Bangla
নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে বড় হার আলপনাদের
একটি বারের জন্যও ভারতের সঙ্গে লড়াই করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। ম্যাচের পুরোটা সময়ই ছিল ভারতের মেয়েদের আধিপত্য
Bangla
একটি বারের জন্যও ভারতের সঙ্গে লড়াই করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। ম্যাচের পুরোটা সময়ই ছিল ভারতের মেয়েদের আধিপত্য
ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকার ধামরাইয়ে পূর্ববিরোধের জেরে আনোয়ার হোসেন নামে এক যুবককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা এবং তাঁর কাছ থেকে নগদ টাকা...
যশোরের শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়নের সাড়াতলা বাজারে প্রকাশ্যে পিস্তল প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে শরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায়...
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসন-২৩-এর উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু করেছে বিএনপি। বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এতে উপস্থিত রয়েছেন। রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎকার কার্যক্রম শুরু হয়...
ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে তরুণদের বড় বিক্ষোভ। যুদ্ধ-চালিত জ্বালানি সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, আবাসন ও শিক্ষাখাতে দীর্ঘদিনের অবহেলা আর ‘প্রজন্মগত সংঘাতে’ পুড়ছে ইউরোপ। ফ্রান্সের একটি স্কুল থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ মুহূর্তের মধ্যে স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি, বেলজিয়াম ও আলবেনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্রান্সে একদিনেই ৫ লাখের বেশি মানুষ রাস্তায় নেমেছে। যেখানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ১২০০-এর বেশি মানুষ আটক হয়েছে। যুদ্ধ ও জ্বালানির দামইউরোপের বর্তমান ক্ষোভের সবচেয়ে তাৎক্ষণিক ট্রিগার হলো জ্বালানির দাম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান আক্রমণের জেরে হরমুজ প্রণালীর তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে ইউরোপের ডিজেল বাজারে। ইতালিতে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ২.৩০ ইউরোর বেশি হয়ে যায়। রাশিয়ার জ্বালানি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর ইউরোপ ব্যয়বহুল মার্কিন এলএনজি কিনতে বাধ্য হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধ কেবল অজুহাত। সরকারগুলো প্রতিরক্ষা খাতে বিশাল ব্যয় বাড়িয়েছে, যার অর্থ আসছে কল্যাণমূলক খাত থেকে কেটে নিয়ে। ‘যুদ্ধরাষ্ট্রের’ জন্য টাকা জোগাড় করতে ‘কল্যাণরাষ্ট্র’ সংকুচিত হচ্ছে।জীবনযাত্রার ব্যয় ও আবাসন সংকটকরোনা-পরবর্তী মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি ব্যয়ের চাপে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি ৩.৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা তিন বছরের সর্বোচ্চ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ভয়াবহ আবাসন সংকট।স্পেনে ৮৭ বছর বয়সী এক নারীর বাড়িভাড়া ২৩০ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়ায় তাকে উচ্ছেদ করা হয়, যিনি পরে হাসপাতালে মারা যান। এই ঘটনা স্পেনজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের জন্ম দেয়। নির্বাচনের ডাক পর্যন্ত দিতে হয়। পর্তুগালে তরুণরা প্ল্যাকার্ড হাতে নেমেছেন। তাদের স্লোগান—‘৫০ বছরের আগে বাবা-মায়ের বাড়ি ছাড়তে চাই’।শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছেফ্রান্সে বিক্ষোভের সূচনা হয়েছিল শিক্ষক সংকট ও জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষের বিরুদ্ধে। শিক্ষকদের অনুপস্থিতি, অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা, ভাঙাচোরা বাথরুম এবং গরমে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ক্লাস করতে বাধ্য হওয়ার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা স্কুল অবরোধ শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ‘পারকোরসুপ’ প্ল্যাটফর্মের জটিলতাও তরুণদের ক্ষোভের অন্যতম কারণ।প্রবীণতন্ত্রবিক্ষোভের গভীরতম কারণটি হলো জনসংখ্যাগত পরিবর্তন। ইউরোপের জনসংখ্যা দ্রুত বার্ধক্যের দিকে যাচ্ছে, কিন্তু রাজনৈতিক ক্ষমতা ও সম্পদের বড় অংশ আটকে আছে প্রবীণদের হাতে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টিম ভ্লান্ডাস এটিকে বলেছেন ‘জেরোনটোনমিয়া’। একটি গণতান্ত্রিকভাবে টিকিয়ে রাখা অর্থনৈতিক স্থবিরতা, যেখানে প্রবীণদের পেনশন ও স্বাস্থ্যসেবা রক্ষা করতে গিয়ে তরুণদের শিক্ষা, আবাসন ও কর্মসংস্থানে বিনিয়োগ পিছিয়ে পড়ছে।ফ্রান্সে পেনশন খাতে সরকারি ব্যয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ চলে। অথচ তরুণদের বেকারত্বের হার ২০ শতাংশের কাছাকাছি। স্পেনে এই হার ২২ শতাংশের বেশি। তরুণরা মনে করছেন, যে সিস্টেমটি তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার কথা ছিল, সেটিই এখন তাদের পায়ে শিকল পড়ছে। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই বিক্ষোভ আসলে ‘একটি নির্দিষ্ট আকারে আটকে যাওয়া অর্থনৈতিক পাই’ নিয়ে প্রজন্মের লড়াই।মূলত, ইউরোপের তরুণরা কেবল জ্বালানির দাম বা একটি বাড়িভাড়ার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেনি। তারা একটি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নামছে। যেখানে তাদের শিক্ষা, আবাসন ও ভবিষ্যৎ সুযোগ সঙ্কুচিত করা হচ্ছে তাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের সুবিধা রক্ষার জন্য।
ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মারামারি ও হত্যাকাণ্ডসহ নানা অপরাধে কিশোরদের জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে দেশজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। গ্রেপ্তার সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম ওরফে সুমনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। ডিএনএ প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহগুলো কক্সবাজারেই রাখা হবে।
দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদ শূন্য হয়ে পড়েছে। শীর্ষ নির্বাহী না থাকায় ব্যাংকগুলোর নীতিনির্ধারণ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন এমডি নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর নেতৃত্ব সঙ্কটের পাশাপাশি আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।প্রথমে গত ২ সেপ্টেম্বর অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক ও বিডিবিএলের এমডিদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছিল। এরপর সর্বশেষ গত ১৯ অক্টোবর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে সরকার। ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত এই ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকেরই শীর্ষ নির্বাহীর পদ এখন শূন্য। ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার এসব ব্যাংকের এমডিদের নিয়োগ দিয়েছিল। বর্তমানে তাদের নিয়োগ বাতিল হলেও নতুন করে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি।আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে নেতৃত্বের শূন্যতা : রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর এমডি পদ শূন্য হওয়ার ঘটনা এমন সময়ে ঘটেছে, যখন এসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত নয়টি ব্যাংকের বিতরণ করা মোট ঋণের প্রায় ৪৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ খেলাপি। এসব ব্যাংকের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল তিন লাখ ৬৯ হাজার ৩০ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ এক লাখ ৬৯ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা। মূলধন ঘাটতি ও লোকসানও ব্যাংকগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।বিশেষ করে জনতা ব্যাংকের আর্থিক পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালে ব্যাংকটির নেট লোকসান বেড়ে তিন হাজার ৯৩১ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ৭৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য। গত জুন শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ দাঁড়ায় ৩২ হাজার ১৩৩ কোটি টাকায়, যা মোট ঋণের প্রায় ৪৪ শতাংশ। অন্য দিকে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রূপালী ব্যাংকের পরিচালন লোকসান হয়েছে ৬৪০ কোটি টাকা। বেসিক ব্যাংকও দীর্ঘদিন ধরে লোকসানের চাপ সামলাচ্ছে।এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহী পদে শূন্যতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ ঋণ আদায় জোরদার করা, খেলাপি ঋণ কমানো, অনিয়ম প্রতিরোধ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং আমানতকারীদের আস্থা ধরে রাখতে কার্যকর নেতৃত্ব জরুরি।দ্রুত নিয়োগের দাবি : ব্যাংকিং খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এমডির পদ শূন্য থাকলেই ব্যাংকের দৈনন্দিন সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় না। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে নিতে পারেন। তবে বড় ঋণসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, নীতিগত অনুমোদন, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি জটিলতা তৈরি করতে পারে। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়ার আশঙ্কা থাকে।বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু পদ পূরণ করলেই সঙ্কটের সমাধান হবে না; যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, সততা ও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার সক্ষমতার ভিত্তিতে এমডি নির্বাচন করতে হবে। বিশেষ করে যেসব ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতি বেশি, সেসব প্রতিষ্ঠানে আর্থিক পুনরুদ্ধার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা থাকা জরুরি। নতুন নীতিমালায় অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করার সুযোগ থাকলেও নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীগত প্রভাবের পরিবর্তে পেশাগত দক্ষতা ও ব্যাংক পুনর্গঠনের সক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো দেশের আমানত সংগ্রহ, সরকারি লেনদেন, ব্যবসা-বাণিজ্যে অর্থায়ন এবং অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে ঋণ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এসব ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্বে দীর্ঘস্থায়ী শূন্যতা শুধু প্রশাসনিক সমস্যা নয়, বৃহত্তর আর্থিক ব্যবস্থার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সবমিলিয়ে নতুন এমডি নিয়োগের ক্ষেত্রে অযথা বিলম্ব না করে যোগ্য ও দক্ষ ব্যাংকার নির্বাচন করা এখন জরুরি। একই সাথে খেলাপি ঋণ আদায়, অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ, মূলধন ঘাটতি কমানো এবং অভ্যন্তরীণ সুশাসন জোরদারে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেয়ার পর এসব ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করা গেলে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর প্রতি গ্রাহক ও আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে। নিয়োগে নতুন নীতিমালা : এ দিকে ছয় ব্যাংকের এমডি পদ শূন্য থাকার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন নিয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। ১৯ অক্টোবর জারি করা নীতিমালায় এমডি নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার শর্তে কিছুটা শিথিলতা আনা হয়েছে।নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের এমডি বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হতে হলে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সক্রিয় কর্মকর্তা হিসেবে অন্তত ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে আগে কোনো ব্যাংকের এমডি বা সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে, অথবা এমডি পদের অব্যবহিত আগের পদে অন্তত দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে বিশেষ পেশাগত যোগ্যতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা ও সুনাম থাকলে দুই বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে।এ ছাড়া প্রার্থীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণী গ্রহণযোগ্য হবে না। চাকরিজীবনে সততা, সুনাম ও সন্তোষজনক কর্মদক্ষতার রেকর্ডের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির নিরাপত্তা, সাইবার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং অর্থপাচার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকতে হবে।নীতিমালা অনুযায়ী, বাছাই কমিটির সুপারিশ, গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতিবেদন যাচাইয়ের পর প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মতি নিয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেবে। নিয়োগের মেয়াদ হবে তিন বছর। প্রয়োজনে পুনর্নিয়োগের সুযোগও রাখা হয়েছে।
দেশের সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তোলার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে সিলেট সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নেও একটি করে খেলার মাঠ প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানান তিনি।
প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী
সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দুর্গোৎসব উপলক্ষে চট্টগ্রামের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির একজন অভিবাসী শ্রমিক এবং অন্যজন ওমরাহ যাত্রী ছিলেন বলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী যে তথ্য দিয়েছেন, তা ভুল ছিল। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশিই প্রবাসী কর্মী ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে মন্ত্রণালয়।
সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির একজন অভিবাসী শ্রমিক এবং অন্যজন ওমরাহ যাত্রী ছিলেন বলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী যে তথ্য দিয়েছেন, তা ভুল ছিল। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশিই প্রবাসী কর্মী ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে মন্ত্রণালয়।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের বড়চালা আমির উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায়
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদে, মর্যাদার সঙ্গে ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে কাজ করছে যুক্তরাজ্য। মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলে রোহিঙ্গারা যেন নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেন, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে
ভারতের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই নিজের অবস্থান সুসংহত করতে লড়াই করছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তবে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন, শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়ম এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক অসন্তোষ তার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্
চট্টগ্রাম নগরীর লাভলেইন এলাকার বাসিন্দা মো. সফিউল আলম। দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় বসবাস করলেও ফুটপাতে স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটার সুযোগ খুব একটা পাননি তিনি। ফুটপাতজুড়ে টংদোকান ও ভ্রাম্যমাণ হকারদের দখল ছিল নিত্যদিনের দৃশ্য। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে বদলে...
সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায়...
মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল অটোরিকশাচালকের
Discussion
Please Sign In to join the discussion.