তিন বছর ধরে বন্ধ দেশের বৃহত্তম বিলুপ্ত ছিটমহলের দুর্গাপূজা
Bangla

তিন বছর ধরে বন্ধ দেশের বৃহত্তম বিলুপ্ত ছিটমহলের দুর্গাপূজা

সারা দেশে যখন শারদীয় দুর্গোৎসবের ঢাকের বাদ্য আর আনন্দের জোয়ার, তখন সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেশের বৃহত্তম বিলুপ্ত ছিটমহল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার দাসিয়ারছড়ায়। সেখানে নেই কোনো মণ্ডপ, নেই ঢাকের আওয়াজ, নেই পূজার চেনা কোলাহল। অর্থসংকট ও উদ্যোগের অভাবে টানা তিন বছর ধরে এই ছিটমহলে বন্ধ রয়েছে দুর্গাপূজার আয়োজন। একসময়ের উৎসবমুখর পরিবেশ সেখানে রূপ নিয়েছে নিভৃত বিষাদ ও শূন্যতায়।কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত ১২টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফুলবাড়ী উপজেলার দাসিয়ারছড়া। ৬.৬৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই ছিটমহলে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। ১ হাজার ৩৬৪টি পরিবারের মধ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবার রয়েছে প্রায় ৭৫ থেকে ৮০টি। ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই ঐতিহাসিক স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পর বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর এখানে পর পর তিন বছর জমকালো আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এবার ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৭২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হলেও দাসিয়ারছড়ায় কোনো মণ্ডপ তৈরি হয়নি।দাসিয়ারছড়ার কামালপুর এলাকার গৃহিণী সুবর্ণা রানী আক্ষেপ করে বলেন, ‘ঘরের কাছোত মণ্ডপ নাই, বাজি পোড়া নাই! ছাওয়া-পাওয়াগুলার মইধ্যে সেই আনন্দ আর নাই। কি আর করার, কষ্ট করি দূর-দূরান্তত গিয়া পূজা করা নাগছে।’একই এলাকার বাসিন্দা বিরোবালা বলেন, ‘এর আগে আমাদের বাড়ির সামনেই পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছিল। এখন হিন্দু পরিবারের সংখ্যা কম। আর চরম টাকা-পয়সার অভাবের কারণে এখানে আর পূজা হয় না।’কালিরহাট কালিমন্দির কমিটির সদস্য সুধন মোহন্ত জানান, মূলত আর্থিক সংকট, সংগঠকের অভাব এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা কম হওয়ার কারণে গত তিন বছর ধরে স্থানীয়ভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল চন্দ্র রায় বলেন, ‘উপজেলায় এবার ৭২টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে। তবে বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ায় এবারও পূজার আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। আমরা স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আশা করছি, আগামী বছর থেকে তারা আবারও পূজার আয়োজন করতে পারবেন।’ছিটমহল বিনিময়ের পর উৎসবের এই ভাটা দাসিয়ারছড়াবাসীর মনে গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আগামী বছরগুলোতে আবারও এখানে আনন্দের বার্তা নিয়ে দেবী দুর্গার সুশোভিত মণ্ডপ গড়ে উঠবে - এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

Sangbad • 3 Days, Oct 18, 2026 3:18 PM
0
• 0 min read
Bangla

লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা

লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, বর্ণবাদী প্রচারণা ও ‘পুনর্বাসন ষড়যন্ত্র’ নিয়ে ছড়ানো গুজবের কারণে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন দেশটিতে বসবাসরত আফ্রিকার সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলোর অভিবাসীরা। আগে থেকেই অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা এসব মানুষের জীবনযাপন আরো কঠিন হয়ে উঠেছে।

AmarDesh • 3 Days, Oct 18, 2026 3:17 PM
0
• 0 min read
Bangla

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে চাকরি, স্নাতক পাসেই আবেদনের সুযোগ

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানটিতে ‘অ্যাসোসিয়েট’ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

AjkerPatrika • 3 Days, Oct 18, 2026 3:16 PM
0
• 0 min read
Bangla

পাকিস্তানে ভারত সমর্থিত ৮ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটা, নুশকি ও খুজদার জেলায় তিনটি পৃথক অভিযানে ভারত সমর্থিত আট সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। রোববার এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক

AmarDesh • 3 Days, Oct 18, 2026 3:16 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

১২সরকারি ২৫ জলমহাল ৬ বছরের জন্য ইজারার সিদ্ধান্তজাতীয়

সরকারি ২৫ জলমহাল ৬ বছরের জন্য ইজারার সিদ্ধান্ত

Kaler Kantho • 3 Days, Oct 18, 2026 3:15 PM
0
• 0 min read
Bangla

গণপিটুনিতে ৯ মাসে প্রাণ হারিয়েছেন ১৮৭ জন, রাজনৈতিক সহিংসতায় ৭৩

চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে বাংলাদেশে গণপিটুনি ও গণসহিংসতার ৩৯৮টি ঘটনায় ১৮৭ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার এক হাজার ১৩টি ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭৩ জন, আহত হয়েছেন প্রায় সাড়ে ছয় হাজার জন। এ ছাড়া কারাগারে ৯৫ বন্দী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকাবস্থায় বা নির্যাতনের শিকার হয়ে আরো ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।মানবাধিকার সহায়তাবিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) প্রকাশিত ২০২৬ সালের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী রাজনৈতিক বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা, গণপিটুনি ও হেফাজতে মৃত্যুর মতো ঘটনাগুলো দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গণপিটুনি ও গণসহিংসতায় নিহত ১৮৭ : চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে সারা দেশে গণপিটুনি ও গণসহিংসতার ৩৯৮টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে এইচআরএসএস। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৮৭ জন। গণপিটুনির ঘটনা সাধারণত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ, সন্দেহ, গুজব কিংবা জনতার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হতে পারে। তবে কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই, অপরাধের তদন্ত এবং অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণের দায়িত্ব আইন ও বিচারব্যবস্থার। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে হত্যা বা শারীরিকভাবে আক্রমণ করা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। প্রতিবেদনে উল্লিখিত মৃত্যুর সংখ্যা গণসহিংসতার ব্যাপকতা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিলেও ঘটনাগুলোর স্থান, কারণ, ভুক্তভোগীদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ ছিল- এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ছাড়া প্রতিটি ঘটনার প্রকৃতি নির্দিষ্টভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক সহিংসতার নিহত ৭৩ : এইচআরএসএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী বছরের প্রথম ৯ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার এক হাজার ১৩টি ঘটনায় ৭৩ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহতের সংখ্যা ছয় হাজার ৪৭৩ জন ছাড়িয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনাগুলোতে প্রাণহানি ও বিপুলসংখ্যক মানুষের আহত হওয়ার পাশাপাশি জননিরাপত্তা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং স্বাভাবিক সামাজিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে সহিংসতা সৃষ্টি হলে তার প্রভাব কেবল সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। সাধারণ মানুষ, স্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা মোট ঘটনার মধ্যে কতটি দলীয় সংঘর্ষ, কতটি আধিপত্য বিস্তারকেন্দ্রিক বিরোধ এবং কতটি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তার বিস্তারিত বিভাজন এখানে পাওয়া যায়নি। নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় মৃত্যু ১৩ : এ সময় নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় ১৩ জন নিহত হওয়ার তথ্য মিলেছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের মতামত প্রকাশ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া হচ্ছে নির্বাচন। কিন্তু এটিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, হামলা কিংবা কারো মৃত্যু হলে ভোটারদের নিরাপত্তা, অবাধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম চালানোর পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ ভূমিকা, অভিযোগের দ্রুত তদন্ত, সহিংসতায় জড়িতদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক পক্ষগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় নিহত ১৩ জনের তথ্যকে রাজনৈতিক সহিংসতায় মোট ৭৩ জন নিহত হওয়ার পরিসংখ্যানের বাইরে আলাদা করে যোগ করার আগে দু’টি শ্রেণীর মধ্যে কোনো ওভারল্যাপ আছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। একইভাবে নির্বাচনকেন্দ্রিক ঘটনাগুলো রাজনৈতিক সহিংসতার মোট ঘটনার অন্তর্ভুক্ত কি না, সে বিষয়টিও প্রতিবেদনের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে নিশ্চিত করা দরকার। হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ : প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকাবস্থায় অথবা নির্যাতনের শিকার হয়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। কারাগার বা পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের অভিযোগ মানবাধিকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কোনো ব্যক্তিকে আটক করলে তার জীবন, শারীরিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও তার প্রতি নির্যাতন বা অমানবিক আচরণের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত কারণ নির্ধারণ, চিকিৎসা ও ময়নাতদন্তের তথ্য যাচাই এবং অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। ৯ মাসে ৯৫ কারাবন্দীর মৃত্যু : এইচআরএসএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের কারাগারগুলোতে ৯৫ জন বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। কারাগারে বন্দীদের স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত চিকিৎসা, নিরাপদ আবাসন ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা মানবাধিকার সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কারাগারে মৃত্যুর সংখ্যা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বন্দীদের বয়স, অসুস্থতা, মৃত্যুর কারণ, কারাগারভিত্তিক তথ্য ও চিকিৎসাসেবার প্রাপ্যতার মতো বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন। শুধু মৃত্যুর মোট সংখ্যা থেকে সব মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা যায় না। এ জন্য প্রতিটি মৃত্যুর কারণ, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা নথি এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের তথ্য বিশ্লেষণ করা দরকার। এইচআরএসএস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এ জন্য ১৬টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ, সংগঠনটির নিজস্ব তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ঘটনার অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদন ব্যবহার করা হয়েছে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য, নিজস্ব পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন একত্র করে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনা শনাক্তের চেষ্টা করেছে সংগঠনটি। প্রয়োজন জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা : প্রতিবেদনে উঠে আসা পরিসংখ্যানগুলো বাংলাদেশের জননিরাপত্তা, রাজনৈতিক সহিংসতা, হেফাজতে ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু প্রতিরোধে আইনের কার্যকর প্রয়োগ, অপরাধের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সেই সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, আটক ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষা এবং কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে মানবাধিকার পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র বুঝতে শুধু মোট মৃত্যুর সংখ্যা জানাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ঘটনাভিত্তিক তথ্য, নিরপেক্ষ তদন্তের ফলাফল, বিচারিক অগ্রগতি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কার্যকারিতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা। এইচআরএসএসের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন সেই আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করেছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে পরিস্থিতির উন্নতি মূল্যায়নের জন্য একই পদ্ধতিতে সংগৃহীত ধারাবাহিক তথ্য, সরকারি পরিসংখ্যান এবং স্বাধীন তদন্তের ফলাফলের সাথে এসব তথ্য তুলনা করা প্রয়োজন।

NayaDiganta • 3 Days, Oct 18, 2026 3:14 PM
0
• 0 min read
Bangla

রূপ দেখে সিজদা করাই নামাজ: লালনভক্ত ফকির মাহাতাব শাহ্

AjkerPatrika • 3 Days, Oct 18, 2026 3:14 PM
0
• 0 min read
Bangla

কমলনগরে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার আলোর ভুবন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান ও অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

NayaDiganta • 3 Days, Oct 18, 2026 3:13 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বিরোধী দলের সহযোগিতা নেওয়ার যোগ্যতা সরকারের নেই: ডা. শফিকুর রহমান

বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের সেই যোগ্যতাও নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার পৃথক শপথ নেওয়ার কথা বলে জাতির সঙ্গে প্রবঞ্চনার সূচনা করেছে এবং একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে দেশকে আবারও পুরোনো ধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এবি পার্টি আয়োজিত ‘জুলাই সনদের ১ বছর: প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াতের আমির বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ছিল দেশে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরির জন্য। কিন্তু সরকার বর্তমানে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)-সহ বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করছে। পিএসসি কোনো মন্ত্রীর পারিবারিক ব্যবসা নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে বসানোর চেষ্টা চলছে। এমনকি বিরোধী দলের এমপিদের বাদ দিয়ে শুধু সরকারি দলের আসনগুলোতে বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে রাজনৈতিক বৈষম্য তৈরি করা হচ্ছে।গণভোট ও জুলাই সনদের বিষয়ে আলোকপাত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি বদলে গেলেও আমরা নিজেদের কথা থেকে সরব না। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আমাদের বিভিন্ন লোভ-লালসা দেখানো হলেও তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।’জাতীয় তহবিলের অর্থ নিয়ে বৈষম্যমূলক বক্তব্যকে ‘রাষ্ট্রীয় অপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষায় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা রাজপথে পাহারাদারের ভূমিকা পালন করবেন। যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে হিমালয় পর্বতের মতো অটল থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।/

Sangbad • 3 Days, Oct 18, 2026 3:13 PM
0
• 0 min read
World

১১.পশ্চিম তীরে ইউরোপীয় দূতদের ওপর হামলা, ফ্রান্সের মেয়রকে মারধর

পশ্চিম তীরে ইউরোপীয় দূতদের ওপর হামলা, ফ্রান্সের মেয়রকে মারধর

Samakal • 3 Days, Oct 18, 2026 3:12 PM
0
• 0 min read
Bangla

কুড়িগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসআরবি-১৩

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন। পরিদর্শন শেষে মণ্ডপের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ ব্রিফিং করেছে সংস্থাটি।

Sangbad • 3 Days, Oct 18, 2026 3:12 PM
0
• 0 min read
World

গ্রেপ্তার এড়াতে মৃত যমজ ভাইয়ের ছদ্মবেশ, প্রেমিকার তথ্যে ২৪ বছর পর ধরা

মৃত যমজ ভাইয়ের পরিচয় ধারণ করে দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে আসা চীনের এক পলাতক ডাকাত অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মৃত ভাইয়ের সাবেক প্রেমিকার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘ ২৪ বছর পর ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে দেশটির পুলিশ। অবিশ্বাস্য এই পরিচায়ক...

Ittefaq • 3 Days, Oct 18, 2026 3:11 PM
0
• 0 min read
Business

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদারই সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের লক্ষ্য : তিতুমীর

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার এবং উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করাই সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

NayaDiganta • 3 Days, Oct 18, 2026 3:09 PM
0
• 0 min read
World

৯৯ বছর বয়সে ডানায় হেঁটে উড্ডয়ন, গিনেস বুকে নাম লেখালেন প্রবীণ নারী

বয়স যে কেবল একটি গাণিতিক সংখ্যা মাত্র, তা আবারও বিশ্বমঞ্চে প্রমাণ করলেন ৯৯ বছর বয়সি ইংল্যান্ডের বাসিন্দা হেলগা ডাফি। অসাধারণ সাহসিকতা প্রদর্শন করে উড্ডয়নরত বিমানের ডানায় হেঁটে বা দাঁড়িয়ে থেকে রোমাঞ্চকর ‘উইং ওয়াকিং’ পারফর্ম করেছেন তিনি।\r\n\r\nএর মধ্য দিয়ে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ

AmarSangbad • 3 Days, Oct 18, 2026 3:09 PM
0
• 0 min read
Bangla

শ্রীনগরে জাল টাকা ছাপানোর সরঞ্জাম ও দুই লাখ টাকাসহ আটক ১

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে জাল টাকা ছাপনোর সরঞ্জাম ও দুই লাখ জাল টাকাসহ মো: শ্রাবণ হোসেন (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।

NayaDiganta • 3 Days, Oct 18, 2026 3:09 PM
0
• 0 min read
Bangla

নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ দিল ইরান

ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মেহরদাদ আখলাকি কেতাবচি। রোববার দেশটির পার্লামেন্ট নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে তার নিয়োগের অনুমোদন দেয় । তার আগে এ দায়িত্বে ছিলেন আজিজ নাসিরজাদেহ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার প্রথম দিনেই তিনি নিহত হন।

AmarDesh • 3 Days, Oct 18, 2026 3:08 PM
0
• 0 min read
Bangla

বেগমগঞ্জে মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৩৪) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত। শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জিনু মার্কেটের মিজান স্টোরে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ীকে প্রথমে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। গুলিবিদ্ধ মিজান বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব জয়নারায়ণপুর গ্রামের আহাম্মদ উল্যার নতুন বাড়ির আহাম্মদ উল্যাহর ছেলে। তিনি স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে নিজের মুদি দোকানে বেচাকেনা নিয়ে

ManabZamin • 3 Days, Oct 18, 2026 3:08 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

সাত মাসে ১৭ বার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিএনপি : হাসনাত আবদুল্লাহ

জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও বিএনপি গত সাত মাসে ১৭ বার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। রোববার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আমার বাংলাদেশ (এবি)...

Ittefaq • 3 Days, Oct 18, 2026 3:07 PM
0
• 0 min read
Bangla

চাঞ্চল্যকর খুনের মামলাগুলোর আপিল শুনানি শিগগিরই শুরু হবে

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, মেজর সিনহা হত্যা এবং বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আপিল শুনানির তারিখ শিগগিরই নির্ধারণ করা হবে। আদালতের অবকাশকালীন ছুটি শেষে কার্যক্রম শুরু হলে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।

AmarDesh • 3 Days, Oct 18, 2026 3:06 PM
0
• 0 min read
Bangla

গ্রেপ্তার এড়াতে ভিন্ন সিম ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন মূল আসামি

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে পিটিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর থেকে পুলিশ ও এসআরবির যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।...

Ittefaq • 3 Days, Oct 18, 2026 3:06 PM
0
• 0 min read
Fri ☀️ 31°
Sat ⛅ 30°
Sun 🌧️ 28°
Mon ⛅ 29°
Tue ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper