Bangla
ঢাকায় আজ শুষ্ক আবহাওয়ার আভাস
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে
Bangla
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে
জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আকিজ বশির গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রোডাকশন বিভাগে ‘অফিসার’ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। এরই মধ্যে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
বাংলাদেশের কৃষি, বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সংস্কার ও বেসরকারি খাতের উন্নয়নে চারটি নতুন উদ্যোগে ৪ কোটি ৫০ লাখ কানাডিয়ান ডলার অনুদান
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ‘এসআরবি’ পরিচয়ে এহসান প্রকাশ হাসান (৩৬) নামের এক ব্যবসায়ীকে হাতকড়া পরিয়ে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের প্রেমবাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ১৯ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অপহৃত ব্যবসায়ীর কোনো হদিস মেলেনি।
বাংলাদেশ বেতারের ভবনে আইন ও নিয়মবহির্ভূতভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করে ৬ কোটি
কক্সবাজারের ইনানীর পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যু ও ছয়জন আহত হওয়ার ঘটনায় জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সাজরুল ইসলাম সাজু , সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায়।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সঙ্কট ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
সারা দেশে যখন শারদীয় দুর্গোৎসবের ঢাকের বাদ্য আর আনন্দের জোয়ার, তখন সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেশের বৃহত্তম বিলুপ্ত ছিটমহল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার দাসিয়ারছড়ায়। সেখানে নেই কোনো মণ্ডপ, নেই ঢাকের আওয়াজ, নেই পূজার চেনা কোলাহল। অর্থসংকট ও উদ্যোগের অভাবে টানা তিন বছর ধরে এই ছিটমহলে বন্ধ রয়েছে দুর্গাপূজার আয়োজন। একসময়ের উৎসবমুখর পরিবেশ সেখানে রূপ নিয়েছে নিভৃত বিষাদ ও শূন্যতায়।কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত ১২টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফুলবাড়ী উপজেলার দাসিয়ারছড়া। ৬.৬৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই ছিটমহলে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। ১ হাজার ৩৬৪টি পরিবারের মধ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবার রয়েছে প্রায় ৭৫ থেকে ৮০টি। ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই ঐতিহাসিক স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পর বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর এখানে পর পর তিন বছর জমকালো আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এবার ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৭২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হলেও দাসিয়ারছড়ায় কোনো মণ্ডপ তৈরি হয়নি।দাসিয়ারছড়ার কামালপুর এলাকার গৃহিণী সুবর্ণা রানী আক্ষেপ করে বলেন, ‘ঘরের কাছোত মণ্ডপ নাই, বাজি পোড়া নাই! ছাওয়া-পাওয়াগুলার মইধ্যে সেই আনন্দ আর নাই। কি আর করার, কষ্ট করি দূর-দূরান্তত গিয়া পূজা করা নাগছে।’একই এলাকার বাসিন্দা বিরোবালা বলেন, ‘এর আগে আমাদের বাড়ির সামনেই পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছিল। এখন হিন্দু পরিবারের সংখ্যা কম। আর চরম টাকা-পয়সার অভাবের কারণে এখানে আর পূজা হয় না।’কালিরহাট কালিমন্দির কমিটির সদস্য সুধন মোহন্ত জানান, মূলত আর্থিক সংকট, সংগঠকের অভাব এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা কম হওয়ার কারণে গত তিন বছর ধরে স্থানীয়ভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল চন্দ্র রায় বলেন, ‘উপজেলায় এবার ৭২টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে। তবে বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ায় এবারও পূজার আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। আমরা স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আশা করছি, আগামী বছর থেকে তারা আবারও পূজার আয়োজন করতে পারবেন।’ছিটমহল বিনিময়ের পর উৎসবের এই ভাটা দাসিয়ারছড়াবাসীর মনে গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আগামী বছরগুলোতে আবারও এখানে আনন্দের বার্তা নিয়ে দেবী দুর্গার সুশোভিত মণ্ডপ গড়ে উঠবে - এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, বর্ণবাদী প্রচারণা ও ‘পুনর্বাসন ষড়যন্ত্র’ নিয়ে ছড়ানো গুজবের কারণে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন দেশটিতে বসবাসরত আফ্রিকার সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলোর অভিবাসীরা। আগে থেকেই অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা এসব মানুষের জীবনযাপন আরো কঠিন হয়ে উঠেছে।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানটিতে ‘অ্যাসোসিয়েট’ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটা, নুশকি ও খুজদার জেলায় তিনটি পৃথক অভিযানে ভারত সমর্থিত আট সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। রোববার এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক
সরকারি ২৫ জলমহাল ৬ বছরের জন্য ইজারার সিদ্ধান্ত
চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে বাংলাদেশে গণপিটুনি ও গণসহিংসতার ৩৯৮টি ঘটনায় ১৮৭ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার এক হাজার ১৩টি ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭৩ জন, আহত হয়েছেন প্রায় সাড়ে ছয় হাজার জন। এ ছাড়া কারাগারে ৯৫ বন্দী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকাবস্থায় বা নির্যাতনের শিকার হয়ে আরো ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।মানবাধিকার সহায়তাবিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) প্রকাশিত ২০২৬ সালের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী রাজনৈতিক বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা, গণপিটুনি ও হেফাজতে মৃত্যুর মতো ঘটনাগুলো দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গণপিটুনি ও গণসহিংসতায় নিহত ১৮৭ : চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে সারা দেশে গণপিটুনি ও গণসহিংসতার ৩৯৮টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে এইচআরএসএস। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৮৭ জন। গণপিটুনির ঘটনা সাধারণত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ, সন্দেহ, গুজব কিংবা জনতার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হতে পারে। তবে কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই, অপরাধের তদন্ত এবং অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণের দায়িত্ব আইন ও বিচারব্যবস্থার। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে হত্যা বা শারীরিকভাবে আক্রমণ করা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। প্রতিবেদনে উল্লিখিত মৃত্যুর সংখ্যা গণসহিংসতার ব্যাপকতা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিলেও ঘটনাগুলোর স্থান, কারণ, ভুক্তভোগীদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ ছিল- এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ছাড়া প্রতিটি ঘটনার প্রকৃতি নির্দিষ্টভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক সহিংসতার নিহত ৭৩ : এইচআরএসএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী বছরের প্রথম ৯ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার এক হাজার ১৩টি ঘটনায় ৭৩ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহতের সংখ্যা ছয় হাজার ৪৭৩ জন ছাড়িয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনাগুলোতে প্রাণহানি ও বিপুলসংখ্যক মানুষের আহত হওয়ার পাশাপাশি জননিরাপত্তা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং স্বাভাবিক সামাজিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে সহিংসতা সৃষ্টি হলে তার প্রভাব কেবল সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। সাধারণ মানুষ, স্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা মোট ঘটনার মধ্যে কতটি দলীয় সংঘর্ষ, কতটি আধিপত্য বিস্তারকেন্দ্রিক বিরোধ এবং কতটি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তার বিস্তারিত বিভাজন এখানে পাওয়া যায়নি। নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় মৃত্যু ১৩ : এ সময় নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় ১৩ জন নিহত হওয়ার তথ্য মিলেছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের মতামত প্রকাশ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া হচ্ছে নির্বাচন। কিন্তু এটিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, হামলা কিংবা কারো মৃত্যু হলে ভোটারদের নিরাপত্তা, অবাধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম চালানোর পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ ভূমিকা, অভিযোগের দ্রুত তদন্ত, সহিংসতায় জড়িতদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক পক্ষগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় নিহত ১৩ জনের তথ্যকে রাজনৈতিক সহিংসতায় মোট ৭৩ জন নিহত হওয়ার পরিসংখ্যানের বাইরে আলাদা করে যোগ করার আগে দু’টি শ্রেণীর মধ্যে কোনো ওভারল্যাপ আছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। একইভাবে নির্বাচনকেন্দ্রিক ঘটনাগুলো রাজনৈতিক সহিংসতার মোট ঘটনার অন্তর্ভুক্ত কি না, সে বিষয়টিও প্রতিবেদনের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে নিশ্চিত করা দরকার। হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ : প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকাবস্থায় অথবা নির্যাতনের শিকার হয়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। কারাগার বা পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের অভিযোগ মানবাধিকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কোনো ব্যক্তিকে আটক করলে তার জীবন, শারীরিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও তার প্রতি নির্যাতন বা অমানবিক আচরণের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত কারণ নির্ধারণ, চিকিৎসা ও ময়নাতদন্তের তথ্য যাচাই এবং অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। ৯ মাসে ৯৫ কারাবন্দীর মৃত্যু : এইচআরএসএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের কারাগারগুলোতে ৯৫ জন বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। কারাগারে বন্দীদের স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত চিকিৎসা, নিরাপদ আবাসন ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা মানবাধিকার সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কারাগারে মৃত্যুর সংখ্যা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বন্দীদের বয়স, অসুস্থতা, মৃত্যুর কারণ, কারাগারভিত্তিক তথ্য ও চিকিৎসাসেবার প্রাপ্যতার মতো বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন। শুধু মৃত্যুর মোট সংখ্যা থেকে সব মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা যায় না। এ জন্য প্রতিটি মৃত্যুর কারণ, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা নথি এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের তথ্য বিশ্লেষণ করা দরকার। এইচআরএসএস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এ জন্য ১৬টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ, সংগঠনটির নিজস্ব তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ঘটনার অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদন ব্যবহার করা হয়েছে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য, নিজস্ব পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন একত্র করে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনা শনাক্তের চেষ্টা করেছে সংগঠনটি। প্রয়োজন জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা : প্রতিবেদনে উঠে আসা পরিসংখ্যানগুলো বাংলাদেশের জননিরাপত্তা, রাজনৈতিক সহিংসতা, হেফাজতে ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু প্রতিরোধে আইনের কার্যকর প্রয়োগ, অপরাধের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সেই সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, আটক ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষা এবং কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে মানবাধিকার পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র বুঝতে শুধু মোট মৃত্যুর সংখ্যা জানাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ঘটনাভিত্তিক তথ্য, নিরপেক্ষ তদন্তের ফলাফল, বিচারিক অগ্রগতি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কার্যকারিতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা। এইচআরএসএসের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন সেই আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করেছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে পরিস্থিতির উন্নতি মূল্যায়নের জন্য একই পদ্ধতিতে সংগৃহীত ধারাবাহিক তথ্য, সরকারি পরিসংখ্যান এবং স্বাধীন তদন্তের ফলাফলের সাথে এসব তথ্য তুলনা করা প্রয়োজন।
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার আলোর ভুবন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান ও অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের সেই যোগ্যতাও নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার পৃথক শপথ নেওয়ার কথা বলে জাতির সঙ্গে প্রবঞ্চনার সূচনা করেছে এবং একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে দেশকে আবারও পুরোনো ধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এবি পার্টি আয়োজিত ‘জুলাই সনদের ১ বছর: প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াতের আমির বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ছিল দেশে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরির জন্য। কিন্তু সরকার বর্তমানে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)-সহ বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করছে। পিএসসি কোনো মন্ত্রীর পারিবারিক ব্যবসা নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে বসানোর চেষ্টা চলছে। এমনকি বিরোধী দলের এমপিদের বাদ দিয়ে শুধু সরকারি দলের আসনগুলোতে বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে রাজনৈতিক বৈষম্য তৈরি করা হচ্ছে।গণভোট ও জুলাই সনদের বিষয়ে আলোকপাত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি বদলে গেলেও আমরা নিজেদের কথা থেকে সরব না। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আমাদের বিভিন্ন লোভ-লালসা দেখানো হলেও তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।’জাতীয় তহবিলের অর্থ নিয়ে বৈষম্যমূলক বক্তব্যকে ‘রাষ্ট্রীয় অপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষায় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা রাজপথে পাহারাদারের ভূমিকা পালন করবেন। যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে হিমালয় পর্বতের মতো অটল থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।/
পশ্চিম তীরে ইউরোপীয় দূতদের ওপর হামলা, ফ্রান্সের মেয়রকে মারধর
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন। পরিদর্শন শেষে মণ্ডপের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ ব্রিফিং করেছে সংস্থাটি।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.