মালয়েশিয়ায় চীনকে টপকে বাংলাদেশী পোশাক জনপ্রিয় হচ্ছে
Bangla

মালয়েশিয়ায় চীনকে টপকে বাংলাদেশী পোশাক জনপ্রিয় হচ্ছে

আশরাফুল মামুন, মালয়েশিয়া মালয়েশিয়া বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম শ্রমবাজার এবং বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ গন্তব্য।পাশাপাশি দেশটির পোশাকখাতে বাংলাদেশী গার্মেন্টস পন্যের জনপ্রিয়তার নিরব বিপ্লব ঘঠিয়েছে চীনের তৈরী পোশাককে চ্যালেঞ্জ করে। মালয়েশিয়ার সর্ববৃহৎ পোশাক ও ফ্যাশন হোলসেল অ্যান্ড রিটেইলার মার্কেটকে ডব্লিউ সি শপিংমলে সরেজমিনে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এমনকি দামে কম মানে ভালো হওয়ায় খোদ চাইনিজ ব্যবসায়ীরা মালয়েশিয়ার জন্য বাংলাদেশী পোশাক কিনছেন। কুয়ালালামপুরের হাংতুয়ায় অবস্থিত ১৫ তলা শপিংমলটিতে সাড়ে চার শত আউটলেট রয়েছে যেখানে বেশির ভাগই বাংলাদেশী গার্মেন্টস পোশাক শোভা পাচ্ছে। তাছাড়াও বেশির ভাগ ব্যবসায়ী ও কর্মচারী বাংলাদেশী। কেডব্লিউসিতে ১০ বছর ধরে পোশাকের ব্যবসা করছেন পাবনার আতাইকুলার লিটন হোসেন। তিনি বলেন, এই কেডব্লিউসি মল থেকেই মালয়েশিয়ার ১৩টি রাজ্যে পোশাক পাইকারি মুল্যে সরবরাহ করা হয়। একটা সময় ছিল মালয়েশিয়ার পোশাকখাত ছিল চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ার তৈরী পোশাক পণ্যের দখলে। বাজারটির বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করতেন চীনে তৈরী পোশাক পণ্য দিয়ে তারপর বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা চীনের থেকে কমদামে মানসম্মত বাংলাদেশী পোশাক বাজারজাত করতে থাকেন। তখন চীনের থেকে তুলনামূলকভাবে দামে কম মানে ভালো বাংলাদেশী কাপড় মালয়েশিয়ানদের মধ্যে দ্রুততম সময়ে জনপ্রিয় হতে থাকে। এ বিষয়ে কেডব্লিউসি ফ্যাশন মলের বাংলাদেশী ব্যবসায়ী গাজীপুরের নারায়ন সাহা বলেন, চীনা পোশাকের দাম বেশি এবং টেকসইও বেশি, মালয়েশিয়ানরা কিছুদিন পোশাক ব্যবহার করে ফেলে দিয়ে আবার নতুন ডিজাইনের পোশাক ব্যবহার করতে পছন্দ করেন, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশী পোশাক সামগ্রিই এখন মালয়েশিয়ার জনপ্রিয়তার শীর্ষে। কুয়ালালামপুরে ১৯ বছর ধরে পোশাকের ব্যবসা করছেন টাঙ্গাইলের হাবিবুর রহমান জুয়েল। তিনি বলেন উভয় দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ে পৃষ্ঠপোষকতা ও শুল্ক সুবিধা পেলে ইউরোপের পর মালয়েশিয়া হবে বাংলাদেশের সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।

NayaDiganta • 7 Days, Oct 20, 2026 10:43 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

রংপুরের সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী উপলক্ষে রংপুরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকা থেকে একটি সামরিক বিমানে তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান দুর্যোগ...

Ittefaq • 7 Days, Oct 20, 2026 10:40 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

গোপালগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩০

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ফকিরকান্দি ও ঘোষেরচর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন

ShomoyerAlo • 7 Days, Oct 20, 2026 10:40 AM
0
• 0 min read
Sports

পূজামন্ডপ পরিদর্শনে একদিনে তিন বিভাগে সফর, রংপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

শারদীয়া দুর্গা উৎসবের মহানবমীতে পূজামন্ডপ পরিদর্শনে ঢাকা থেকে রংপুরের পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমান বন্দর থেকে একটি সামরিক বিমানে প্রধানমন্ত্রী রংপুর রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।...

DeshRupantor • 7 Days, Oct 20, 2026 10:40 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

আজ দিনভর যেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া

রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকতে পারে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী সময়ের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। একই সঙ্গে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৬৮ শতাংশ। এর আগে গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সূর্য অস্ত যাবে সন্ধ্যা ৫টা ২৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো ধরনের সতর্কতা বা সংকেত জারির প্রয়োজন নেই বলে আবহাওয়া দপ্তর নিশ্চিত করেছে।/

Sangbad • 7 Days, Oct 20, 2026 10:40 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

শাহজালাল বিমানবন্দরের স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা

DainikBangla • 7 Days, Oct 20, 2026 10:39 AM
0
• 0 min read
Bangla

হাম ও ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

সোমবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম ও ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

Sangram • 7 Days, Oct 20, 2026 10:39 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

কাউখালীতে শ্মশানঘাটের গাছ থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

পিরোজপুরের কাউখালীতে স্বপন দেবনাথ (৪৬) নামের এক টেইলার্স ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে...

Alokito Bangladesh • 7 Days, Oct 20, 2026 10:39 AM
0
• 0 min read
Bangla

আমাদের অনিরাপদ পানির গল্প

গাজীপুর, শ্রীপুর ও ভালুকার বিভিন্ন এলাকায় মাটির ৩০ থেকে ৪০ ফুট গভীরে পানি পাওয়া যায়। কিন্তু সেই পানি এখন আর আগের মতো পান করার উপযোগী থাকছে না। অনেক ক্ষেত্রে পানিতে দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও কোথাও পানির বিভিন্ন গুণগত মানদণ্ডও ঠিক থাকছে না। বিশেষ করে কারখানার আশপাশের পানিতে এ ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাহলে ভবিষ্যতে আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?দীর্ঘদিন ধরে পানি পরিশোধন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে গবেষণা করছি। বিভিন্ন দেশের মানুষ আমাদের কাছে আসেন। তাদের সঙ্গে পানি নিয়ে কথা হয়। তাদের পানিসংক্রান্ত অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির কথা জানতে চাই। তাদের কথা শুনি, ভাবি এবং বোঝার চেষ্টা করি। আমাদের দেশের সঙ্গে অন্যান্য দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় অনেক পার্থক্য রয়েছে। তবু তাদের অভিজ্ঞতা ও ধারণা থেকে শেখার চেষ্টা করি। যেসব দেশে পানির সংকট তীব্র, সেসব দেশের মানুষ পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। আমরাও এখন খুব একটা ভালো অবস্থায় নেই। ঢাকা শহরের পানির পরিস্থিতি নাজুক। ঢাকা ওয়াসাও নানা বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।আমরা বিভিন্ন জায়গায় শূন্য তরল বর্জ্য নির্গমন বা জেডএলডি নিয়ে কাজ করছি। এর অর্থ হলো, পানি পরিশোধন করে পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে তরল বর্জ্য নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনা। সেদিন মালয়েশিয়ার একজন বিশেষজ্ঞ এসেছিলেন। তার সঙ্গে অনেক কথা হলো। তিনি আমাদের বুড়িগঙ্গা নদীও দেখেছেন। আমাকে বললেন, ‘তোমাদের পানির প্রতি এমন অযত্ন দেখে আমি সত্যিই কষ্ট পেয়েছি।’এ প্রসঙ্গে তিনি একটি গল্প শোনালেন। একবার দক্ষিণ আফ্রিকার একটি শুষ্ক অঞ্চলে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে একটি শিশু অসুস্থ ছিল। জ্বরের কারণে তীব্র পিপাসায় শিশুটি মায়ের কাছে পানি খাওয়ার জন্য বারবার কাকুতি-মিনতি করছিল। কিন্তু মা কোথাও পানি পাচ্ছিলেন না। তাদের দেশে একধরনের ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয়, যা পুকুর বা জলাশয়ের পানিতে দিলে দ্রুত ময়লা নিচে জমে যায় এবং পানি কিছুটা পরিষ্কার হয়। তিনি ঘর থেকে সেই ট্যাবলেট নিয়ে এলেন।একটি অপরিষ্কার পুকুরে ট্যাবলেটটি প্রয়োগ করলেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যে ময়লাগুলো নিচে জমে গেল। ওপরের পানি কিছুটা স্বচ্ছ হয়ে উঠল। আমি সেই দৃশ্য দেখছিলাম।কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা একটি পেয়ালায় পানি তুলে তাকে খাওয়ানোর চেষ্টা করলেন। তীব্র পিপাসায় শিশুটি পানি খেতে মুখ বাড়িয়েও শেষ মুহূর্তে মুখ ফিরিয়ে নিল। আমি বুঝতে পারলাম, পানির স্বাদ খুব খারাপ। দেখতে পরিষ্কার মনে হলেও পানি ছিল অনেকটা আঠালো ও ঘন। মা অন্য জায়গা থেকে আবার পানি তুলে শিশুটিকে দেওয়ার চেষ্টা করলেন। কিন্তু শিশুটি সেই পানিও খেল না। নিজের আঞ্চলিক ভাষায় বারবার পানি চেয়ে যেতে লাগল।সন্তানকে পানি খাওয়াতে না পেরে মা কাঁদতে শুরু করলেন। দৃশ্যটি দেখে আমার চোখ দিয়েও পানি গড়িয়ে পড়ছিল। ইচ্ছে হচ্ছিল হাউমাউ করে কাঁদি। শেষ পর্যন্ত কাঁদতে কাঁদতে নিজের ব্যাগে থাকা সামান্য পানি শিশুটিকে দিলাম।সেই মুহূর্তের আনন্দ ছিল পৃথিবীর সেরা আনন্দগুলোর একটি। পানির জন্য মানুষ কতটা কষ্টে আছে, সাঈদ, তুমি বিশ্বাসও করতে পারবে না—বিশেষজ্ঞ আমাকে এ কথাই বলেছিলেন।কথা বলতে বলতে তিনি আবারও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন। তার চোখে জল এসে গেল। আমি তার অনুভূতি বুঝতে পারছিলাম।শেষে তিনি বললেন, ‘তোমাদের নতুন প্রজন্মকে পানি নিয়ে কথা বলতে শেখাও। পানি রক্ষা করতেই হবে। পানি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তোমাদের নদীগুলোর যত্ন নাও।’এমন আবেগঘন গল্প শুনে আমি খুব অবাক হয়েছিলাম। অথচ আমাদের দেশের পাহাড়ি অঞ্চলেও পানির সংকট ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। অনেক জায়গায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। পানির সন্ধানে আমরা মাটির আরও গভীরে যাচ্ছি। একসময় হয়তো মাটির এত গভীরে যেতে হবে যে লাভা উঠে আসবে, তবু পানি মিলবে না। অথচ এসব দেখেও আমরা যেন অবাক হচ্ছি না, উদ্বিগ্নও হচ্ছি না।যা-ই হোক, সীমিত সামর্থ্য নিয়েও আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে গবেষণা, পানি পরিশোধন এবং পুনর্ব্যবহারের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। নদী, খাল, পুকুর ও ভূগর্ভস্থ পানির উৎসগুলো রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে পানির গুরুত্ব বোঝাতে হবে। নিরাপদ পানি শুধু আমাদের প্রয়োজন নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকারও। পৃথিবীতে নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতেই হবে।[লেখক: রসায়নবিদ]

Sangbad • 7 Days, Oct 20, 2026 10:39 AM
0
• 0 min read
World

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নারী ও শিশুসহ নিহত ৭

ফিলিস্তিনি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ইসরাইলি হামলায় নারী ও শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছেন।

NayaDiganta • 7 Days, Oct 20, 2026 10:38 AM
0
• 0 min read
Bangla

কুড়িগ্রামের উলিপুরে নাতির হাতে দাদা খুন! ঘাতক পলাতক

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দাদা বাচ্চু মিয়াকে (৭০) হত্যার পর পালিয়েছে নাতি রাব্বি (২২); এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে এবং হত্যার কারণ জানা যায়নি।

Sangram • 7 Days, Oct 20, 2026 10:38 AM
0
• 0 min read
Bangla

ডার্ক ম্যাটারের সন্ধানে ন্যান্সি রোমান টেলিস্কোপ

রাতের আকাশে খালি চোখে দেখা তারকা কিংবা দূরবীক্ষণ যন্ত্রে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য নক্ষত্ররাজি—সব মিলিয়ে মহাবিশ্বের দৃশ্যমান পদার্থের পরিমাণ মাত্র ৫ শতাংশ। বাকি ২৭ শতাংশ ডার্ক ম্যাটার বা অন্ধকার পদার্থ এবং ৬৮ শতাংশ ডার্ক এনার্জি বা অন্ধকার শক্তি।১৯২৯ সালে এডউইন হাবল পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দেখান, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। বিষয়টি বোঝার জন্য একটি রাবারের ফিতার ওপর কয়েকটি পিঁপড়া বসিয়ে ফিতাটি টানার কথা কল্পনা করা যেতে পারে। পিঁপড়াগুলো নিজ নিজ অবস্থানে থাকলেও ফিতাটি যত প্রসারিত হবে, তারা পরস্পর থেকে তত দূরে সরে যাবে। তবে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের বিষয়টি এর চেয়ে অনেক জটিল। গ্যালাক্সিগুলো শুধু নিজ নিজ অবস্থানে স্থির নয়, তাদের মধ্যে মহাকর্ষীয় আকর্ষণও কাজ করে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ, গ্যালাক্সির গতি এবং ডার্ক ম্যাটারের ভূমিকা বুঝতে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।১৯৫৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর হাবলের মৃত্যুর পরও মহাবিশ্বের প্রকৃতি নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর অজানাই থেকে যায়। ডার্ক ম্যাটার কী দিয়ে গঠিত? ডার্ক এনার্জির প্রকৃতি কী? মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের ভবিষ্যৎই বা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আরও উন্নত মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে ন্যান্সি গ্রেস রোমানসহ অনেক বিজ্ঞানী ও মহাকাশ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা উন্নত টেলিস্কোপ নির্মাণের পক্ষে কাজ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ন্যান্সি গ্রেস রোমান এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। মহাকাশ গবেষণায় তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পরবর্তী সময়ে তাঁর নামেই একটি স্পেস টেলিস্কোপের নামকরণ করা হয়।ন্যান্সি গ্রেস রোমান ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নাসার জ্যোতির্বিজ্ঞান কর্মসূচির প্রথম প্রধানদের একজন এবং সংস্থাটির প্রথম নারী নির্বাহীদের অন্যতম ছিলেন। মহাকাশে দূরবীক্ষণ যন্ত্র স্থাপনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। হাবল স্পেস টেলিস্কোপের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে উন্নত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেই তাঁর কাজের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল।জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ও ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপের কাজের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে সূর্য-পৃথিবী ব্যবস্থার দ্বিতীয় ল্যাগ্রাঞ্জ বিন্দুতে অবস্থান করে। এর প্রধান লক্ষ্য মহাবিশ্বের প্রাচীনতম গ্যালাক্সি ও নক্ষত্রের সন্ধান করা এবং মহাবিশ্বের প্রাথমিক পর্যায়ের বিবর্তন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা। অন্যদিকে, ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপের পরিকল্পনায় রয়েছে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ, ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটার এবং সৌরজগতের বাইরের গ্রহ নিয়ে বিস্তৃত গবেষণা। এটি আকাশের বড় অংশ দ্রুত পর্যবেক্ষণ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে বিপুলসংখ্যক গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্লানেট সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।ডার্ক ম্যাটার সরাসরি আলো নির্গত বা প্রতিফলিত করে না বলে সাধারণ টেলিস্কোপে তা দেখা যায় না। তবে এর মহাকর্ষীয় প্রভাব থেকে এর উপস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অন্যদিকে, ডার্ক এনার্জি মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত হওয়ার পেছনে দায়ী বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। রোমান টেলিস্কোপের পর্যবেক্ষণ এসব রহস্য সম্পর্কে আরও নির্ভরযোগ্য ধারণা দিতে পারে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ভবিষ্যতে কীভাবে চলবে, তা বোঝার ক্ষেত্রেও এর গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ হবে। তবে মহাবিশ্ব একসময় সংকুচিত হয়ে আবার একটি বিন্দুতে ফিরে যাবে কি না, তা এখনো অমীমাংসিত প্রশ্ন। ডার্ক এনার্জির প্রকৃতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া গেলে মহাবিশ্বের সুদূর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা স্পষ্ট হতে পারে।রোমান টেলিস্কোপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো এক্সোপ্লানেট বা সৌরজগতের বাইরের গ্রহ অনুসন্ধান। আমাদের সৌরজগতের বাইরে ইতিমধ্যে হাজার হাজার গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলোর কোনো কোনোটি আকার বা পরিবেশের দিক থেকে পৃথিবীর সঙ্গে তুলনীয়। তবে কোনো গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। রোমান টেলিস্কোপ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে বিপুলসংখ্যক গ্রহ শনাক্ত করতে সহায়তা করবে। এর পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গ্রহের গঠন, বৈশিষ্ট্য এবং সৌরজগতের বাইরে প্রাণের উপযোগী পরিবেশের সম্ভাবনা সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে।মহাবিশ্ব কি শুধু পৃথিবীর প্রাণের জন্যই সৃষ্টি হয়েছে, নাকি অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে—এ প্রশ্ন মানুষের কৌতূহলকে যুগ যুগ ধরে তাড়িত করেছে। মহাবিশ্বের বিশালত্ব বিবেচনায় অন্য কোথাও প্রাণ থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে সম্ভাবনা আর প্রমাণ এক বিষয় নয়। দূরবর্তী কোনো গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পেতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। রোমান টেলিস্কোপের মতো উন্নত প্রযুক্তি সেই অনুসন্ধানকে এগিয়ে নিতে পারে। হয়তো ভবিষ্যতে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর মতো কোনো গ্রহের সন্ধান পাবেন। সেখানে পৌঁছানো মানুষের পক্ষে সম্ভব না হলেও দূর থেকে তার পরিবেশ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হতে পারে। মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচনে এই অনুসন্ধান তাই বিজ্ঞানকে নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।[লেখক: প্রাবন্ধিক]

Sangbad • 7 Days, Oct 20, 2026 10:38 AM
0
• 0 min read
Bangla

জ্বালানি সহযোগিতা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-আলজিয়ার আলোচনা

বাংলাদেশ ও আলজেরিয়া জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেছে।

NayaDiganta • 7 Days, Oct 20, 2026 10:37 AM
0
• 0 min read
Bangla

বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আজ

বিশ্বব্যাপী সঠিক তথ্য-উপাত্তের গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যানের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সামনে রেখে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস। আজ মঙ্গলবার বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো এবং আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান সংস্থাগুলোর উদ্যোগে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। একই সঙ্গে

AmarDesh • 7 Days, Oct 20, 2026 10:37 AM
0
• 0 min read
Bangla

সাইবার সুরক্ষার নামে মতপ্রকাশে বাধা নয়

সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর আইনের প্রয়োজন আছে। তবে সেই আইন যেন মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে বাধা না হয় সেটা নিশ্চিত করা দরকার। প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন নিয়ে অংশীজনদের উদ্বেগ তাই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার।

Sangbad • 7 Days, Oct 20, 2026 10:37 AM
0
• 0 min read
Bangla

ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ করুন

কৃষক আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্র বাংলার ইতিহাসে স্মরণীয় এক নাম। ঝিনাইদহের শৈলকুপার বাগুটিয়া গ্রামে অবস্থিত তার পৈতৃক বাড়িটি ধ্বংসের পথে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।ইলা মিত্রের দাদা রাজমোহন সেন ১৮৯৯ সালে বাড়িটি নির্মাণ করেন। দেশভাগের পর তার পূর্বপুরুষেরা কলকাতায় চলে গেলে বাড়িটি বেদখল হয়ে যায়। বর্তমানে সেখানে কয়েকটি পরিবার বসবাস করছে। একসময় বাড়িটিকে প্রত্নসম্পদ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে এ বিষয়ে সরকারি গেজেটও প্রকাশিত হয়। এরপর প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়নি।বাড়িটির ছাদের অনেকাংশ ভেঙে গেছে। দেয়ালে ফাটল ধরেছে। দ্রুত সংস্কার না করলে ভবনটির ক্ষতি আরও বাড়বে। তখন ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্মৃতিচিহ্ন হারিয়ে যাবে।শুধু গেজেট প্রকাশ করলেই ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষিত হয় না। ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজন কার্যকর উদ্যোগ। এজন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া দরকার। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ দরকার। বাড়িটিতে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন।প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের পরিকল্পনা ও বরাদ্দের তালিকায় বাড়িটি রাখা হয়েছে। এই উদ্যোগ যেন কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে। নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়ে সংরক্ষণকাজ শুরু করতে হবে।ইলা মিত্রের স্মৃতি রক্ষা করা মানে শুধু একটি পুরোনো বাড়ি রক্ষা করা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কৃষকের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং আমাদের ইতিহাস। বিলম্ব না করে বাড়িটি সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

Sangbad • 7 Days, Oct 20, 2026 10:36 AM
0
• 0 min read
Bangla

প্রজাপতি পা দিয়ে স্বাদ নেয়

আমাদের এই পৃথিবীতে যেসব প্রাণী রয়েছে, প্রজাপতি সেসবের মধ্যে অন্যতম মনোমুগ্ধকর প্রাণী। প্রত্যেকটি প্রজাপতির রঙিন ডানা, সেই ডানা মেলে ফুলে ফুলে উড়ে বেড়ানো আকৃষ্ট করে সবাইকে। মা প্রজাপতি একগুচ্ছ ডিম পাড়ে আর সেসব ডিম থেকে শুঁয়োপোকা, তারপর পিউপা হয়ে প্রজাপতি প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাপতিতে পরিণত হয়।

AmarDesh • 7 Days, Oct 20, 2026 10:34 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

পশু চিকিৎসকের হাতে প্রসূতির চিকিৎসা, ধরা পড়ে সাজা

পশু চিকিৎসার কাজ করেন আসলাম। কিন্তু তিনি হাত বাড়ালেন মানুষের চিকিৎসায়, সেটাও আবার জটিল এক প্রসূতি সেবায়! স্বাভাবিক প্রসবের আশ্বাস দিয়ে গর্ভবতীকে ইনজেকশন দিলেন, কাটাছেঁড়া করে মৃত সন্তান প্রসবের পর রক্তক্ষরণ সামলাতে ডেকে আনলেন আরেক পল্লী চিকিৎসক রোথীকে। এরপর অসাবধানতাবশত ক্ষতের ভেতরের অংশেই গজ রেখে সেলাই করে দিলেন তারা।অবস্থার অবনতি হলে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের এই প্রসূতিকে ফরিদপুরে নেওয়ার পর ধরা পড়ে জঘন্য এই চিকিৎসায় অবহেলার ঘটনা। এ নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়লে সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে দৌলতদিয়ায় ঝটিকা অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সেখানে ভুয়া চিকিৎসা চালানোর প্রমাণ পাওয়ায় আসলামকে ১৫ দিনের জেল এবং পল্লী চিকিৎসক রোথীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসির হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার প্রতিনিধি আবাসিক মেডিকেল অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এতে সহায়তা করেন।স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিন আগে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাদত মেম্বারপাড়ার চাঁন মিয়ার মেয়ে প্রসূতি চাঁদনীর চিকিৎসা করতে যান পশু চিকিৎসক আসলাম। স্বাভাবিক প্রসবের কথা বলে তিনি ইনজেকশন দেন এবং এক নারীকে দিয়ে কাটাছেঁড়া করিয়ে মৃত সন্তান প্রসব করান। এতে ব্যাপক রক্তক্ষরণ শুরু হলে পল্লী চিকিৎসক রোথীকে ডেকে আনা হয়। তিনি প্রসূতির ক্ষতের ভেতরেই তুলার গজ রেখে সেলাই করে দেন।বাড়িতে প্রসূতির তীব্র যন্ত্রণা ও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনেরা তাকে দ্রুত ফরিদপুরে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে প্রসূতির জরায়ুর ক্ষতস্থানে গজ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নিবন্ধন ছাড়া এমন বিপজ্জনক চিকিৎসাসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে আসলামকে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২৮(১) ধারা অনুযায়ী ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং রোথীকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

Sangbad • 7 Days, Oct 20, 2026 10:34 AM
0
• 0 min read
Bangla

চাকসু প্রকাশিত স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ ‘জুলাইগাথা’র মোড়ক উন্মোচন

NayaDiganta • 7 Days, Oct 20, 2026 10:32 AM
0
• 0 min read
Bangla

রিয়াদে সংগীতশিল্পী তাসলিমা মৌ এর মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠিত

মাহমুদ ইমতিয়াজ, সৌদি আরব প্রতিনিধিঃ

SorejominBarta • 7 Days, Oct 20, 2026 10:32 AM
0
• 0 min read
Thu ☀️ 31°
Fri ⛅ 30°
Sat 🌧️ 28°
Sun ⛅ 29°
Mon ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper