Sports
Top Stories
Sports
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে চাপে পোশাকশিল্প
যাত্রাপথে নতুন আতঙ্ক ডাকাতি-ছিনতাই
ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের কারণে অনিরাপদ হয়ে উঠেছে মহাসড়ক। প্রায় প্রতিদিনই নানা কায়দায় ডাকাতি সংঘটিত হওয়ায় নতুন আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। কোনোভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না এসব ডাকাতি-ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখতে হবে
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করায় পাশ্চাত্য মতে আপনি তুলা রাশির জাতব্যক্তি। আপনার ওপর আজ প্রেমের দেবতা শুক্র, সর্বগ্রাসী গ্রহ রাহু ও দেবগুরু বৃহস্পতির প্রভাব বিদ্যমান। আপনার সঙ্গে মিথুন রাশির বন্ধুত্ব শুভফল প্রদান করবে। নিত্যনতুন প্ল্যান-প্রোগ্রাম বাস্তবায়িত হবে। ধৈর্য, সাহস, মনোবল বাড়বে। চতুর্দিক থেকে লাগাতার উন্নতি করে চলবেন। কর্ম-অর্থ মোক্ষলাভ করবে।
দেশের সমৃদ্ধির স্বার্থেই বগুড়ার উন্নয়ন চাই
নেতানিয়াহুকে সমর্থন নয়
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তিনি কোনো পক্ষে না গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকেই মনোযোগ দেওয়ার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেবেন। প্রসঙ্গত, আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নির্বাচন। গত সোমবার সাংবাদিক মার্ক হ্যালপেরিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্সের এ মন্তব্য এমন একসময়ে এলো, যার ঠিক এক দিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধবাজ নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়েছেন। জেডি ভ্যান্স বলেন, ‘আমি তাঁর বিপক্ষেও সমর্থন দিচ্ছি না, পক্ষেও দিচ্ছি না। আমি ইসরায়েলি নির্বাচনে জড়াচ্ছি না।’ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও যোগ করেন, ‘আমি আমেরিকান প্রার্থীদের সমর্থন করি। আমার সব মনোযোগ এখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে।’ জেডি ভ্যান্স সর্বশেষ গত এপ্রিলে কোনো বিদেশি নেতাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। তখন তিনি হাঙ্গেরির সাবেক ডানপন্থি প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানকে সমর্থন করেন, যিনি পরবর্তী সময়ে পিটার ম্যাগিয়ারের কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর দুই মেয়াদেই উগ্র ইহুদিবাদী নেতা নেতানিয়াহু এবং তাঁর ডানপন্থি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। নিজের প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প মার্কিন দূতাবাসকে পশ্চিম জেরুজালেমে সরিয়ে নেন, গোলান হাইটসে ইসরায়েলের কর্তৃত্বকে স্বীকৃতি দেন, ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসেন এবং ইসরায়েলের সঙ্গে আরব দেশগুলোর সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তিতে নেতৃত্ব দেন। তাঁর এসব কর্মকাণ্ড মূলত ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুটিকে আড়ালে ঠেলে দিয়েছিল। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আবার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা চালানো সত্ত্বেও তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত রেখেছে, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের জড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওপর চাপ ও বিধিনিষেধ আরও জোরদার করেছে। অন্যদিকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি থেকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলের প্রতি ওয়াশিংটনের শর্তহীন সমর্থনের বিরুদ্ধে দলের ভিতরে গড়ে ওঠা ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এই মনোভাব আরও তীব্র হয়েছে, যা সাধারণ মার্কিন ভোক্তাদের জীবনযাপনের ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।
আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ
‘আমাদের একেকজনের ধর্ম আলাদা হলেও আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ’ বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মঙ্গলবার রাতে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার চণ্ডীপুর পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমি এমপি হয়েছি, মন্ত্রী হয়েছি বলে আইন আমার জন্য চলবে, এমনটা নয়। আইন আপনার জন্য যা, আমার জন্যও তা। মনে রাখতে হবে, আমাদের দেশকে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ-এভাবে আলাদা করে ভাগ করব না। এগুলো আমাদের ধর্মীয় পরিচয়। আমাদের একেকজনের ধর্ম আলাদা হলেও আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সমাজের প্রতিটি স্তরে সরকার সবার সঙ্গে সহযোগিতা করছে। এখানে বৈষম্য বা পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই। দেশের আইন নিজের গতিতে চলছে। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাকে কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
সবার সমান সুবিধা নিশ্চিতের আহ্বান
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের লক্ষ্যে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন।
চাই কঠোর আইনি পদক্ষেপ
দেশে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। ২০১৭ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে এই বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর নিচে বিয়ে দিলে বাল্যবিয়ে হিসেবে গণ্য হবে, যা দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সি নারীদের ৪৭ দশমিক ২ শতাংশেরই বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে। এবং এদের ১৩ দশমিক ৪ শতাংশের বিয়ে ১৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছে ইউনিসেফ। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতিসংঘের এ সংস্থা নতুন করে বলেছে, অল্প বয়সে বিয়ের কারণে মেয়েদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়ে। এজন্য যৌক্তিক কারণে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা, মেয়েদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান বাংলাদেশ সফরকারী ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক। তিনি শিশুদের জন্য তিনটি জরুরি পদক্ষেপের ওপর বিশেষ জোর দেন। গুরুত্বপূর্ণ সেই পদক্ষেপগুলো হচ্ছে-১. বাল্যবিয়ে বন্ধ করে মেয়েদের বিদ্যালয়ে ধরে রেখে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া। ২. মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের সরকারি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন। ৩. বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। ইউনিসেফ প্রধানের তাৎপর্যপূর্ণ এসব পরামর্শ দেশের মেয়েদের স্বাস্থ্য-শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই বাস্তবায়ন প্রয়োজন। কারণ বাল্যবিয়ের সবচেয়ে বড় কুফল হচ্ছে এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা শিক্ষাবঞ্চিত হয়ে স্বনির্ভরতা অর্জনের সুযোগ হারায়। পরনির্ভর জীবনে নানা পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়। অল্প বয়সে গর্ভধারণের ফলে জন্ম দেয় কম ওজনের অপুষ্ট শিশু। শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার বৃদ্ধি পায়। তাই বাল্যবিয়ের এই সর্বনাশা প্রবণতা বন্ধ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। দেশের পরবর্তী প্রজন্মকে সুস্থ, শিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাথমিক শর্ত হিসেবে বাল্যবিয়ে বন্ধের বিকল্প নেই। দেশের মেয়েদের সুস্থ, শিক্ষিত, স্বনির্ভর মা হিসেবে গড়ে ওঠার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। আর তার দায়িত্ব পরিবার, সমাজ, সরকার, সবার। বিয়ের বয়স-বিধান না মানলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিতে হবে কঠোর আইনি পদক্ষেপ।
মাদকের ছোবল ও বেহাল হাসপাতাল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৭ অক্টোবর রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি কোয়ার্টার ও ফুটপাতসহ মোট ১৩টি স্পট আকস্মিক পরিদর্শন করেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে তিনি এই ঝটিকা সফর করেন। প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন নিঃসন্দেহে উৎসাহব্যঞ্জক। আমাদের দেশে আনাচকানাচে সমস্যার অন্ত নেই। অপরিচ্ছন্নতা একটি বড় সমস্যা। ডেঙ্গু ভয়াবহরূপ পরিগ্রহ করেছে। সরকারি হিসাবে গত কয়েক সপ্তাহে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শতাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রধান কারণ অপরিচ্ছন্নতা। হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি আবাসিক এলাকা, রাস্তাঘাট সর্বত্রই পরিচ্ছন্নতার অভাব। এই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ-প্রতিবেশের জন্য দায়ী কে? এজন্য এককভাবে কাউকে বা কোনো একটি শ্রেণিকে দোষারোপ করা যায় না। এজন্য দায়ী আমাদের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি। প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে যে বার্তাটি পাওয়া যায়, সেটি হলো সরকার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেষ্ট। বিষয়টি নাগরিক সচেতনতা তৈরি করবে আশা করা যায়।
সারা দেশের পর্যটন কেন্দ্রে ছুটির ভিড়
রুট পারমিটের নামে ব্যানার বিক্রি চলছে
তৃণমূলের রাজনীতি পূজায় সরগরম
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে দুর্গাপূজায় সরগরম হয়ে ওঠে তৃণমূলের রাজনীতি। বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপে ঢল নামে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধিদের। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীরা মণ্ডপে মণ্ডপে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেছেন, শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং নিজেদের প্রার্থিতার জানান দিয়েছেন। পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো নির্বাচনি এলাকা। পূজার উপলক্ষ কাজে লাগিয়ে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন। ইউপি নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন দলের তৃণমূল গোছানোর কার্যক্রম রাজনীতিকে আরও বেশি জমজমাট করে তুলেছে।
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোই বড় চ্যালেঞ্জ
ঢাকা-গাজীপুর সড়ক হবে ছয় লেন
গাজীপুর থেকে রাজধানী ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের অবকাঠামো অপসারণ করে ছয় লেনের সাধারণ মহাসড়ক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য বিআরটি করিডরের স্টেশন ও লেন বিভাজক সরিয়ে ফেলা হবে। পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত দুটি দুই লেনের ওভারপাস চার লেনে উন্নীত করা হবে। বন্ধ করে দেওয়া হবে প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রানজিট পিএলসি কোম্পানি। এর কার্যক্রম নেওয়া হবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) আওতায়। সরকারি টানা ছুটির আগে সর্বশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিআরটি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরদিন ১৯ অক্টোবর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সরকার বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেহেতু পলিসি সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা মন্ত্রিসভার সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছি। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নির্দেশনার চিঠিতে বলা হয়েছে, বিআরটি করিডরের স্টেশন ও লেন বিভাজক অপসারণ করে দুই দিকে তিনটি করে মোট ছয় লেনের সাধারণ মহাসড়কে রূপান্তর করা সমীচীন। এ ছাড়া দুটি দুই লেনের ওভারপাস চার লেনে উন্নীত করার কার্যক্রম নেওয়া যেতে পারে। চিঠিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে বিদ্যমান আইনি জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ঢাকা র্যাপিড ট্রানজিট পিএলসি বন্ধ করে এর কার্যক্রম সওজের আওতায় আনতে হবে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জরুরি ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে। গাজীপুরের শিববাড়ি থেকে রাজধানী ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত প্রায় ২০ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বিআরটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল রাজধানী ও গাজীপুরের মধ্যে দ্রুত বাস চলাচল নিশ্চিত করতে।২০১২ সালের নভেম্বরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৩৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের মধ্যে কাজ শেষ করে বিআরটি চালুর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হয়নি। প্রকল্পের আওতায় বিআরটি লেন, স্টেশন, উড়ালসড়ক, টঙ্গী সেতু ও বাস ডিপোসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
রহস্যময় রন ওয়াহিদ
► মাত্র ১০০ ডলার নিয়ে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে ► এখন আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ব্যবসার উদ্যোক্তা ► জেলেনস্কির কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় পদক গ্রহণ
খাদ্য ব্যবসায় কঠোর সরকার
► তদারকিতে আসছে ফুটপাত থেকে ফাইভ স্টার হোটেল ► লাইসেন্স না থাকলে হবে জরিমানা
হেফাজত থেকে বন্দি পলায়ন থামছে না, দাগিরা অধরাই
নিরাপত্তা দুর্বলতা ও সমন্বয়হীনতার অভাব : বিশেষজ্ঞ
গাজায় আগে থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ধস: ৫ শিশুসহ নিহত অন্তত ২০
হামলার ক্ষত নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে পড়ে গাজা সিটিতে অন্তত ২০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অন্তত পাঁচ শিশু ও নারী রয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় ১৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং প্রায় ১০০ জনের মতো মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.