আজ দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব: ইশরাক হোসেন
Sports

আজ দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব: ইশরাক হোসেন

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। সোমবার সকালে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। ইশরাক বলেন, ‘আজ (সোমবার) দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব।’ওই পোস্টে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আজ দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হব, ইনশাআল্লাহ। ফেসবুকে কিছু সুশীল মানুষকে উল্লাসসূচক লেখালেখি করতে দেখলাম। আশা করি, ভবিষ্যতে কখনো আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজন হলে তারা জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিদেশ থেকে দেশে এসে সেই আন্দোলনে যোগ দেবেন।’তিনি আরও বলেন, ‘এবার সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন বিএ

Manab Zamin • 5 Days, Oct 19, 2026 8:56 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

ইশরাকের বিষয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক ও অন্য চাকরিজীবীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে এখনো আইনগত কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে বিকল্প কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি। আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধান না আসা পর্যন্ত তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

Sangram • 5 Days, Oct 19, 2026 8:56 AM
0
• 0 min read
Bangla

সাভারে অটোরিকশা ছিনতাই করতে চালককে হত্যার চেষ্টা, আটক ৩

ঢাকার সাভারে অটোরিকশা ছিনতাই করতে নুরুজ্জামান নামে এক চালককে গলায় রশি প্যাঁচিয়ে হত্যার চেষ্টার সময় তিন অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ।

NayaDiganta • 5 Days, Oct 19, 2026 8:56 AM
0
• 0 min read
Bangla

খাদ্যনিরাপত্তায় উৎপাদনের পাশাপাশি চাই পুষ্টি ও সুরক্ষা

খাদ্য মানুষের বেঁচে থাকার অপরিহার্য শর্ত, মৌলিক অধিকার এবং সুস্থ, মর্যাদাপূর্ণ ও কর্মক্ষম জীবনের অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু খাদ্যনিরাপত্তা বলতে কেবল মানুষের পেট ভরানোর মতো খাবারের জোগান নিশ্চিত করাকে বোঝায় না। খাদ্য হতে হবে পর্যাপ্ত, সহজলভ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পুষ্টিকর। সেই সঙ্গে খাদ্যপ্রাপ্তির সুযোগ এমন হতে হবে, যাতে আয়, শ্রেণি, লিঙ্গ, অঞ্চল কিংবা সামাজিক অবস্থানের কারণে কেউ পুষ্টিকর খাবার থেকে বঞ্চিত না হন। অতএব, খাদ্যনিরাপত্তা একই সঙ্গে কৃষি, অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ, মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্ন।

Sangbad • 5 Days, Oct 19, 2026 8:56 AM
0
• 0 min read
Bangla

যত্নে থাকুক কাঁসা পিতলের বাসন

পূজায় অতিথি আপ্যায়নে কাঁসা ও পিতলের বাসনের জুড়ি নেই। এসব থালা, বাটি, প্রদীপ কিংবা ধূপদানির উজ্জ্বল উপস্থিতি উৎসবের আবহে আনে আভিজাত্যের ছোঁয়া। তবে ব্যবহার এবং উৎসবের আমেজ শেষ হওয়ার পর এগুলো দীর্ঘদিন আলমারি বা ট্রাঙ্কে ফেলে রাখলে বাতাস, আর্দ্রতা ও পূজার উপকরণের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় খুব সহজে কালচে...

AjkerPatrika • 5 Days, Oct 19, 2026 8:55 AM
0
• 0 min read
Bangla

প্রতিটি শিশুর বিকাশে চাই সমান সুযোগ

আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। কথাটি সমাজে বহুল প্রচলিত হলেও এর তাৎপর্য অপরিসীম। এ প্রসঙ্গে কবি গোলাম মোস্তফা বলেছেন, ‘ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে।’ অর্থাৎ, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই ভবিষ্যতের সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। তারাই একদিন পরিবার, সমাজ ও দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।তাই দেশ ও জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে শিশুদের জ্ঞান-বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যা পেলে প্রতিটি শিশুর মেধা ও সম্ভাবনার বিকাশ ঘটবে। সমাজে ফুটে উঠবে শত ফুল।শিশুরা জন্মগতভাবে কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভক্ত নয়। তারা নিজ নিজ পরিবার ও পরিবেশে বেড়ে ওঠে এবং পরিবার ও সমাজের কাছ থেকেই নানা মূল্যবোধ শেখে। শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য খেলাধুলার সুযোগ, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশের অনুকূল পরিবেশ এবং নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষা, খেলাধুলা, খেলার উপকরণ ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত কার্যক্রম যেন কোনো কারণে ব্যাহত না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের উদ্যোগও অব্যাহত রাখতে হবে।শিশুদের যথাযথ বিকাশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী ও মায়েদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এর বাইরে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাসহ এক লাখের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে লেখকের উল্লেখিত তথ্যে জানা যায়। এসব প্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তাদের সামাজিক দক্ষতা, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতার বিকাশ এবং সুস্থ জাতি গঠনে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া জরুরি।বিশেষ করে দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, অনগ্রসর ও প্রান্তিক পরিবারের সন্তানদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। এসব পরিবারের অনেক মা-বাবার পক্ষে সন্তানের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে তাদের সন্তানরা শিক্ষা, পুষ্টি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। অথচ বাংলাদেশের সংবিধানে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে; এ ধরনের ব্যবস্থা বৈষম্য হিসেবে বিবেচিত হবে না।প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা চালু করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে পোশাক, স্কুলব্যাগ ও জুতা দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে। শিশুরা বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পেলে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়বে। এতে বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার কমানো সম্ভব হবে।দুঃখজনকভাবে, অনেক শ্রমজীবী, দলিত ও বঞ্চিত পরিবারের মা-বাবা অর্থনৈতিক সংকটের কারণে সন্তানদের বিদ্যালয়ে না পাঠিয়ে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত করেন। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে তাঁদের সচেতন করতে হবে। পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোকে খাদ্যসহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনা যেতে পারে, যাতে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর কারণে পরিবারের জীবিকা নির্বাহে বাড়তি সংকট তৈরি না হয়। এ ধরনের সহায়তা শিশুদের শ্রমে নিয়োজিত করার প্রবণতা কমাতে এবং তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখতে পারে।শরীর ও মন একে অপরের পরিপূরক। শরীর সুস্থ না থাকলে মনও ভালো থাকে না; অসুস্থ শরীর নিয়ে কোনো কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন। শিক্ষার্থীদের জীবনে শুধু সম্পদ বা শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেই সুখী হওয়া যায় না। সুস্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য নিয়মিত খেলাধুলা ও ব্যায়ামের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকা জরুরি। আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর জন্যও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে কারাতে প্রশিক্ষণ উল্লেখযোগ্য। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের প্রশিক্ষণ চালু করা হলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস ও আত্মরক্ষার দক্ষতা বাড়তে পারে।আরেকটি উদ্বেগজনক বিষয় হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দলিত ও বঞ্চিত পরিবারের শিশুদের দিয়ে টয়লেট, বাথরুম, নালা পরিষ্কার কিংবা ঝাড়ু দেওয়ার মতো কাজ করানো হয়। এ ধরনের আচরণ শিশুদের মনে হীনম্মন্যতা তৈরি করতে পারে এবং পেশা সম্পর্কে বৈষম্যমূলক ধারণা জন্ম দিতে পারে। শিশুদের কোনো কাজকে ছোট করে দেখা শেখানো উচিত নয়; বরং সব পেশার প্রতি সম্মান, পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব এবং শ্রমের মর্যাদা শেখাতে হবে। একই সঙ্গে কোনো শিশুকে তার সামাজিক পরিচয়ের কারণে অপমানজনক বা বৈষম্যমূলক কাজে বাধ্য করা যাবে না। শিশুদের এমন পরিবেশে বড় করতে হবে, যেখানে তারা আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিজেদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে পারে।শিশুদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। তাদের ময়লা-আবর্জনা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে দূরে রাখা মা-বাবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। ইতিহাসে এমন অনেক মানুষের দৃষ্টান্ত রয়েছে, যাঁরা দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা জয় করে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে উঠেছিলেন এবং জীবনের একপর্যায়ে রুটির দোকানে কাজ করেছিলেন। ড. বি. আর. আম্বেদকর দলিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন এবং ভারতের সংবিধান প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আব্রাহাম লিংকন সাধারণ ও দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। জগজীবন রামও দলিত পরিবারে জন্ম নিয়ে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হন। এসব উদাহরণ দেখায়, প্রতিকূলতা থাকলেও সুযোগ ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে মানুষ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে।কোনো শিশু ভবিষ্যতে কী হবে, তা আগে থেকে বলা যায় না। তাই প্রত্যেক শিশুর যত্ন নিতে হবে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ দিয়ে তাকে যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা এমন এক শক্তি, যা ব্যবহার করে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। শিশুর সামাজিক পরিচয়, পারিবারিক আর্থিক অবস্থা কিংবা জন্মপরিস্থিতি যেন তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না দেয়। আসুন, প্রতিটি শিশুর পাশে দাঁড়াই, তার অধিকার নিশ্চিত করি এবং তার মেধা ও সম্ভাবনার বিকাশে সহায়তা করি। তাহলেই সমাজে ফুটবে শত ফুল।[লেখক: আইনজীবী, জজ কোর্ট, জয়পুরহাট]

Sangbad • 5 Days, Oct 19, 2026 8:55 AM
0
• 0 min read
Bangla

হালকা রঙে পূর্ণ হোক দশমী

ঢাকায় বসে ঠিক বোঝার উপায় নেই যে হেমন্ত চলে এসেছে। খানিক গরম কমেছে বটে, বাতাসেও কিছুটা হিমের পরশ লেগেছে, ভোরে হিমানীরও দেখা পাওয়া যায়। এতেই বুঝে নিতে হচ্ছে, গরমের দিন শেষ হলো বলে! আর রং? হ্যাঁ, এখানেই প্রকৃতি এখন একেবারে অন্য রকম।

AjkerPatrika • 5 Days, Oct 19, 2026 8:54 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

দুপুর ২টায় প্রেসক্লাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ ঘোষণা দেবেন তিনি।

Ittefaq • 5 Days, Oct 19, 2026 8:54 AM
0
• 6 min read
Technology

আজ মঙ্গলের উপগ্রহের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করল জাপানের মহাকাশযান

সৌরজগতের উৎপত্তি ও পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভবের রহস্য উন্মোচনের সম্ভাবনা নিয়ে মঙ্গলের একটি উপগ্রহ থেকে নমুনা সংগ্রহের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো অভিযানে নেমেছে জাপানের একটি মহাকাশযান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এটি মঙ্গলের উপগ্রহের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

NayaDiganta • 5 Days, Oct 19, 2026 8:54 AM
0
• 0 min read
Business

বাধ্যতামূলক এফওপিএল বাস্তবায়নের দাবিতে এক মাসের প্রচারাভিযানে নামছেন তরুণেরা

প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ক্ষতিকর চর্বি সম্পর্কে ভোক্তাদের সহজে বোঝার

GonoKantho • 5 Days, Oct 19, 2026 8:54 AM
0
• 0 min read
Sports

মাদুয়েকের একমাত্র গোলে আর্সেনালের কষ্টার্জিত জয়

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নটিংহ্যাম ফরেস্টের কঠিন প্রতিরোধ ভেঙে কষ্টার্জিত জয় তুলে নিয়েছে আর্সেনাল। রোববার রাতে প্রতিপক্ষের মাঠ

DainikBangla • 5 Days, Oct 19, 2026 8:54 AM
0
• 0 min read
Bangla

কুমারী পূজায় নারীশক্তি ও মাতৃমর্যাদার বন্দনা

দুর্গাপূজা বাঙালির অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। শরতের নির্মল আকাশ, সাদা কাশফুল, শিউলির সুবাস এবং ঢাকের বাদ্য—সব মিলিয়ে দুর্গাপূজা বাঙালির জীবনে অনন্য আনন্দের আবহ সৃষ্টি করে। এটি শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; বাঙালির ঐতিহ্য, শিল্প, সাহিত্য, সংগীত, সামাজিক বন্ধন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি সর্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসব।হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী দুর্গা অশুভ শক্তির প্রতীক মহিষাসুরকে পরাজিত করে শুভ ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন। তাই দুর্গাপূজা মূলত অশুভের ওপর শুভের, অন্যায়ের ওপর ন্যায়ের এবং অসত্যের ওপর সত্যের বিজয়ের প্রতীক। দেবী দুর্গার পাশাপাশি লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের পূজাও অনুষ্ঠিত হয়। এসব আরাধনার মধ্য দিয়ে শক্তি, জ্ঞান, সমৃদ্ধি, সাহস ও মঙ্গল কামনা করা হয়।বাংলায় দুর্গাপূজার ইতিহাস বহু পুরোনো। বিভিন্ন সময়ে জমিদার ও অভিজাত পরিবারে দুর্গাপূজার প্রচলন ছিল। পরবর্তী সময়ে বারোয়ারি ও সর্বজনীন পূজার প্রসার ঘটে। এর ফলে দুর্গাপূজা ব্যক্তিগত বা পারিবারিক উৎসবের গণ্ডি ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের উৎসবে পরিণত হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা পালন করেন।শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে দুলতে থাকা কাশফুল আর ভোরের বাতাসে শিউলির মিষ্টি গন্ধ—প্রকৃতি যখন এমন অপরূপ সাজে সেজে ওঠে, তখনই বাঙালির হৃদয়ে বেজে ওঠে ঢাকের বাদ্য। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ, মণ্ডপে মণ্ডপে জ্বলে ওঠে আলোর মালা। মা দুর্গার আগমনে প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে যেন নতুন আনন্দের সঞ্চার হয়। দুর্গাপূজা তাই কেবল ধর্মীয় আচার নয়; এটি বাঙালির চিরচেনা আবেগ, ঐতিহ্য ও শিল্প-সংস্কৃতির অপূর্ব প্রকাশ। দেবীর আগমন যেন অন্ধকারের মধ্যে আলোর বার্তা, অশুভের বিরুদ্ধে শুভশক্তির জয় এবং মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার।দুর্গাপূজা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি বাঙালির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনেরও গুরুত্বপূর্ণ মিলনোৎসব। এই উৎসব মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্য বাড়িয়ে তোলে। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষ একে অপরের আনন্দে অংশ নেয়, শুভেচ্ছা বিনিময় করে এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেয়। বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সামাজিক সম্প্রীতির এই চর্চা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।দুর্গাপূজার কয়েকটি দিন বাঙালির জীবনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়। এরপর ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও বিজয়া দশমীর বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পূজা সম্পন্ন হয়। অষ্টমীর অঞ্জলি, সন্ধিপূজা, নবমীর পূজা এবং দশমীর বিসর্জন দুর্গোৎসবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জনের আনন্দের পাশাপাশি বিদায়ের বেদনাও অনুভূত হয়। দেবীকে বিদায় জানিয়ে মানুষ আবার তাঁর আগমনের অপেক্ষায় থাকে।দুর্গাপূজার অন্যতম আকর্ষণ প্রতিমা ও পূজামণ্ডপ। শিল্পীরা মাটি, খড় ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে প্রতিমা নির্মাণ করেন। মণ্ডপসজ্জায় স্থাপত্য, চিত্রকলা, আলোকসজ্জা ও লোকশিল্পের নানা উপাদান ব্যবহৃত হয়। অনেক পূজামণ্ডপে স্থানীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য কিংবা সমকালীন বিভিন্ন বিষয় শিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। ফলে দুর্গাপূজা একদিকে ধর্মীয় উৎসব, অন্যদিকে শিল্প ও সৃজনশীলতারও বড় ক্ষেত্র।দুর্গাপূজাকে ঘিরে সামাজিক মিলনও বাঙালি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দেখা করা, নতুন পোশাক পরা, মণ্ডপে ঘুরতে যাওয়া এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করার মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষও পরস্পরের উৎসবে অংশ নেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বাংলাদেশের মতো বহুত্ববাদী সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির এই বন্ধন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।কুমারী পূজা: দুর্গাপূজার অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ আচার হলো কুমারী পূজা। হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাসে, কুমারী কন্যার মধ্যে দেবী দুর্গার মাতৃশক্তি ও পবিত্রতার প্রতীকী প্রকাশ দেখা হয়। সাধারণত অল্পবয়সী একটি কন্যাশিশুকে স্নান করিয়ে নতুন পোশাক ও অলংকারে সাজানো হয়। এরপর তাকে দেবীরূপে সম্মান জানিয়ে পূজা করা হয়। ফুল, চন্দন ও নৈবেদ্য নিবেদন করে তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয় এবং আশীর্বাদ কামনা করা হয়।কুমারী পূজার মূল তাৎপর্য নারীর প্রতি শ্রদ্ধা এবং মাতৃশক্তির মর্যাদা প্রতিষ্ঠা। একটি শিশুকন্যার মধ্যে দেবীত্বের প্রতীক কল্পনা করার মধ্য দিয়ে নারীশক্তির প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা তুলে ধরা হয়। দুর্গাপূজার বৃহত্তর চেতনার সঙ্গেও এই আচার গভীরভাবে যুক্ত। অশুভ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে শুভশক্তির জয় যেমন দুর্গাপূজার মূল শিক্ষা, তেমনি নারীশক্তির মর্যাদা স্বীকার করাও এর তাৎপর্যপূর্ণ দিক।কুমারী পূজায় একটি ছোট মেয়েকে দেবী দুর্গার প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়। তাকে নতুন পোশাক ও ফুল দিয়ে সাজিয়ে দেবীর আসনে বসানো হয়। এরপর ফুল, চন্দন ও নৈবেদ্য দিয়ে পূজা করা হয়। এই আচার স্মরণ করিয়ে দেয়, নারীকে শ্রদ্ধা ও মর্যাদা দেওয়া সমাজের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। নারী কেবল মমতা ও স্নেহের প্রতীক নন; তিনি শক্তি, সাহস ও সম্ভাবনারও প্রতীক। তাই কুমারী পূজার তাৎপর্য ধর্মীয় আচারের গণ্ডি ছাড়িয়ে নারীকে সম্মান করা এবং তাঁর মর্যাদা স্বীকার করার বৃহত্তর বার্তাও বহন করে।তবে কুমারী পূজার প্রতীকী তাৎপর্য তখনই আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন বাস্তব জীবনেও নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সম্মান নিশ্চিত করা যায়। কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমান অধিকার এবং বৈষম্যহীনভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। পূজার মঞ্চে কন্যাশিশুকে দেবীরূপে সম্মান জানানো আর দৈনন্দিন জীবনে নারীর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা—এই দুয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন। নারীর প্রতি সহিংসতা, বাল্যবিবাহ, বৈষম্য ও অবহেলা দূর করার মধ্য দিয়েই নারীশক্তির প্রতি শ্রদ্ধার চেতনা বাস্তবে প্রতিফলিত হতে পারে।দুর্গাপূজার সঙ্গে বাঙালির সাহিত্য ও সংগীতেরও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আগমনি ও বিজয়ার গান, কবিতা, নাটক এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দুর্গোৎসবের আবহকে আরও সমৃদ্ধ করে। পূজাকে কেন্দ্র করে বহু শিল্পী, কারিগর, ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক কর্মীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। ফলে ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি এই উৎসবের সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে।দুর্গাপূজার আনন্দ কয়েক দিনের হলেও এর আবেদন মানুষের মনে থেকে যায় দীর্ঘ সময়। বিজয়ার বিষণ্ন বিদায়ের মুহূর্তে যখন প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রা এগিয়ে যায়, তখন সবার কণ্ঠে ধ্বনিত হয়, ‘আবার এসো মা।’ এই বিদায়ের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে আগামী দিনের প্রত্যাশা। দুর্গাপূজা আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, অশুভকে পরাজিত করতে এবং সত্য, ন্যায়, মানবতা ও ভালোবাসাকে জীবনের পথনির্দেশক করতে শেখায়। তাই বাঙালির দুর্গাপূজা শুধু পূজা নয়; এটি প্রাণের উৎসব, যেখানে ধর্মের পাশাপাশি মিশে আছে সংস্কৃতি, সম্প্রীতি, সৌন্দর্য ও মানবতার চিরন্তন আহ্বান।মা দুর্গার আগমন আমাদের মনে শুভবোধের জাগরণ ঘটাক, আর তাঁর বিদায় রেখে যাক নতুন দিনের আশার আলো। অশুভ ও বিভেদ দূরে সরিয়ে মানবিকতা, সহনশীলতা ও ঐক্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রেরণা জোগাক এই উৎসব। দুর্গাপূজার প্রকৃত সৌন্দর্য শুধু প্রতিমা, আলোকসজ্জা কিংবা উৎসবের আনন্দে নয়; মানুষের সঙ্গে মানুষের হৃদয়ের বন্ধনেও। বিজয়ার বিদায়বেলায় আমাদের প্রত্যাশা হোক—ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ ও মানবিকতার বন্ধন সবার। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যই বাঙালির দুর্গাপূজাকে করে তুলুক আরও সুন্দর, অর্থবহ ও চিরন্তন।উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি আমাদের দায়িত্বের কথাও মনে রাখতে হবে। পূজামণ্ডপ ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যানজট কমাতে সহযোগিতা করা এবং প্রতিমা বিসর্জনের সময় পরিবেশের প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। উৎসব যেন সবার জন্য নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় হয়, সেটিই হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য।দুর্গাপূজা দেবী দুর্গার আরাধনার পাশাপাশি বাঙালির ঐতিহ্য, আবেগ, শিল্প, সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনের উজ্জ্বল প্রকাশ। আর কুমারী পূজা নারীশক্তি ও মাতৃমর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি তাৎপর্যপূর্ণ আচার। এই পূজার শিক্ষা আমাদের বাস্তব জীবনেও ধারণ করতে হবে—নারী ও কন্যাশিশুর অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। অশুভকে পরিহার করে সত্য, ন্যায়, ভালোবাসা ও মানবিকতার পথে এগিয়ে চলার মধ্য দিয়েই দুর্গাপূজার মূল চেতনা সার্থক হতে পারে। এই চেতনাই বাঙালির দুর্গাপূজাকে যুগ যুগ ধরে প্রাণবন্ত ও অর্থবহ করে রাখবে।[লেখক: ভিজিটিং প্রফেসর, ডেন্টাল সার্জারি বিভাগ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল]

Sangbad • 5 Days, Oct 19, 2026 8:53 AM
0
• 0 min read
Business

ভারতীয় গণতন্ত্রের হিসাব মেলানোর পালা

ভারতে এক বিশাল গণজাগরণ শুরু হয়েছে। দেশটির গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ এখন সংকটের মুখে। রাজধানী দিল্লিতে জুলাই মাস থেকে যে বিপুল আন্দোলন শুরু হয়েছে, তা মূলত ভারতীয় রাষ্ট্রযন্ত্রের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক বড় লড়াই। যে সংবিধানের ওপর ভিত্তি করে এই রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে আছে, রাষ্ট্রযন্ত্র কি আদৌ সেই সংবিধানের প্রত

AmarDesh • 5 Days, Oct 19, 2026 8:52 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজে শিক্ষার্থীদের সাথে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী

রংপুরের রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনে যাওয়ার পথে সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজে গাড়ি থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে সেলফি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

NayaDiganta • 5 Days, Oct 19, 2026 8:52 AM
0
• 0 min read
Bangla

পর্যটনকেন্দ্রে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করুন

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে একটি রিসোর্টে আগুন লেগে মারা গেছেন ১০ জন। কয়েকজন আগুনে দগ্ধ হয়েছেন। এই মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা নিহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানাই। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় দগ্ধ ছয়জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।এই অগ্নিকাণ্ড পর্যটনকেন্দ্রের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রিসোর্টের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। কাঠের তৈরি রিসোর্ট হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগুন ছড়িয়ে পড়ায় ওপরের কক্ষের অতিথিরা সিঁড়ি দিয়ে নামতে পারেননি। কয়েকজনকে জীবন বাঁচাতে বেলকনি থেকে লাফ দিতে হয়েছে। এ ঘটনা প্রমাণ করে, শুধু আরামদায়ক আবাসন তৈরি করলেই চলে না। অতিথিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।পর্যটন এলাকায় হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট গড়ে উঠছে। এসব প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে কাঠের তৈরি স্থাপনায় আগুনের ঝুঁকি বেশি। সেখানে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম, বিকল্প নির্গমনপথ, জরুরি সতর্কসংকেত ও প্রশিক্ষিত কর্মী থাকা দরকার। রান্নাঘর ও বৈদ্যুতিক সংযোগের নিরাপত্তাও নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে।দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে তদন্ত যেন শুধু প্রতিবেদন তৈরিতে সীমাবদ্ধ না থাকে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ, নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি এবং দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। সেখানে অগ্নিনিরাপত্তায় কোনো ঘাটতি থাকলে তার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।কক্সবাজার দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র। সেখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তাই শুধু দুর্ঘটনাকবলিত রিসোর্ট নয়, দেশের সব পর্যটনকেন্দ্রের আবাসিক স্থাপনায় অগ্নিনিরাপত্তা যাচাই করতে হবে। নিয়মিত পরিদর্শন করতে হবে। যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানে আইন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। মানুষের জীবন রক্ষায় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া চলবে না।

Sangbad • 5 Days, Oct 19, 2026 8:52 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কাজ করছে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

Bd-Pratidin • 5 Days, Oct 19, 2026 8:51 AM
0
• 0 min read
Business

লম্বা ছুটির আগে পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেনের উত্থান

ছুটির ঠিক আগের শেষ কার্যদিবসে এসে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জেই সূচক এবং লেনদেন উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা গেছে।

DainikBangla • 5 Days, Oct 19, 2026 8:51 AM
0
• 0 min read
World

ইউরোপীয় কূটনীতিকদের ওপর হামলা চালালো ইসরায়েল

গাজার পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান গ্রাম তাইবেহতে সফররত ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও পোল্যান্ডের ইউরোপীয় কূটনীতিকদের একটি দলের ওপর মুখোশধারী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা হামলা চালিয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। কূটনীতিকদের ওপর এই...

Ittefaq • 5 Days, Oct 19, 2026 8:51 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

দুপুর ২টায় প্রেসক্লাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ ঘোষণা দেবেন তিনি। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে...

Ittefaq • 5 Days, Oct 19, 2026 8:51 AM
0
• 0 min read
Bangla

চলনবিল রক্ষায় পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা জরুরি

একসময় বর্ষা পেরিয়েও চলনবিলের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানি থাকত। এখন আশ্বিন মাসেই অনেক জায়গা পানিশূন্য হয়ে পড়ে। কমে যাচ্ছে মাছ, বদলে যাচ্ছে প্রকৃতি। শুধু ভূ-উপরিস্থ পানি নয়, চলনবিলের ভূগর্ভস্থ পানির অবস্থাও উদ্বেগজনক। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিলের মাত্র ১ শতাংশ এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির সম্ভাবনা খুব বেশি। এই চিত্র ভবিষ্যতের পানিসংকটের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলনবিলের এই পরিবর্তনের পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। বৃষ্টিপাত কমেছে। পদ্মা ও যমুনার পানিপ্রবাহেও পরিবর্তন এসেছে। অন্যদিকে, বোরো ধান চাষে সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বেড়েছে। নাটোরে ২০১৯-২০ থেকে ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে সেচযন্ত্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ বাড়ছে। এ ছাড়া কাদামাটির স্তর বৃষ্টির পানি মাটির গভীরে প্রবেশে বাধা দেয়।এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে কৃষি ও পরিবেশ উভয় ক্ষেত্রেই সংকট বাড়তে পারে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেলে সেচের খরচ বাড়বে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে কৃষকের উৎপাদন ও আয়। শুকনো মৌসুমে জলাভূমি ও নদীতে পানি কমে গেলে মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর আবাসও সংকুচিত হবে। তাই চলনবিলের সংকটকে শুধু পানির অভাব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি জীববৈচিত্র‍্য ও মানুষের জীবিকার সঙ্গেও যুক্ত।এ অবস্থা মোকাবিলায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সেচে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নদী, খাল ও জলাধারের পানি ব্যবহারের সুযোগ বাড়াতে হবে। খাল ও জলপথের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে হবে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং জলাভূমি দখল ও ভরাট বন্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।চলনবিল শুধু কৃষির সম্পদ নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক জলাধার। এর পানি ও জীববৈচিত্র‍্য রক্ষা করা জরুরি। এখনই পরিকল্পিত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে সংকট আরও গভীর হতে পারে।

Sangbad • 5 Days, Oct 19, 2026 8:50 AM
0
• 0 min read
Mon ☀️ 31°
Tue ⛅ 30°
Wed 🌧️ 28°
Thu ⛅ 29°
Fri ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper