফন, পরের বছরও উচ্চ শ্রেণীকৃত ঋণশ্রেণীকৃত ঋণের দীর্ঘমেয়াদি ধারায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ ঋণের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৮৭৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ হাজার ৭৪৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা।অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শ্রেণীকৃত ঋণের অঙ্ক প্রায় পাঁচ গুণে পৌঁছায়। পরবর্তী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে ১৮ হাজার ৫৭৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা হয়।এই পরিবর্তন বিশ্লেষণে ঋণ শ্রেণীকরণের নীতিমালা, হিসাবের আওতা, ঋণ পুনঃতফসিল, আদায় এবং ব্যাংকভিত্তিক তথ্য যাচাই করা জরুরি। প্রতিবেদনে উল্লম্ফনের কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি। ফলে নির্দিষ্ট কোনো নীতিগত পরিবর্তন বা ঘটনার কারণে এই বৃদ্ধি ঘটেছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।তবে এমন বড় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শুধু বার্ষিক মোট অঙ্ক নয়, কোন ব্যাংক ও কোন ধরনের ঋণে কতটা পরিবর্তন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ঋণের গুণমানবাংলাদেশ ব্যাংকের আগস্ট ২০২৬-এর প্রতিবেদন কৃষি অর্থায়নের ক্ষেত্রে একটি দ্বিমুখী বাস্তবতা তুলে ধরেছে। একদিকে, এক বছরে কৃষিঋণ বিতরণ বেড়েছে ৪২ দশমিক ১০ শতাংশ। অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও বিআরডিবি মিলিয়ে বিতরণ বেড়েছে ৪০ দশমিক ৭১ শতাংশ। অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদে শ্রেণীকৃত কৃষিঋণের অঙ্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়েও কিছু ব্যাংক শ্রেণিতে ঋণঝুঁকির সূচক অবনতি দেখিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কৃষিঋণ সম্প্রসারণের পাশাপাশি ঋণ আদায়, ঋণের গুণমান, খাতভিত্তিক অর্থায়ন এবং ব্যাংকভিত্তিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।কৃষিঋণের প্রকৃত সাফল্য শুধু কত টাকা বিতরণ হলো, তা দিয়ে নির্ধারিত হবে না। বরং সেই অর্থ কৃষকের উৎপাদনক্ষমতা ও আয় কতটা বাড়াল, গ্রামীণ কর্মসংস্থানে কতটা অবদান রাখল এবং ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা অক্ষুণœ রেখে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে কতটা টেকসই করল- সেই প্রশ্নের উত্তরেই নির্ভর করবে কৃষি অর্থায়নের দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা।

NayaDiganta • 11 Days, Oct 24, 2026 6:39 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বিএনপির প্রতারণার জবাব ব্যালটে দেবে ঠাকুরগাঁওবাসী: গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ঠাকুরগাঁওয়ে যেই উন্নয়ন বিএনপি করতে পারেনি, দাঁড়িপাল্লা নির্বাচিত হলে সেই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে এমপি-মন্ত্রী হয়ে সর্বশেষ যিনি রাষ্ট্রপতি হয়েছেন, তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রে

AmarDesh • 11 Days, Oct 24, 2026 6:38 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আ.লীগের চার নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

নাটোরের লালপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের চার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

Ajkerpatrika • 11 Days, Oct 24, 2026 6:38 PM
0
• 0 min read
Technology

কতটা নিরাপদ বুলেটপ্রুফ গাড়ি?

Sangbad • 11 Days, Oct 24, 2026 6:38 PM
0
• 0 min read
Bangla

লাশের হিসাব নয়, চাই অপরাধের বিচার

একটি মরদেহেরও দুটি পরিণতি হতে পারে-একটি তার সৎকার, অন্যটি তার মৃত্যুর সত্য উদ্‌ঘাটন। প্রথমটি সম্পন্ন হলেই দ্বিতীয়টির দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। নদী থেকে উদ্ধার হওয়া কোনো কোনো মরদেহ পরিচয়হীন অবস্থায় দাফন হয়, অথচ তার মৃত্যুর রহস্য থেকে যায় অন্ধকারে। যে মানুষটির একদিন নাম ছিল, ঠিকানা ছিল, ছিল আপনজন। মৃত্যুর পর তার পরিচয়টুকুও যদি হারিয়ে যায়, তবে কোথাও হয়তো একটি পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটায়, আর কোনো অপরাধের সঙ্গে তার মৃত্যুর যোগ থাকলে আড়ালে থেকে যায় অপরাধী। তাই নদী থেকে একটি মরদেহ উদ্ধারের পর প্রশ্ন শুধু তার পরিচয় কী, তা নয়-কীভাবে তার মৃত্যু হলো, এর পেছনে কোনো অপরাধ আছে কি না এবং থাকলে অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা গেল কি না-সেসব প্রশ্নের উত্তরও জরুরি।সম্প্রতি প্রথম আলোয় (২৩ অক্টোবর ২০২৬) প্রকাশিত নদ-নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের একটি প্রতিবেদন এসব প্রশ্নের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এনেছে। নৌ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী থেকে ২ হাজার ৬৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে আরও ৪৩০টি। সব মিলিয়ে পাঁচ বছর নয় মাসে উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা ২ হাজার ৪৯৪। এর মধ্যে ৭৫৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। একই সময়ে এসব ঘটনায় ৩৯২টি হত্যা মামলা হয়েছে।এই পরিসংখ্যানের প্রতিটি মৃত্যু হত্যাকাণ্ডের ফল নয়। দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা ও অন্যান্য কারণেও মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু পরিচয়হীন মরদেহের সংখ্যা, বছরের পর বছর মরদেহ উদ্ধারের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং হত্যার পর নদীতে লাশ ফেলে দেওয়ার তথ্য আমাদের উদ্বিগ্ন না করে পারে না। বিষয়টি তাই শুধু অপরাধের খবর হিসেবে দেখার নয়-মানুষের পরিচয়, ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও ভাবার।মৃত্যুর পরও কেন হারিয়ে যাবে মানুষের পরিচয়?মানুষের পরিচয় শুধু একটি নাম নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পরিবার, সম্পর্ক, স্মৃতি এবং একটি জীবনের ইতিহাস। অথচ নৌ পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছর নয় মাসে উদ্ধার হওয়া ২ হাজার ৪৯৪টি মরদেহের মধ্যে ৭৫৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তাদের কেউ হয়তো দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকা ব্যক্তি। কেউ হয়তো এমন একটি পরিবারের সদস্য, যে পরিবার এখনো জানে না তার প্রিয়জনের পরিণতি কী হয়েছে।পরিচয় শনাক্ত না হওয়ার পেছনে বাস্তব সমস্যা রয়েছে। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে মরদেহে পচন ধরে, আঙুলের ছাপ নষ্ট হয়, চেহারা বিকৃত হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আলামতও নষ্ট হয়ে যায়। এতে পরিচয় শনাক্ত করা যেমন কঠিন হয়, তেমনি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয় করাও দুরূহ হয়ে পড়ে। কিন্তু এই সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়ে বসে থাকার সুযোগ নেই। বরং কীভাবে পরিচয় শনাক্তের ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা যায়, সেটিই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচনা।দেশের বিভিন্ন থানায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে করা সাধারণ ডায়েরি, উদ্ধার হওয়া মরদেহের ছবি, ডিএনএ নমুনা ও অন্যান্য তথ্যের মধ্যে দ্রুত সমন্বয় করা জরুরি। এমন একটি কেন্দ্রীয় তথ্যব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন, যেখানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহজে নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্যের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মরদেহের তথ্য মিলিয়ে দেখতে পারবে। একই সঙ্গে পরিচয় শনাক্তের জন্য সংগৃহীত ডিএনএ নমুনা যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।পরিচয় শনাক্ত করা শুধু পরিবারের কাছে মৃত্যুসংবাদ পৌঁছে দেওয়ার বিষয় নয়। কোনো মৃত্যুর পেছনে অপরাধ থাকলে সেই পরিচয় তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠতে পারে। পরিচয় জানা না গেলে সম্ভাব্য সাক্ষী, পারিবারিক পরিস্থিতি, নিখোঁজ হওয়ার সময় এবং শেষবার কোথায় দেখা গিয়েছিল-এ ধরনের তথ্য সংগ্রহও কঠিন হয়ে পড়ে।একটি পরিবার তার স্বজনের মৃত্যুর খবর জানতে পারলেও শোকের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু প্রিয়জনের কোনো সন্ধান না পাওয়া পরিবারকে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখে। তাই পরিচয়হীন মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা রাষ্ট্রের মানবিক দায়িত্বের পাশাপাশি অপরাধের রহস্য উদ্‌ঘাটনেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।হত্যা মামলা হলেই কি ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়?প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ৩৯২টি হত্যা মামলা হয়েছে। কিন্তু মামলা হওয়া আর ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়া এক কথা নয়। একটি মামলায় সত্য উদ্‌ঘাটন, প্রমাণ সংগ্রহ, অপরাধী শনাক্তকরণ, অভিযোগপত্র দাখিল এবং বিচার সম্পন্ন করার দীর্ঘ প্রক্রিয়া রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার শেষ পর্যন্ত পৌঁছানোই গুরুত্বপূর্ণ।পরিচয়হীন মরদেহের ক্ষেত্রে তদন্তের জটিলতা আরও বেশি। মরদেহে পচন ধরলে আলামত নষ্ট হতে পারে। মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করা কঠিন হতে পারে। আবার যে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, হত্যাকাণ্ডটি সেখানেই ঘটেছে-এমন নিশ্চয়তা নেই। অপরাধীরা এক স্থানে হত্যা করে অন্য স্থানে মরদেহ ফেলে দিতে পারে। ফলে তদন্তকারীদের বিভিন্ন সূত্র ধরে এগোতে হয়।তবু প্রশ্ন থেকে যায়, এসব হত্যা মামলার অগ্রগতি কতটা? কতটি মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে, কতটির অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে, কতটি মামলায় বিচার সম্পন্ন হয়েছে এবং কতজন অপরাধী শাস্তি পেয়েছেন? প্রথম আলোর আলোচ্য প্রতিবেদনে এসব মামলার চূড়ান্ত পরিণতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেই। তাই অনুমানের ভিত্তিতে বিচারব্যবস্থার সাফল্য বা ব্যর্থতা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক হবে না। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এই তথ্যগুলো চাওয়াই যুক্তিসংগত।কারণ, মামলা হওয়ার পর কী ঘটছে, সেটি জানা জনস্বার্থের বিষয়। তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা থাকলে তার কারণ কী, আলামতের অভাবে তদন্ত আটকে থাকলে সেই সীমাবদ্ধতা কীভাবে দূর করা যায়, আর দীর্ঘদিন অমীমাংসিত থাকা মামলাগুলোর অগ্রগতি কী-এসব বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন।এখানে তদন্তকারী সংস্থার কাজকে আগাম ব্যর্থ বলা উদ্দেশ্য নয়। বরং তাদের কাজের জটিলতা স্বীকার করেই প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি জানানো জরুরি। ফরেনসিক পরীক্ষা, ডিএনএ বিশ্লেষণ, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ তদন্তকারীর সমন্বয় ছাড়া অনেক জটিল অপরাধের রহস্য উদ্‌ঘাটন কঠিন হতে পারে।অপরাধীরা যদি মনে করে, হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দিলে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হবে এবং তারা সহজে পার পেয়ে যাবে, তাহলে সেই ধারণা ভেঙে দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।মনে রাখতে হবে যে, অপরাধের বিচার শুধু অপরাধীর শাস্তির জন্য নয়, মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা তৈরি এবং অপরাধ করে পার পাওয়ার সুযোগ কমানোর জন্যও জরুরি।নদীকে অপরাধ আড়াল করার জায়গা হতে দেওয়া যাবে নানৌ পুলিশের কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অপরাধের প্রমাণ মুছে ফেলতে এবং নিজেদের আড়াল করতে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। নদীর স্রোতে মরদেহ দূরে চলে যেতে পারে, দীর্ঘ সময় পানিতে থাকলে পচন ধরে আলামত নষ্ট হতে পারে। অপরাধীরা এই বাস্তবতাকে নিজেদের সুবিধা হিসেবে কাজে লাগাতে চাইছে-এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।এখানে রাষ্ট্রের প্রতিরোধমূলক দায়িত্ব সামনে আসে। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর মরদেহ উদ্ধার, মামলা দায়ের ও তদন্ত করা প্রয়োজন। কিন্তু এর পাশাপাশি অপরাধীরা যাতে নদীপথকে মরদেহ গোপন করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, সেই ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে হবে।দেশের বিস্তীর্ণ নদীপথে সব জায়গায় সার্বক্ষণিক নজরদারি করা কঠিন। এই সীমাবদ্ধতা বাস্তব। তবে কোথায় নজরদারি বাড়ানো দরকার, কোন ঘাট বা নির্জন এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ এবং কোন পথে সন্দেহজনকভাবে মরদেহ ফেলে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে-এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে পরিকল্পিত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী সিসিটিভি ক্যামেরা, আলোকসজ্জা, নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি নৌ পুলিশ, থানা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয় জোরদার করতে হবে। তবে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি এসব উদ্যোগ কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়মিত মূল্যায়ন করাও জরুরি।প্রতিরোধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তদন্তের সক্ষমতা বৃদ্ধি। আধুনিক ফরেনসিক পরীক্ষাগার, ডিএনএ বিশ্লেষণের সুযোগ এবং দক্ষ জনবল থাকলে পরিচয়হীন মরদেহ শনাক্ত করা ও মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে। কোনো মরদেহ থেকে প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিচয় শনাক্ত করা না গেলে বিকল্প বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহারের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।একই সঙ্গে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারকে সহযোগিতা করা এবং তাদের কাছে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে যথাসম্ভব তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা প্রয়োজন। একটি পরিবার যখন তার স্বজনকে খুঁজছে, তখন প্রশাসনিক জটিলতা যেন তার দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে না দেয়।এসব উদ্যোগের কোনোটিই একা সব সমস্যার সমাধান করবে না। কিন্তু সমন্বিতভাবে এগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে অপরাধের সুযোগ কমানো, পরিচয় শনাক্ত করা এবং তদন্তকে এগিয়ে নেওয়ার পথ সহজ হতে পারে।অপরাধের খবর যেন আমাদের অভ্যাসে পরিণত না হয়প্রতিদিন নানা ধরনের অপরাধের খবর সামনে আসে। আমরা ক্ষুব্ধ হই, শোক প্রকাশ করি, অপরাধীর শাস্তি দাবি করি। তারপর নতুন কোনো ঘটনা আগের ঘটনাকে আড়াল করে দেয়। এভাবে ভয়াবহ ঘটনাও একসময় আমাদের কাছে পরিচিত দৃশ্যে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।এই অভ্যস্ত হয়ে পড়াটাই বিপজ্জনক। কোনো অন্যায় বারবার ঘটছে বলে তা স্বাভাবিক হয়ে যায় না। বরং বারবার এমন ঘটনা সামনে এলে আমাদের খুঁজে দেখা উচিত, কোথায় প্রতিরোধ দুর্বল, তদন্তে কী সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে কী পরিবর্তন প্রয়োজন।নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের সংখ্যা বেড়েছে-এটি উদ্বেগের বিষয়। তবে শুধু এই সংখ্যা দিয়ে সব ধরনের অপরাধের প্রবণতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া যাবে না। প্রয়োজন মৃত্যুর ধরন অনুযায়ী নির্ভরযোগ্য তথ্য, হত্যা মামলার অগ্রগতি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করা। আবেগের পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন জরুরি। তবেই সমস্যার প্রকৃত চেহারা বোঝা এবং কার্যকর সমাধানের দিকে এগোনো সম্ভব হবে।সবশেষে, নদীতে ভেসে ওঠা একটি মরদেহ আমাদের সামনে তিনটি মৌলিক দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রথমত, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে, যাতে কোনো পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে না থাকে। দ্বিতীয়ত, হত্যার ঘটনা প্রমাণিত হলে অপরাধীকে শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার জন্য তদন্তকে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে নিতে হবে। তৃতীয়ত, যেসব দুর্বলতা অপরাধীদের সুযোগ করে দেয়, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে।নদীর স্রোত একটি মরদেহকে দূরে নিয়ে যেতে পারে, পানিতে নষ্ট হতে পারে অনেক আলামত। কিন্তু এসব কারণে সত্য অনুসন্ধানের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। একটি পরিচয়হীন মরদেহের পেছনে যে মানুষটি ছিলেন, তারও একটি জীবন ছিল, তার স্বজনদেরও সত্য জানার অধিকার রয়েছে। আর কোনো হত্যাকাণ্ডের পেছনে অপরাধী থাকলে তাকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি করাই আইনের শাসনের দাবি।নদীতে কতটি মরদেহ উদ্ধার হলো, শুধু সেই হিসাব রাখাই যথেষ্ট নয়। জরুরি হলো, কতজনের পরিচয় ফিরিয়ে দেওয়া গেল, কতটি মৃত্যুর রহস্য উন্মোচিত হলো এবং এমন ঘটনা ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো। মানুষের পরিচয়, ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। নদীতে ভেসে ওঠা প্রতিটি মরদেহ আমাদের সেই দায়িত্বের কথাই নতুন করে মনে করিয়ে দেয়।লেখক: বিশেষ প্রতিনিধি, মাছরাঙা টেলিভিশন

Sangbad • 11 Days, Oct 24, 2026 6:37 PM
0
• 0 min read
Entertainment

ফারুকীর ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হ্যাকের চেষ্টা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ও জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ডিঅ্যাক্টিভ হয়ে গেছে।

AmarDesh • 11 Days, Oct 24, 2026 6:36 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

‘কক্সবাজারে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রুম ভাড়া দিলেই আইনি ব্যবস্থা’

কক্সবাজারের আবাসিক হোটেলগুলোতে এনআইডি (জাতীয় পরিচয় পত্র) ছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের প্রেমিকের সঙ্গে অবস্থানের জন্য রুম ভাড়া দেওয়ার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট হোটেলের মালিক-ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ও কক্সবাজার জেলা...

Ittefaq • 11 Days, Oct 24, 2026 6:36 PM
0
• 3 min read
Bangladesh

‘কক্সবাজারে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রুম ভাড়া দিলেই আইনি ব্যবস্থা’

কক্সবাজারের আবাসিক হোটেলগুলোতে এনআইডি (জাতীয় পরিচয় পত্র) ছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের প্রেমিকের সঙ্গে অবস্থানের জন্য রুম ভাড়া দেওয়ার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট হোটেলের মালিক-ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ও কক্সবাজার জেলা...

Ittefaq • 11 Days, Oct 24, 2026 6:36 PM
0
• 0 min read
Entertainment

‘এক পাতিলের সংসার’ ধারাবাহিকে ‘নাহার’ চরিত্রে অনবদ্য সূচনা শিকদার

Ajkalerkhobor • 11 Days, Oct 24, 2026 6:34 PM
0
• 0 min read
Business

সৌদির দুই শহরে আবার হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের দুই শহর লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছেন ইয়েমেনের হুথিরা। মদিনা অঞ্চলের উপকূলীয় শহর ইয়ানবু এবং মক্কার পাহাড়ি শহর তায়েফের দিকে ছুটে আসা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি।

AmarDesh • 11 Days, Oct 24, 2026 6:34 PM
0
• 0 min read
Bangla

ছোট ছোট অভ্যাসেই গড়ে উঠুক সুস্থ জীবন

Sangbad • 11 Days, Oct 24, 2026 6:34 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না: মীর শাহে আলম

জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বেহেশতের লোভ দেখিয়ে জামায়াত ভোট নিয়েছে, কিন্তু ভোটের পর মানুষের পাশে নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার সৈয়দপুর উচ্চ...

Ittefaq • 11 Days, Oct 24, 2026 6:33 PM
0
• 0 min read
World

হিসাবের ভুলেই যুক্তরাষ্ট্র চোরাবালিতে আটকে গেছে : ইরান

আল জাজিরা রোববার (২৫ অক্টোবর) জানায়, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, 'মিডিয়া প্রেশার ট্যাকটিকস বা সামরিক হুমকি' দিয়ে ইরানকে বাগে আনা যাবে বা মাথা নত করানো যাবে—যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারণা পুরোপুরি ভুল।

NayaDiganta • 11 Days, Oct 24, 2026 6:33 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

পূজার ছুটি শেষে বাসায় ফিরে দেখেন গ্রিল কাটা, অর্ধকোটি টাকাসহ স্বর্ণালঙ্কার উধাও

নিজের মতো করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানোর স্বপ্ন নিয়ে জমি বিক্রি করেছিলেন সুখন চৌধুরী। সেই জমি বিক্রির ৫০ লাখ টাকা নরসিংদীর বাসায় রেখে গিয়েছিলেন নেত্রকোনার বাড়িতে। কিন্তু ছয় দিন পর নরসিংদীর বাসায় ফিরে দেখেন, ঘরের সবকিছু তছনছ। ভুক্তভোগী পরিবারটির অভিযোগ, তারা বাড়িতে...

Ittefaq • 11 Days, Oct 24, 2026 6:32 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

তিনদিন পর ঘাঘটে নিখোঁজ প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধায় ঘাঘট নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর প্রকৌশলী নাজমুল হুদা নিয়নের (৩৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার

ShomoyerAlo • 11 Days, Oct 24, 2026 6:31 PM
0
• 0 min read
Bangla

টঙ্গীতে শিশু নিপী‍‍`ড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ, আদালতে শিশুর জবানবন্দি

গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মোসলেম আহম্মদ কারাগারে রয়েছেন। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতে শিশুটির জবানবন্দিও

AmarSangbad • 11 Days, Oct 24, 2026 6:31 PM
0
• 0 min read
Fri ☀️ 31°
Sat ⛅ 30°
Sun 🌧️ 28°
Mon ⛅ 29°
Tue ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper