গাজার শৈশব ধ্বংসের দায় এড়াতে পারে না বিশ্ব
Bangla

গাজার শৈশব ধ্বংসের দায় এড়াতে পারে না বিশ্ব

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি যুদ্ধের ভয়াবহতা সবচেয়ে নির্মমভাবে আঘাত হেনেছে শিশুদের জীবনে। যুদ্ধে প্রায় ৬০ হাজার শিশু তাদের বাবা-মা উভয়কে

Sangram • 9 Days, Oct 21, 2026 10:02 PM
0
• 0 min read
Sports

নভেম্বরের শুরুতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হতে পারে স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য। সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং শ্যামাপূজা মিলিয়ে এ সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির বিষয়টি নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট ছুটির তালিকা...

Ittefaq • 9 Days, Oct 21, 2026 10:02 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

পাকিস্তান, তুরস্ক, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সামরিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করতে বুধবার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান, তুরস্ক, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর এবং অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দোহায় চার দেশ ‘বদর সমঝোতা স্মারক’ স্বাক্ষর করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এ চুক্তির যথেষ্ট অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র উৎপাদনে সহযোগিতা, সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামরিক কারিগরি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো এ চুক্তির লক্ষ্য। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, প্রতিটি দেশের নিজস্ব ও স্বতন্ত্র সামরিক উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এ উদ্যোগ সহযোগিতা ও সমন্ব

ManabZamin • 9 Days, Oct 21, 2026 10:01 PM
0
• 0 min read
Bangla

নিরাপদ সড়ক দিবসে সিলেটে নিসচা’র র‌্যালি

সরকারের পাশাপাশি নিসচাও মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করে আসছে। নিসচা সিলেট মহানগর মাসব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনা রোধে শিক্ষার্থী সমাবেশ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। বক্তারা বলেন, কেবলমাত্র সচেতনতার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব।

ManabZamin • 9 Days, Oct 21, 2026 10:01 PM
0
• 0 min read
Bangla

সিলেট বিমানবন্দরে আটক উপজেলা যুবলীগ সভাপতি

বিদেশ যাওয়ার সময় সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক হয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ এহসান আহমদ উজ্জ্বল। বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে।

Samakal • 9 Days, Oct 21, 2026 10:01 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বিসর্জনের অশ্রুতে ঐতিহ্যের বাঁধন, ঘিওরে ২০২ বছরের সম্প্রীতির মেলায় মানুষের ঢল

ধর্মের পরিচয় আলাদা, কিন্তু আনন্দের বন্ধন এক। দুর্গাপ্রতিমার বিদায়বেলায় কারও চোখে অশ্রু, কেউ দিচ্ছে উলুধ্বনি। এই আবেগের রেশ কাটতে না কাটতেই নাগরদোলা, মিষ্টির ঘ্রাণ আর মানুষের কোলাহলে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনে...

Ajkerpatrika • 9 Days, Oct 21, 2026 10:01 PM
0
• 0 min read
Bangla

সেন্টমার্টিনে দিনে বিদ্যুৎ মেলে চার ঘণ্টা, দাম বাড়ানোয় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালুর পরও বিদ্যুতের ভোগান্তি কমেনি। উল্টো চড়া দাম দিয়েও দিনে বিদ্যুৎ মিলছে মাত্র চার ঘণ্টা। এর মধ্যে আগামী নভেম্বর থেকে ইউনিটপ্রতি আরও ১০ টাকা দাম বাড়ানোর ঘোষণায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন দ্বীপবাসী।

Samakal • 9 Days, Oct 21, 2026 10:01 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

হুতিদের হামলার মধ্যে সৌদি আরবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে পৌঁছেছেন। সৌদি আরবের ওপর কয়েক সপ্তাহ ধরে হুতিদের হামলার প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় দেশগুলো সফরের শেষ পর্যায়ে আকস্মিকভাবে রিয়াদ সফরের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এই তথ্য জানিয়েছে। এ মাসে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবে হামলা জোরদার করার পর দেশটিতে সফর করা প্রথম পশ্চিমা রাষ্ট্রপ্রধান ম্যাক্রোন। কাতার থেকে ম্যাক্রোনের রিয়াদে পৌঁছানোর মধ্যদিয়ে তার আঞ্চলিক উপসাগরীয় সফর শেষ হচ্ছে। এই সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইনও সফর করেন তিনি। এসব সফরের লক্ষ্য ছিল কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক আরও গভীর করা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আরব নিউজ। ম্যাক্রোন জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অংশীদারদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের প্

ManabZamin • 9 Days, Oct 21, 2026 10:01 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে

ProtidinerSangbad • 9 Days, Oct 21, 2026 10:00 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার

সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হন এবং সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিরা নেতা হয়ে যান বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে...

Ittefaq • 9 Days, Oct 21, 2026 9:59 PM
0
• 0 min read
Technology

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আগামী মাসেই ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা

পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের দূতের তিন ঘণ্টার গোপন বৈঠকবর্তমান অবস্থানে যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনায় রাজি জেলেনস্কিওনিরাপত্তার গ্যারান্টি পেলেই শান্তির পথে হাঁটবে কিয়েভদীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় বহুল প্রত্যাশিত ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা আগামী মাস থেকে আবার শুরু করতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।বুধবার ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ এই যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সম্প্রতি পুতিনের সঙ্গে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের এক রাজকীয় প্রাসাদে টানা তিন ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠক করেন।পুতিনের সঙ্গে এটি ছিল উইটকফের নবম সরাসরি সাক্ষাৎ, যেখানে সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে রাশিয়া সাবেক মার্কিন স্কুলশিক্ষক স্টিফেন হাবার্ডকে মুক্ত করে দেয়।ক্রেমলিন জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে আগামী ১০ নভেম্বর বা এর পর যেকোনো সময় কারিগরি পর্যায়ে দুই দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা শুরু হতে পারে।অন্যদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থামাতে সম্মুখসারিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে কূটনৈতিক আলোচনায় যাওয়ার ব্যাপারে নিজেদের স্পষ্ট অবস্থান প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,

Sangbad • 9 Days, Oct 21, 2026 9:58 PM
0
• 0 min read
Bangla

মৃত্যুর তেপান্তর

রাষ্ট্রচিন্তায় রাষ্ট্রের উৎপত্তি নিয়ে মতভেদ যত, তার উদ্দেশ্য নিয়ে মতভেদ তার চেয়ে কম। টমাস হবস ও জন লক সামাজিক চুক্তি (Social Contract) তত্ত্বের দুই ভিন্ন ধারার প্রতিনিধি হলেও একটি জায়গায় তাদের অবস্থান কাছাকাছি : মানুষ নিজের স্বাধীনতার একটি অংশ রাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয় প্রাণ ও সম্পদের নিরাপত্তার বিনিময়ে। হবসের বিচারে এই নিরাপত্তা রাষ্ট্রের অস্তিত্বের প্রথম শর্ত। লকের বিচারে জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির অধিকার রক্ষা করতে পারাই সরকারের বৈধতার ভিত্তি। এই দৃষ্টিতে নাগরিকের প্রাণরক্ষা রাষ্ট্রের অনেক দায়িত্বের একটি নয়; রাষ্ট্র থাকার যুক্তিটাই তার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তাই কোনো সমাজে যখন নিয়মিত ব্যবধানে মানুষ এমন কারণে মারা যায়, যা নিয়ন্ত্রণ করা রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব, তখন প্রশ্নটি আর শুধু পরিবহনের থাকে না; তা হয়ে ওঠে রাষ্ট্রের কার্যকারিতার প্রশ্ন।গত ২০ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রামের বনপাড়ায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই ডজনের বেশি মানুষ। নিহতদের মধ্যে একটি শিশু আছে; আছেন ব্যবসার কাজে রাজশাহী যাওয়া শরীয়তপুরের পাঁচজন ব্যবসায়ী। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসটি মহাসড়কে অন্য একটি যানকে বিপজ্জনকভাবে ওভারটেক করতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের মুখে পড়ে। কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় বাসটি চালাচ্ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার; নিয়মিত চালক ঘুমিয়ে ছিলেন পেছনের আসনে। এসব তথ্য তদন্তে যাচাই হবে। জেলা প্রশাসন সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে। তদন্তের ফল আসার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সঙ্গত নয়; কিন্তু ঘটনার পটভূমি নিয়ে আলোচনার জন্য সেই ফলের অপেক্ষা জরুরি নয়।ঘটনা এই একটিই নয়, প্রথমও নয়। ২০১৪ সালে এই বড়াইগ্রামেই আরেকটি দুর্ঘটনায় ত্রিশের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। এক এলাকার, এমনকি এক সড়কের ইতিহাসেই যখন একই ধরনের ঘটনা ফিরে আসে, তখন ব্যাখ্যার স্তরটি বদলাতে হয়। একটি ঘটনার কারণ হিসেবে চালকের অসতর্কতা বা বেপরোয়া গতিকে চিহ্নিত করা যায়; কিন্তু বছরের পর বছর একই ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকলে তাকে আর কেবল ব্যক্তির ভুল দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় তখন তা দুর্ঘটনা (accident) থেকে একটি কাঠামোগত ফলাফলের (structural outcome) দিকে সরে যায়, অর্থাৎ ব্যবস্থাটি এমনভাবে সাজানো যে, ঝুঁকি তার ভেতরেই তৈরি হচ্ছে।এ ধরনের খবর এখন আমাদের কাছে প্রায় নিয়মিত। সংখ্যা বদলায়, স্থান ও তারিখ বদলায়; প্রতিবেদনের কাঠামো ও প্রতিক্রিয়ার ভাষা প্রায় একই থাকে। এই পুনরাবৃত্তির একটি পরোক্ষ ফল আছে। কোনো ক্ষতি যখন বারবার ঘটে এবং সমাজ তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক বলে গ্রহণ করে নেয়, তখন নীতিনির্ধারকদের ওপর সংস্কারের চাপও কমে আসে। জনমত যখন প্রতিটি ঘটনাকে আলাদা করে দেখে এবং ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতাকে একটি নীতিগত প্রশ্ন হিসেবে তোলে না, তখন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পরিবর্তনের কোনো জরুরি তাড়না থাকে না। এ কারণে ঘটনার সংখ্যাগত হিসাবের পাশাপাশি তার ধরন ও পুনরাবৃত্তির কারণ নিয়ে আলোচনা জরুরি।স্যামুয়েল হান্টিংটন Political Order in Changing Societies গ্রন্থে দেখিয়েছিলেন, পরিবর্তনশীল সমাজে সামাজিক সচলতা (social mobilization) যে গতিতে বাড়ে, প্রতিষ্ঠানের বিকাশ (institutionalization) সাধারণত সেই গতিতে ঘটে না; এই ব্যবধান থেকেই অস্থিরতার সূচনা হয়। তার বিশ্লেষণের কেন্দ্রে ছিল রাজনৈতিক শৃঙ্খলা, তবে যুক্তির কাঠামোটি সড়কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বাংলাদেশে যানবাহনের সংখ্যা, মানুষের যাতায়াতের চাহিদা এবং মহাসড়কের ওপর চাপ দ্রুত বেড়েছে। কিন্তু চালকের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স, যানের ফিটনেস, রুট ব্যবস্থাপনা এবং পরিবহন মালিকানার জবাবদিহির কাঠামো সেই অনুপাতে বিকশিত হয়েছে কি না, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। মহাসড়কে গতি আছে; কিন্তু সেই গতি নিয়ন্ত্রণ করার প্রাতিষ্ঠানিক সামর্থ্য সেই তুলনায় পিছিয়ে।ফ্রান্সিস ফুকুইয়ামা State-Building গ্রন্থে রাষ্ট্রের পরিধি (scope of the state) এবং রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যকে (state capacity) আলাদা করে দেখেছেন। রাষ্ট্র কত কিছু করতে চায় এবং যা করতে চায় তা কার্যকরভাবে করতে পারে কি না, এ দু’টি এক বিষয় নয়। আমাদের সড়ক পরিবহন আইন আছে, মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ আছে, বিআরটিএ আছে। তবু ওভারটেকিং, অতিরিক্ত গতি, অদক্ষ চালক ও ফিটনেসহীন যানের অভিযোগ বারবার ফিরে আসে। এতে বোঝা যায়, ঘাটতি সম্ভবত আইনের অভাবে নয়, আইন প্রয়োগের সামর্থ্য ও ধারাবাহিকতায়। সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে, লক্ষ্য সড়কে মৃত্যুর হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা। নতুন আইন বিদ্যমান বিধানগুলোকে একটি কাঠামোয় আনতে পারে, সেটি ইতিবাচক। তবে প্রয়োগের সক্ষমতা না বাড়লে আইনের সংখ্যা বাড়ানো সমস্যার সমাধান হয় না।সড়কের এই চিত্রে আরেকটি বিষয় লক্ষ করার মতো। সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশে দুর্ঘটনার ৪০ শতাংশের বেশি ঘটছে আঞ্চলিক সড়কে, যেখানে মহাসড়কের মতো টহল ও তদারকি নেই। মহাসড়কে কড়াকড়ির মুখে পড়া ধীরগতির যান আঞ্চলিক সড়কে ঢুকে পড়ছে; ফলে ঝুঁকি কমছে না, স্থান বদলাচ্ছে। এটি রাষ্ট্রীয় মনোযোগ ও সম্পদ বণ্টনের একটি সাধারণ প্রবণতার দিকে ইঙ্গিত করে : যা বেশি দৃশ্যমান, তার ওপর নজর বেশি; যা তুলনামূলক আড়ালে, তা অরক্ষিত। এর সাথে যুক্ত হয় প্রণোদনার (incentive) প্রশ্ন। পরিবহন খাতে চালকের আয় ও মালিকের মুনাফা যেখানে ট্রিপের সংখ্যা ও সময়ের ওপর নির্ভর করে, সেখানে গতি একটি অর্থনৈতিক সুবিধা হয়ে দাঁড়ায়, আর ওভারটেকিং হয়ে ওঠে সেই সুবিধা নেয়ার উপায়। প্রতিবেদনের তথ্য সঠিক হলে, সুপারভাইজারের বাস চালানোর বিষয়টিও প্রতিষ্ঠানের ভেতরের জবাবদিহির দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।জেমস ম্যাডিসন ফেডারেলিস্ট পেপার্সে লিখেছিলেন, মানুষ যদি দেবদূত হতো তবে সরকারের প্রয়োজন হতো না; আবার দেবদূতরা সরকার চালালে বাইরের বা ভেতরের কোনো নিয়ন্ত্রণেরও দরকার পড়ত না। বাস্তবে সরকার চলে সাধারণ মানুষের হাতে, তাই তাকে প্রথমে শাসিতদের নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য দিতে হয়, তারপর নিজেকেও নিয়ন্ত্রণে রাখার বাধ্যবাধকতা দিতে হয়। সড়ক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কথাটির অর্থ সরল। চালক ও মালিকের ওপর যেমন নিয়মের প্রয়োগ থাকবে, তেমনি লাইসেন্স, ফিটনেস ও তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানের কাজও জবাবদিহির আওতায় থাকবে। একপক্ষের ওপর কড়াকড়ি আর অন্যপক্ষের ওপর শৈথিল্য, এই অসমতা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে।প্রতিটি বড় দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটি হয়, এটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, প্রতিবেদনের সুপারিশের পরিণতি কী হয় এবং দায় কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। জবাবদিহি (accountability) যদি কেবল চালককে ঘিরে আবর্তিত হয়, তবে অনেক ক্ষেত্রেই তা ফলহীন থাকে, কারণ চালক হয় নিজেই নিহত হন, নয়তো পালিয়ে যান। এই ঘটনায় বাসটি যিনি চালাচ্ছিলেন বলে বলা হচ্ছে, তিনি নিজেও নিহতদের একজন। এ অবস্থায় যানের ফিটনেস সনদ ও রুট পারমিট যারা দেন, পরিবহন প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং মহাসড়ক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ, এদের ভূমিকা আলোচনার বাইরে থেকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তদন্তের ফল প্রকাশ করা এবং তার ভিত্তিতে কাঠামোগত পদক্ষেপ নেয়া, জবাবদিহির আসল পরীক্ষা এখানেই।ইবনে খালদুন মুকাদ্দিমায় রাষ্ট্র ও সভ্যতার (umran) উত্থান-পতনের যে চক্র আলোচনা করেছেন, সেখানে ন্যায় ও শৃঙ্খলা রাষ্ট্রের স্থায়িত্বের প্রধান ভিত্তি। তার পর্যবেক্ষণে শাসন যখন মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, তখন সমাজে আস্থা ও উদ্যম ক্ষয় হয়, আর সেই ক্ষয় ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের ভিত দুর্বল করে। তার সময় ও আমাদের সময়ের প্রেক্ষাপট আলাদা; কিন্তু মূল যুক্তিটি আজও অর্থবহ। মানুষ রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যাশা করে, নিয়ম মেনে চললে সে নিরাপদ থাকবে। যে যাত্রী টিকিট কেটে বাসে ওঠে, সে নিয়মের ওপর আস্থা রেখেই ওঠে। সেই আস্থা বারবার আঘাত পেলে ক্ষতি কেবল প্রাণহানির সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে না; রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যকার অলিখিত চুক্তিতেও ফাটল ধরে।সংস্কারের প্রশ্নে বিবেচনায় আসতে পারে এমন কয়েকটি দিক আছে। প্রথমত, চালকের প্রশিক্ষণ, কর্মঘণ্টা ও বিশ্রামের নিয়ম এবং দূরপাল্লার বাসে বদলি চালকের ব্যবস্থার কার্যকর তদারকি। দ্বিতীয়ত, যানের ফিটনেস ও রুট পারমিট প্রদানে স্বচ্ছতা। তৃতীয়ত, পরিবহন প্রতিষ্ঠান ও মালিকের আইনি দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা। চতুর্থত, আঞ্চলিক সড়কে মহাসড়কের সমান মনোযোগ। এগুলো নতুন কথা নয়; নতুন হতে পারে এগুলোর ধারাবাহিক প্রয়োগ। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুধু নজরদারি বাড়িয়ে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না, চালক, পরিবহন মালিক ও সাধারণ মানুষকেও নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। কথাটি অযৌক্তিক নয়। তবে দায়িত্বের এই ভাগাভাগিতে রাষ্ট্রের অংশটি আগে আসে, কারণ নিয়ম তৈরি ও প্রয়োগের কর্তৃত্ব রাষ্ট্রের হাতে। সাময়িক অভিযানের চেয়ে প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত রুটিন (institutional routine) দীর্ঘমেয়াদে বেশি কার্যকর হয়।রূপকথায় তেপান্তর এমন এক বিস্তীর্ণ প্রান্তর, যা পেরোতে হলে রাজপুত্রকে সাহস ও ভাগ্যের ওপর ভরসা করতে হতো। সেখানে পথ ছিল অনিশ্চিত, আর নিয়ম বলে কিছু ছিল না। আধুনিক রাষ্ট্রের একটি বড় অর্জন হলো সেই অনিশ্চয়তা কমিয়ে চলাচলকে নিয়মের অধীনে আনা। আমাদের মহাসড়ক সেই অবস্থান থেকে এখনো কিছুটা দূরে; যাত্রীকে এখানে ভাগ্যের ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয়। অথচ ভাগ্য কোনো রাষ্ট্রীয় নীতি হতে পারে না। যে দিন রাষ্ট্র সড়কপথের যাত্রাকে ভাগ্যনির্ভরতা থেকে নিয়মনির্ভরতায় নিয়ে যেতে পারবে, সে দিন তেপান্তরের উপমা আবার গল্পের পাতাতেই ফিরে যাবে। লেখক : অধ্যাপক (অব:), সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় [email protected]

NayaDiganta • 9 Days, Oct 21, 2026 9:57 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশির ক্ষমতা পাচ্ছে প্রতিযোগিতা কমিশন

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানোর ক্ষমতা পাচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। বাজারে যোগসাজশ করে দাম বাড়ানো, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানকে ঠেকানো এবং ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতিযোগিতা নষ্ট করার প্রমাণ খুঁজতে ২০১২ সালের প্রতিযোগিতা আইন সংশোধন করে কমিশনকে এ ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে। কমিশনকে আরও কিছু ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে। বিদ্যমান আইনে কোনো একক প্রতিষ্ঠান বাজারে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করলে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রয়েছে। আইনের খসড়া সংশোধনীতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সিন্ডিকেট করে সম্মিলিতভাবে বাজারে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করলে শাস্তির বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি তাদের ওয়েবসাইটে প্রতিযোগিতা আইন সংশোধনের খসড়া প্রকাশ করেছে। খসড়ার ওপর আগামী এক মাস যে কেউ মতামত দিতে পারবেন। মতামত পর্যালোচনা করে আরও কয়েক দফা বৈঠ

ManabZamin • 9 Days, Oct 21, 2026 9:57 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

ভালুকায় ধানকুঁড়া রিসোর্টে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের ইস্তারঘাট এলাকায় অবস্থিত ধানকুঁড়া রিসোর্টে চলমান মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপসহ সব অবৈধ কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ এবং রিসোর্টটি স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

NayaDiganta • 9 Days, Oct 21, 2026 9:57 PM
0
• 0 min read
Bangla

দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে মাদকের আসামি ছিনতাই

ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের দুই সদস্য। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের সজনগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের ভাষ্য, স্বজনরা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন

Samakal • 9 Days, Oct 21, 2026 9:56 PM
0
• 0 min read
Bangla

নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে

নারীর প্রতি ক্রমবধর্মান সহিংসতা একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য

Sangram • 9 Days, Oct 21, 2026 9:56 PM
0
• 0 min read
Bangla

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে যা জানালো মিশন

সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে দেশটির কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করেনি বলে জানিয়েছে জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ মিশন। গত ১৮ই অক্টোবর বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল জেদ্দার শ্রমকল্যাণ উইং থেকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, সৌদি কর্তৃপক্ষ ওই দুই ব্যক্তির বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করেনি। তবে সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন কারাগারে বিভিন্ন অপরাধে আটক বাংলাদেশিদের তথ্য চেয়ে কনস্যুলেটের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গত ৩০শে সেপ্টেম্বর পাওয়া তালিকায় তাদের তথ্য পাওয়া যায়। তারা সৌদি আরবের আল মাজাল কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আরও উল্লেখ করা হয়, নজরুল ইসলাম আব্দ

ManabZamin • 9 Days, Oct 21, 2026 9:56 PM
0
• 0 min read
Business

ইনজেকশনের ভয় দূর করতে অভিনব আবিষ্কার, ২৫ হাজার ডলার জয় ক্ষুদে ছাত্রীর

ইনজেকশনের নাম শুনলেই ছোটদের মনে ভয়ের অন্ত থাকে না। চিকিৎসকের চেম্বারে যাওয়ার নাম করলেই কান্নাকাটি জুড়ে দেয় শিশুরা। তবে শিশুদের এই চিরচেনা ভীতি দূর করতে এক যুগান্তকারী ও চমৎকার উপায় বের করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যারোলিনার কলোম্বিয়ার চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী, যার নাম কাইলিন ব্রাউন।

Inqilab • 9 Days, Oct 21, 2026 9:55 PM
0
• 0 min read
Bangla

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহার

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ইউসুফ আলীকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সেখান থেকে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে। বর্তমানে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. রেজাউল আলম সরকারকে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কী কারণে বিভাগীয় কমিশনারকে তাৎক্ষণিকভাবে সেখান থেকে অবমুক্ত করা হয়েছে সেটি সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, প্রশাসনিক কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এটা সব সময়ই হয়। মঙ্গলবার রাজশাহী সফরে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিকালে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী ফ্লাইট। জনসভা শেষে সন্ধ্যা ৭টায় তিনি রাজশাহ

Manab Zamin • 9 Days, Oct 21, 2026 9:55 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

শিবগঞ্জে গরুবোঝাই ভটভটি খাদে পড়ে আহত ৮

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গরুবোঝাই ভটভটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থা

ShomoyerAlo • 9 Days, Oct 21, 2026 9:53 PM
0
• 0 min read
Sun ☀️ 31°
Mon ⛅ 30°
Tue 🌧️ 28°
Wed ⛅ 29°
Thu ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper