Top Stories
হাসপাতালে রোগীদের দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ২৫০ টাকা করা হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের দৈনিক খাবারের বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার। বর্তমানের ১৫০ টাকার স্থলে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ২৫০ টাকা করা হবে বলে জানান তিনি। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে...
বিবাহবিচ্ছেদের পর মদ্যপানে আসক্তি, ২৬ দিন পুনর্বাসন কেন্দ্রে ছিলেন ভারতের তারকা ক্রিকেটার
ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনের কারণে কঠিন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল ভারতের লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালকে। ধনশ্রী বার্মার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর উদ্বেগ, প্যানিক অ্যাটাক এবং ক্রিকেট থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি। এমনকি অতিরিক্ত মদ্যপানে আসক্ত হওয়ার...
ফাইনালে যেতে বাংলাদেশের সামনে দুই সমীকরণ
জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় হার দিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। তাতে শুধু পয়েন্ট হারানো নয়, নিট রানরেটেও বড় ধাক্কা খেয়েছে দল। এখন ফাইনালে ওঠার ভাগ্য পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেই তাওহিদ হৃদয়ের দলের।
ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ অব্যাহত, গ্রেপ্তার ২৪০০
ফ্রান্সজুড়ে নজিরবিহীন সহিংসতা, ভাঙচুর–লুটপাটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে সরকারি ভবনে আগুন, দোকানপাটে হামলা, সড়কে ব্যারিকেড ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ১ হাজার ৫০০ টিরও বেশি দোকান–ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে।
৫কালীগঞ্জে বেদে পল্লীর দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০সারাবাংলা
কালীগঞ্জে বেদে পল্লীর দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০
সৌদি আরবকে তিন দফা কূটনৈতিক পত্র
রাজনৈতিক সংস্কৃতির সাম্প্রতিক ভাবনা
জীবনের সবকিছু মিলেই গঠিত হয় মানুষের সংস্কৃতি। আচার-ব্যবহার, কথাবার্তা, চিন্তাভাবনা, কাজকর্ম, অভ্যাস, শিক্ষা, সংগ্রাম, ফ্যাশন, দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বদৃষ্টি (Worldview)—সবকিছু মিলেই গড়ে ওঠে মানুষের সংস্কৃতি। সংস্কৃতির পরিধি খুবই বড়। সমাজ ও দেশভেদে এর গঠনপ্রক্রিয়ায়ও একরূপতা নেই। সংস্কৃতি গঠনে সাম
নোয়াখালীতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১৫ টন চিনি জব্দ
নোয়াখালীর হাতিয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১৫ হাজার কেজি লাল চিনি জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় চিনি পরিবহনে...
ইশরাক ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানালেন সারজিস
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন
৩ছেলেদের চেয়ে বেশি ভেপিং করছে মেয়েরা: গবেষণাজীবনযাপন
ছেলেদের চেয়ে বেশি ভেপিং করছে মেয়েরা: গবেষণা
আগামী ১ এপ্রিল থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু
গত ১৭ অক্টোবর দুই দেশের মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়।
আজ দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব: ইশরাক হোসেন
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। সোমবার সকালে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। ইশরাক বলেন, ‘আজ (সোমবার) দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব।’ওই পোস্টে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আজ দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হব, ইনশাআল্লাহ। ফেসবুকে কিছু সুশীল মানুষকে উল্লাসসূচক লেখালেখি করতে দেখলাম। আশা করি, ভবিষ্যতে কখনো আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজন হলে তারা জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিদেশ থেকে দেশে এসে সেই আন্দোলনে যোগ দেবেন।’তিনি আরও বলেন, ‘এবার সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন বিএ
ইশরাকের বিষয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক ও অন্য চাকরিজীবীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে এখনো আইনগত কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে বিকল্প কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি। আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধান না আসা পর্যন্ত তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
সাভারে অটোরিকশা ছিনতাই করতে চালককে হত্যার চেষ্টা, আটক ৩
ঢাকার সাভারে অটোরিকশা ছিনতাই করতে নুরুজ্জামান নামে এক চালককে গলায় রশি প্যাঁচিয়ে হত্যার চেষ্টার সময় তিন অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ।
খাদ্যনিরাপত্তায় উৎপাদনের পাশাপাশি চাই পুষ্টি ও সুরক্ষা
খাদ্য মানুষের বেঁচে থাকার অপরিহার্য শর্ত, মৌলিক অধিকার এবং সুস্থ, মর্যাদাপূর্ণ ও কর্মক্ষম জীবনের অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু খাদ্যনিরাপত্তা বলতে কেবল মানুষের পেট ভরানোর মতো খাবারের জোগান নিশ্চিত করাকে বোঝায় না। খাদ্য হতে হবে পর্যাপ্ত, সহজলভ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পুষ্টিকর। সেই সঙ্গে খাদ্যপ্রাপ্তির সুযোগ এমন হতে হবে, যাতে আয়, শ্রেণি, লিঙ্গ, অঞ্চল কিংবা সামাজিক অবস্থানের কারণে কেউ পুষ্টিকর খাবার থেকে বঞ্চিত না হন। অতএব, খাদ্যনিরাপত্তা একই সঙ্গে কৃষি, অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ, মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্ন।
যত্নে থাকুক কাঁসা পিতলের বাসন
পূজায় অতিথি আপ্যায়নে কাঁসা ও পিতলের বাসনের জুড়ি নেই। এসব থালা, বাটি, প্রদীপ কিংবা ধূপদানির উজ্জ্বল উপস্থিতি উৎসবের আবহে আনে আভিজাত্যের ছোঁয়া। তবে ব্যবহার এবং উৎসবের আমেজ শেষ হওয়ার পর এগুলো দীর্ঘদিন আলমারি বা ট্রাঙ্কে ফেলে রাখলে বাতাস, আর্দ্রতা ও পূজার উপকরণের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় খুব সহজে কালচে...
প্রতিটি শিশুর বিকাশে চাই সমান সুযোগ
আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। কথাটি সমাজে বহুল প্রচলিত হলেও এর তাৎপর্য অপরিসীম। এ প্রসঙ্গে কবি গোলাম মোস্তফা বলেছেন, ‘ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে।’ অর্থাৎ, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই ভবিষ্যতের সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। তারাই একদিন পরিবার, সমাজ ও দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।তাই দেশ ও জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে শিশুদের জ্ঞান-বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যা পেলে প্রতিটি শিশুর মেধা ও সম্ভাবনার বিকাশ ঘটবে। সমাজে ফুটে উঠবে শত ফুল।শিশুরা জন্মগতভাবে কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভক্ত নয়। তারা নিজ নিজ পরিবার ও পরিবেশে বেড়ে ওঠে এবং পরিবার ও সমাজের কাছ থেকেই নানা মূল্যবোধ শেখে। শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য খেলাধুলার সুযোগ, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশের অনুকূল পরিবেশ এবং নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষা, খেলাধুলা, খেলার উপকরণ ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত কার্যক্রম যেন কোনো কারণে ব্যাহত না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের উদ্যোগও অব্যাহত রাখতে হবে।শিশুদের যথাযথ বিকাশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী ও মায়েদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এর বাইরে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাসহ এক লাখের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে লেখকের উল্লেখিত তথ্যে জানা যায়। এসব প্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তাদের সামাজিক দক্ষতা, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতার বিকাশ এবং সুস্থ জাতি গঠনে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া জরুরি।বিশেষ করে দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, অনগ্রসর ও প্রান্তিক পরিবারের সন্তানদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। এসব পরিবারের অনেক মা-বাবার পক্ষে সন্তানের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে তাদের সন্তানরা শিক্ষা, পুষ্টি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। অথচ বাংলাদেশের সংবিধানে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে; এ ধরনের ব্যবস্থা বৈষম্য হিসেবে বিবেচিত হবে না।প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা চালু করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে পোশাক, স্কুলব্যাগ ও জুতা দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে। শিশুরা বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পেলে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়বে। এতে বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার কমানো সম্ভব হবে।দুঃখজনকভাবে, অনেক শ্রমজীবী, দলিত ও বঞ্চিত পরিবারের মা-বাবা অর্থনৈতিক সংকটের কারণে সন্তানদের বিদ্যালয়ে না পাঠিয়ে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত করেন। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে তাঁদের সচেতন করতে হবে। পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোকে খাদ্যসহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনা যেতে পারে, যাতে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর কারণে পরিবারের জীবিকা নির্বাহে বাড়তি সংকট তৈরি না হয়। এ ধরনের সহায়তা শিশুদের শ্রমে নিয়োজিত করার প্রবণতা কমাতে এবং তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখতে পারে।শরীর ও মন একে অপরের পরিপূরক। শরীর সুস্থ না থাকলে মনও ভালো থাকে না; অসুস্থ শরীর নিয়ে কোনো কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন। শিক্ষার্থীদের জীবনে শুধু সম্পদ বা শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেই সুখী হওয়া যায় না। সুস্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য নিয়মিত খেলাধুলা ও ব্যায়ামের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকা জরুরি। আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর জন্যও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে কারাতে প্রশিক্ষণ উল্লেখযোগ্য। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের প্রশিক্ষণ চালু করা হলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস ও আত্মরক্ষার দক্ষতা বাড়তে পারে।আরেকটি উদ্বেগজনক বিষয় হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দলিত ও বঞ্চিত পরিবারের শিশুদের দিয়ে টয়লেট, বাথরুম, নালা পরিষ্কার কিংবা ঝাড়ু দেওয়ার মতো কাজ করানো হয়। এ ধরনের আচরণ শিশুদের মনে হীনম্মন্যতা তৈরি করতে পারে এবং পেশা সম্পর্কে বৈষম্যমূলক ধারণা জন্ম দিতে পারে। শিশুদের কোনো কাজকে ছোট করে দেখা শেখানো উচিত নয়; বরং সব পেশার প্রতি সম্মান, পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব এবং শ্রমের মর্যাদা শেখাতে হবে। একই সঙ্গে কোনো শিশুকে তার সামাজিক পরিচয়ের কারণে অপমানজনক বা বৈষম্যমূলক কাজে বাধ্য করা যাবে না। শিশুদের এমন পরিবেশে বড় করতে হবে, যেখানে তারা আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিজেদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে পারে।শিশুদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। তাদের ময়লা-আবর্জনা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে দূরে রাখা মা-বাবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। ইতিহাসে এমন অনেক মানুষের দৃষ্টান্ত রয়েছে, যাঁরা দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা জয় করে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে উঠেছিলেন এবং জীবনের একপর্যায়ে রুটির দোকানে কাজ করেছিলেন। ড. বি. আর. আম্বেদকর দলিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন এবং ভারতের সংবিধান প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আব্রাহাম লিংকন সাধারণ ও দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। জগজীবন রামও দলিত পরিবারে জন্ম নিয়ে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হন। এসব উদাহরণ দেখায়, প্রতিকূলতা থাকলেও সুযোগ ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে মানুষ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে।কোনো শিশু ভবিষ্যতে কী হবে, তা আগে থেকে বলা যায় না। তাই প্রত্যেক শিশুর যত্ন নিতে হবে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ দিয়ে তাকে যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা এমন এক শক্তি, যা ব্যবহার করে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। শিশুর সামাজিক পরিচয়, পারিবারিক আর্থিক অবস্থা কিংবা জন্মপরিস্থিতি যেন তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না দেয়। আসুন, প্রতিটি শিশুর পাশে দাঁড়াই, তার অধিকার নিশ্চিত করি এবং তার মেধা ও সম্ভাবনার বিকাশে সহায়তা করি। তাহলেই সমাজে ফুটবে শত ফুল।[লেখক: আইনজীবী, জজ কোর্ট, জয়পুরহাট]
হালকা রঙে পূর্ণ হোক দশমী
ঢাকায় বসে ঠিক বোঝার উপায় নেই যে হেমন্ত চলে এসেছে। খানিক গরম কমেছে বটে, বাতাসেও কিছুটা হিমের পরশ লেগেছে, ভোরে হিমানীরও দেখা পাওয়া যায়। এতেই বুঝে নিতে হচ্ছে, গরমের দিন শেষ হলো বলে! আর রং? হ্যাঁ, এখানেই প্রকৃতি এখন একেবারে অন্য রকম।
দুপুর ২টায় প্রেসক্লাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ ঘোষণা দেবেন তিনি।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.