Bangla
আবহাওয়া বদলাচ্ছে, সতর্ক থাকুন
মাথা যন্ত্রণা, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি এবং গায়ে-হাতে ব্যথা। উপসর্গগুলো খুবই চেনা। আবহাওয়া বদলের সময়ে এই লণগুলোই প্রকট হয়ে ওঠে। চিকিৎসকেরা বলেন, মৌসুমি ফু। সঙ্গী হয় হাত-পা, মুখের নানা সংক্রামক রোগ। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক, অন্তঃসত্ত্বারা সংক্রমিত হন দ্রুত। তাই মৌসুমি জ্বর বা ব্যাক্টেরিয়া-ছত্রাকজনিত সংক্রমণকে অবহেলা করলে চলবে না।মৌসুমি ইনফুয়েঞ্জা বা ফু কিছু েেত্র প্রাণঘাতীও হতে পারে। বিশেষ করে যাদের ফুসফুস বা হার্ট দুর্বল, ক্যানসারে ভুগছেন, অথবা জটিল কোনো রোগের চিকিৎস চলছে, তাদের সাবধান হতেই হবে। ইনফুয়েঞ্জার ভাইরাস বারবার তার চরিত্র বদল করে। এর একটাই কারণ, ভাইরাস চেষ্টা করে মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ মতাকে এড়াতে। ইদানীং আবহাওয়ার বদল এত ঘন ঘন হচ্ছে যে, নতুন ধরনের ফু ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) আগেই সতর্ক করে বলেছে, নতুন ধরনের ইনফুয়েঞ্জা ভাইরাস হানা দিতে পারে। টানা পাঁচ দিনের বেশি জ্বর, সাথে গলা ব্যথা, ঢোক গিলতে সমস্যা, শুকনো কাশি হলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে বিপদ আরো বাড়বে।মুখ, পায়ের পাতা, হাঁটুর উপরে, হাতের তালুতে ফোসকার মতো র্যাশ বেরোচ্ছে অনেকের। সেই সাথে জ্বরও হচ্ছে। বেশির ভাগ েেত্রই দেখা যাচ্ছে, শুরুতে ভাইরাল জ্বর হচ্ছে। তার পর হাত ও পায়ে ঘা, ফোসকার মতো দেখা দিচ্ছে। হাতের আঙুল, পায়ের আঙুলের ফাঁকের চামড়ায় ত তৈরি হচ্ছে, চামড়া আঁশের মতো শুকিয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকেরা অনুমান করছেন, ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া ও কয়েক ধরনের ছত্রাকের সংক্রমণেই এমন রোগ হচ্ছে। তাই এমন লণ দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।রাস্তায় বেরোলে মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, কখন পাশের মানুষটির হাঁচি বা কাশি থেকে ‘ড্রপলেট’ ছিটকে আসবে, তা বলা অসম্ভব। সাবধানত নিজেকেই অবলম্বন করতে হবে।মাথা যন্ত্রণা, গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি থাকলে এক কাপ গরম দুধে অল্প হলুদ মিশিয়ে খান। হলুদের কারকিউমিন যৌগ শরীরের প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়। আর দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালশিয়াম। তা চাঙ্গা থাকতে সাহায্য করে।সকালে ঘুম থেকে উঠে অন্তত ১৫-২০ মিনিট গায়ে রোদ লাগান। মৌসুম বদলের সময় ভিটামিন ডি-এর ঘটতি বেশি হয়। ফলে শরীর দুর্বল লাগে, কান্তি বাড়ে। সাফিমেন্টের চেয়েও যদি রোদ থেকে ভিটামিন শরীরে ঢোকে, তা হলে লাভ হবে বেশি।এসি ঘরে কম থাকাই ভালো। এই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতারও বদল হচ্ছে। কাজেই বেশি ঠাণ্ডায় লম্বা সময় ধরে থাকলে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়বে।জ্বর পাঁচ দিনের বেশি থাকলে, সেই সাথে গায়ে র্যাশ, চোখে ব্যথা, দাঁত-মাঢ়ি থেকে রক্ত বের হওয়া বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লণ দেখা দিলে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া টেস্ট করিয়ে নিতে হবে। ইন্টারনেট।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.