নির্ভয়ে ধর্ম পালন করবেন, রাষ্ট্র আপনাদের পাশে থাকবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
Bangladesh

নির্ভয়ে ধর্ম পালন করবেন, রাষ্ট্র আপনাদের পাশে থাকবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে বলেছেন, আপনারা নির্ভয়ে ধর্ম পালন করবেন, রাষ্ট্র আপনাদের পাশে থাকবে। আপনাদের পাশে থেকে সুরক্ষা দেয়া হবে। দিনাজপুরের বিরামপুরের ঐতিহ্যবাহী মৌপুকুর সার্বজনীন দূর্গা মন্দির পরিদর্শনকালে এসব কথা...

DeshRupantor • 8 Days, Oct 20, 2026 11:21 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

চাঁদপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুমোদনহীন ড্রেজার দিয়ে কৃষিজমি থেকে মাটি ও বালু উত্তোলনের দায়ে জমির মালিককে ১ লাখ টাকা এবং ড্রেজার মেশিনের মালিককে ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত পাইপও বিনষ্ট করা হয়।

AjkerPatrika • 8 Days, Oct 20, 2026 11:19 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

সুন্দরগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযান, অবৈধ জাল ধ্বংস

Ajkalerkhobor • 8 Days, Oct 20, 2026 11:19 PM
0
• 0 min read
Bangla

মানিকগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ২০ কেজি মা ইলিশ; এতিমখানায় বিতরণ

মোঃ দেলোয়ার হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ

SorejominBarta • 8 Days, Oct 20, 2026 11:19 PM
0
• 0 min read
Bangla

উপকূলে ডেঙ্গুর বিস্তার, প্রতিরোধে বিশেষ পরিকল্পনা নেই

সহযোগীদের খবরপ্রথম আলো‘উপকূলে ডেঙ্গুর বিস্তার, প্রতিরোধে বিশেষ পরিকল্পনা নেই’—এটি দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যাসংখ্যা ৫০। ১৮ অক্টোবর এখানে ডেঙ্গু রোগী ছিল ৩১ জন। চলতি বছর এ পর্যন্ত ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৫৩২। এ হাসপাতালে অতীতে আর কখনো এত ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়নি—এমনটা বলছিলেন মোংলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাহীন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা দিয়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বোঝা যাবে না। পরিস্থিতি এর চেয়েও মারাত্মক।মোংলার এ চিত্র আসলে দেশের পুরো উপকূলীয় এলাকার বাস্তবতা। ডেঙ্গু একসময় ছিল শুধু রাজধানী শহরের রোগ। এখন তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে এর বিস্তার বেশ

ManabZamin • 8 Days, Oct 20, 2026 11:19 PM
0
• 0 min read
Bangla

Image not found

ক্রিকেটজাতীয় ক্রিকেট লিগসিলেট–রংপুরসকাল ৯–৩০ মি., বিসিবি ইউটিউবময়মনসিংহ–ঢাকাসকাল ৯–৩০ মি., বিসিবি ইউটিউবখুলনা–চট্টগ্রামসকাল ৯–৩০ মি., বিসিবি ইউটিউবরাজশাহী–বরিশালসকাল ৯–৩০ মি., বিসিবি ইউটিউবত্রিদেশীয় সিরিজবাংলাদেশ–আফগানিস্তানবিকেল ৫–৩০ মি., টি স্পোর্টসগেবেখা টেস্ট: ৪র্থ দিনদক্ষিণ আফ্রিকা–অস্ট্রেলি

AmaderShomoy • 8 Days, Oct 20, 2026 11:19 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

রাজধানীতে এক দিনে বৃদ্ধ ও যুবকের লাশ উদ্ধার

রাজধানীর রামপুরা ব্রিজসংলগ্ন সুইসগেট থেকে আলম মুন্সি (৭৪) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের বারান্দা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার বয়স আনুমানিক ২৩ বছর। এই দুই ঘটনার মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

AmarDesh • 8 Days, Oct 20, 2026 11:18 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

কম্বোডিয়ায় আটক ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

কম্বোডিয়ার সাইবার প্রতারণাকেন্দ্র থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার পথে আটক হওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দরের প্রবাসীকল্যাণ ডেস্ক এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

Samakal • 8 Days, Oct 20, 2026 11:17 PM
0
• 0 min read
Bangla

শেরেবাংলা নগর ও হাজারীবাগ থানার অভিযানে গ্রেফতার ২৬

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর ও হাজারীবাগ থানা এলাকায় পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

NayaDiganta • 8 Days, Oct 20, 2026 11:16 PM
0
• 0 min read
Entertainment

আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর

Bd-Pratidin • 8 Days, Oct 20, 2026 11:12 PM
0
• 0 min read
Bangla

জামিনে বেরিয়ে নিউগিনি আবাসন প্রকল্পের মালিককে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

রাজধানীর নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে এবার প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়াকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিজের নিরাপত্তা চেয়ে গত শনিবার ক্যান্টনমেন্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি। নাজিম উদ্দিনের অভিযোগ, শনিবার (১৭ অক্টোবর)...

Ittefaq • 8 Days, Oct 20, 2026 11:11 PM
0
• 0 min read
World

ইরানে সরকার পতন হলে হিজবুল্লাহ থামবে এবং শান্তি আসবে: নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সরকারের পতন ঘটলে স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহরও পতন ঘটবে। এর মধ্য দিয়ে লেবাননের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

AjkerPatrika • 8 Days, Oct 20, 2026 11:11 PM
0
• 0 min read
Bangla

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার কি দিকনির্দেশনা হারিয়ে ফেলছে?

সেন্টার ফর ইনক্লুসিভ পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্সের (সিআইপিজি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের মতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হলো- সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে ক্ষমতাবান ব্যক্তি, সবার জন্য আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা। প্রভাবশালী কারো বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে বদলি, প্রত্যাহার বা ওএসডি করার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত জবাবদিহি। তবে অভিযোগ প্রমাণের আগে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করাও অনুচিত। সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত আইনের সমতা বাস্তবে কার্যকর করতে তদন্তকারী সংস্থা ও বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাবেক অধ্যাপকের মতে, সরকারের প্রতিশ্রুতির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ক্ষমতাবানদের ক্ষেত্রেও নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। দৈনিক নয়া দিগন্তের সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। নিচে তার সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত-প্রশ্ন : আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে কেন?অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনের শাসনের মূল কথা হলো- সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উচ্চপদস্থ আমলা কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা, সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। কিন্তু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর তাদের পদত্যাগ, বদলি, প্রত্যাহার কিংবা বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়া হলেও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারিক অগ্রগতি নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। প্রশাসনিক পদক্ষেপ যেন অপরাধের অভিযোগ নিষ্পত্তির বিকল্প হয়ে না ওঠে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। প্রশ্ন : সম্প্রতি অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের বাড়িতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ঘটনাটিকে কিভাবে দেখছেন? অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীর ভাটারা এলাকার পুলিশ হাউজিং আবাসিক এলাকায় তার মালিকানাধীন ও ভাড়া দেয়া একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ২৬ জন নারী ছিলেন। ওই বাড়ি থেকে মাদকদ্রব্য ও মাদক গ্রহণের সরঞ্জাম উদ্ধারের তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। বাড়িটিতে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চলার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি এসব আয়োজন থেকে অর্জিত অর্থের একটি অংশ বাড়ির মালিকের কাছে যেত বলেও অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। অন্য দিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, বাড়িটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভাড়া দেয়া হতো এবং ভাড়ার শর্তে বেআইনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছিল। ফলে এখানে অনুমান বা পদমর্যাদার ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। আবার তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও উপেক্ষা করা যাবে না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত প্রয়োজন। প্রশ্ন : বাড়ির মালিকানা থাকলেই কি সেখানে সংঘটিত অপরাধের দায় মালিকের ওপর বর্তায়?অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : না, শুধু মালিকানার কারণে কোনো বাড়িতে সংঘটিত অপরাধের দায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মালিকের ওপর বর্তায় না। তদন্তে দেখতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কথিত বেআইনি কার্যক্রম সম্পর্কে আগে থেকে জানতেন কি না, এতে তার কোনো অনুমোদন ছিল কি না, আর্থিকভাবে তিনি লাভবান হয়েছেন কি না কিংবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন কি না। বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। আর অভিযোগের ভিত্তি না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অযথা দোষারোপ করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অর্থ একই সাথে অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির ন্যায়সঙ্গত অধিকার রক্ষা করা। প্রশ্ন : ওই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ কি যথেষ্ট? অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : প্রশাসনিক পদক্ষেপ তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় হতে পারে। তবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও ফৌজদারি বিচার সম্পূর্ণ পৃথক বিষয়। কাউকে দায়িত্ব থেকে সরানো, বদলি করা কিংবা ওএসডি করা কোনো অপরাধের অভিযোগের আইনগত নিষ্পত্তি নয়। তদন্তে অপরাধের প্রাথমিক ভিত্তি পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। একই নীতি মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা এবং অন্য যেকোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পদত্যাগ বা পদচ্যুতি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক জবাবদিহির অংশ হতে পারে, কিন্তু তা অপরাধের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়ার ব্যবস্থা নয়। প্রশ্ন : তাহলে কি অভিযোগ উঠলেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে হবে? অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : একেবারেই তা নয়। অভিযোগ ওঠা আর অপরাধ প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। গ্রেফতারের ক্ষেত্রে আইনগত ভিত্তি, প্রয়োজনীয়তা ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। তদন্তের মাধ্যমে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অপরাধ নির্ধারিত হবে। এক দিকে অভিযোগের তদন্ত না করে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেয়া যাবে না, অন্য দিকে প্রমাণ ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবেও উপস্থাপন করা যাবে না। নিরপেক্ষ তদন্ত, যথাযথ আইনিপ্রক্রিয়া এবং আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই গ্রহণযোগ্য পথ। প্রশ্ন : বাংলাদেশের সংবিধান আইনের সমতার বিষয়ে কী বলে? অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। এটি শুধু একটি ঘোষণামাত্র নয়; রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি মৌলিক সাংবিধানিক অঙ্গীকার। একজন সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ উঠলে যে নীতিতে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়, একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তির ক্ষেত্রেও একই নীতি কার্যকর হতে হবে। আইনের প্রয়োগে রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক মর্যাদা কিংবা প্রশাসনিক ক্ষমতা কোনো বিশেষ সুবিধার ভিত্তি হতে পারে না। জর্জ অরওয়েলের অহরসধষ ঋধৎস উপন্যাসের সেই ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্য এখানে স্মরণ করা যায়- সবাই সমান, কিন্তু কেউ কেউ যেন অন্যদের চেয়ে বেশি সমান। আইনের অসম প্রয়োগের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হলে এই ব্যঙ্গই সমাজের বাস্তবতায় পরিণত হতে পারে। প্রশ্ন : জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা কতটা পূরণ হচ্ছে? অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহি, বৈষম্যহীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রত্যাশা আরো জোরালো হয়েছে। জনগণ শুধু উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কিংবা অবকাঠামোগত অগ্রগতি চায় না; তারা নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও আইনের সমান প্রয়োগও চায়। ক্ষমতা ব্যক্তিগত সুবিধা বা বিশেষ সুরক্ষার উৎস নয়; এটি জনসেবার দায়িত্ব। সরকার যদি দুর্নীতি, অপরাধ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলে, তাহলে তার বাস্তব প্রতিফলনও নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের সদস্য, জনপ্রতিনিধি কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সরকারের নিরপেক্ষতা আরো স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন। প্রশ্ন : আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তদন্তের ক্ষেত্রে কী ধরনের সতর্কতা প্রয়োজন? অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করে। ফলে এসব বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে তা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। তদন্তের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের সঙ্ঘাতের আশঙ্কা থাকলে যথাযথ স্বাধীনতা ও তদারকির ব্যবস্থা করতে হবে। তদন্তকারী যেন প্রভাবমুক্তভাবে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তির অধিকারও রক্ষা করতে হবে। অভিযোগ আড়াল করে কোনো বাহিনীর মর্যাদা রক্ষা করা যায় না; বরং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মান রক্ষা- এ তিনটির সমন্বয়েই জনগণের আস্থা বাড়তে পারে। প্রশ্ন : আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারকে এখন কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে? অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : কয়েকটি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া প্রয়োজন। প্রথমত, জনপ্রতিনিধি, মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও ফৌজদারি তদন্তের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বজায় রাখতে হবে। কাউকে পদ থেকে সরানো হয়েছে বলেই অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়েছে- এমন ধারণা তৈরি হতে দেয়া যাবে না। তৃতীয়ত, তদন্তে প্রভাব বিস্তার, প্রমাণ নষ্ট কিংবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করার আশঙ্কা থাকলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। চতুর্থত, তদন্তের গোপনীয়তা ও বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বার্থ অক্ষুণœ রেখে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগগুলোর তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। পঞ্চমত, রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক মর্যাদা কিংবা প্রশাসনিক ক্ষমতার ভিত্তিতে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেয়া যাবে না। একই সাথে পুলিশ প্রশাসন, তদন্তকারী সংস্থা, দুর্নীতি দমন প্রতিষ্ঠান ও বিচারব্যবস্থাকে কার্যকর, পেশাদার ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে। প্রশ্ন : সরকারের প্রতি আপনার মূল বার্তা কী? অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : সরকারকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান আরো স্পষ্ট করতে হবে। জনগণ এখন শুধু প্রতিশ্রুতি শুনতে চায় না; তারা তার বাস্তবায়ন দেখতে চায়। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাটি এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পদমর্যাদা বা প্রভাব যেন কোনো বাধা না হয়। একই সাথে তদন্তের আগে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার প্রবণতাও পরিহার করতে হবে। আইনের শাসনের প্রকৃত পরীক্ষা সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগে নয়; বরং ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও একই আইন নিরপেক্ষভাবে কার্যকর করার সক্ষমতায়। জনগণ এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, আবার কেউ আইনের ন্যায্য সুরক্ষা থেকেও বঞ্চিত নয়। সরকারের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো- ক্ষমতার সুরক্ষা নয়, আইনের সমতা; প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, কার্যকর জবাবদিহি এবং প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব ন্যায়বিচারকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

NayaDiganta • 8 Days, Oct 20, 2026 11:11 PM
0
• 0 min read
Sports

মানিকগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ২০ কেজি মা ইলিশ; এতিমখানায় বিতরণ

মোঃ দেলোয়ার হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ

SorejominBarta • 8 Days, Oct 20, 2026 11:08 PM
0
• 0 min read
Bangla

মাদারগঞ্জে দুর্গাপূজা ঘিরে জামালপুরের পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিনের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন

তৌহিদ হাসান জামালপুর জেলা প্রতিনিধি

SorejominBarta • 8 Days, Oct 20, 2026 11:08 PM
0
• 0 min read
Business

সড়কে আহতদের জরুরি মুহূর্তে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও বারবার অপরাধে দ্বিগুণ শাস্তির প্রস্তাব

Bd-Pratidin • 8 Days, Oct 20, 2026 11:07 PM
0
• 0 min read
World

হ্যারিকে নিয়ে কী ছিল ডায়ানার উদ্বেগ—প্রকাশ পেতে পারে নতুন প্রামাণ্যচিত্রে

বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়ামের ছায়ায় ঢাকা পড়ে যাবেন প্রিন্স হ্যারি—এমন আশঙ্কা ছিল মা প্রিন্সেস ডায়ানার। ১৯৯১ সালে গোপনে ধারণ করা ডায়ানার পাঁচ ঘণ্টার অডিও রেকর্ডিংয়ের অপ্রকাশিত অংশ নিয়ে নির্মিত নতুন তিন পর্বের প্রামাণ্যচিত্র ‘ডায়ানা আনহার্ড’-এ উঠে আসতে পারে দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর সেই উদ্বেগের কথা।

Ajkerpatrika • 8 Days, Oct 20, 2026 11:07 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কারও ভোটব্যাংক না হওয়ার স্পষ্ট বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কারও ভোটব্যাংক হিসেবে বিবেচনা করার পুরোনো রাজনৈতিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক জে এম সেন হল প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বর্ণাঢ্য উপস্থিতিতে দেওয়া বিশেষ বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।বক্তব্যের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন, সবার আগে আমাদের মূল পরিচয় আমরা বাংলাদেশি নাগরিক, আর এরপরই আসে যার যার ব্যক্তিগত ধর্মীয় পরিচয়।তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চেয়েছিলাম যেখানে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধারাও ঠিক এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে অসাম্প্রদায়িক ধর্মীয় সম্প্রীতি থাকবে অক্ষুণ্ণ। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো প্রকার বিভাজন আমরা চাই না এবং এই মূল পরিচয়টি সবাইকে গভীরভাবে অনুধাবন করতে হবে। ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানেও সব ধর্মের মানুষ বুক পেতে রক্ত দিয়েছেন। সেই অভ্যুত্থানের পর দেশে যে বৈষম্যহীন সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে সেই সংস্কৃতির অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ আহ্বান জানান, আপনারা যেন নিজেদের কখনো কারও ভোটব্যাংক না ভাবেন। এ দেশের স্বাধীনতা, সাংবিধানিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার অন্য যেকোনো সাধারণ নাগরিকের মতোই আপনাদেরও পূর্ণমাত্রায় রয়েছে। নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, উপাসনা ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি পালনে দেশে সবার সমান সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। দুর্গাপূজায় সরকারি বরাদ্দ, নজিরবিহীন নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পূজার ছুটি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এবার মণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ছুটির বিষয়ে অন্য ধর্মাবলম্বীদের অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকার আন্তরিক।একইসঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দখল হওয়া সম্পত্তি উদ্ধার এবং অতীতের নির্যাতনের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু বিচারে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। ঐতিহাসিক ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি উদ্ধারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এ বিষয়ে সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখার অনুরোধ করেন।পরিশেষে কোনো অশুভ পক্ষের হুমকি বা বিভাজনের ষড়যন্ত্র দেশের মানুষের ইস্পাতকঠিন ঐক্য নষ্ট করতে পারবে না উল্লেখ করে সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীসহ দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Sangbad • 8 Days, Oct 20, 2026 11:07 PM
0
• 0 min read
Bangla

মালয়েশিয়ায় চীনকে টপকে বাংলাদেশী গার্মেন্টস পোশাক যেভাবে জনপ্রিয়

মালয়েশিয়া বাংলাদেশী কর্মীদের জন্য দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম সেরা গন্তব্য। এর পাশাপাশি দেশটিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্যের এক নীরব বিপ্লব ঘটেছে, যা চিনের পোশাক বাজারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

NayaDiganta • 8 Days, Oct 20, 2026 11:06 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

২.ডিআইজির বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারে বোঝা যায় আইনশৃঙ্খলার কতটা অবনতি: জামায়াত আমির

ডিআইজির বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারে বোঝা যায় আইনশৃঙ্খলার কতটা অবনতি: জামায়াত আমির

Samakal • 8 Days, Oct 20, 2026 11:05 PM
0
• 0 min read
Fri ☀️ 31°
Sat ⛅ 30°
Sun 🌧️ 28°
Mon ⛅ 29°
Tue ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper