Entertainment
Top Stories
Entertainment
প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পেতে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন নারী উদ্যোক্তা
সেতাবগঞ্জ স্টেশনের মূল ফটক বন্ধ দীর্ঘদিন, ভোগান্তি
জুয়ার আসরে পুলিশের হানা
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ভেষশীর বিল এলাকায় জুয়া খেলার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৮ হাজার ৭০০ টাকাসহ জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- মনারুল ইসলাম (৩৭), জহুরুল ইসলাম (২৭), পরিমল চন্দ্র দাস (৩৫), মোহাম্মদ লাল মিয়া মিস্ত্রি (৩৫), নুর আলম (২৬) ও নান্নু মিয়া (৩৫)। এ ছাড়া সুন্দরগঞ্জে ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুলু মিয়া (৫২) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
দেড় মিনিটে মন্ত্রীকে ২৫ বার ‘স্যার’ ডেকে আলোচনায় ইউএনও
মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিতে চোখ সংসদীয় কমিটির
করপোরেট কর্মীর উপস্থিতি ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের
৩-৪ ঘণ্টার মধ্যেই গানটি লেখা হলো
‘মা মুনিয়া, মা মুনিয়া, মা মুনিয়া, মা মুনিয়া ও বিড়ালের ছানা গারে গান গানা, জারি সারি ভাটিয়ালি যা খুশিতে নেচে গা...’। জীবন্ত কিংবদন্তি সংগীতকার ও পপতারকা ফেরদৌস ওয়াহিদের গাওয়া আকাশছোঁয়া জনপ্রিয় গান এটি। এখনো টগবগে চির তরুণ এই গায়ক তাঁর গাওয়া পুরোনো গান নিয়ে নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হয়ে যান। দূর আকাশে দৃষ্টি মেলে কী যেন খোঁজেন, হঠাৎ সম্বিত ফিরে নড়ে চড়ে বসেন, খুলে বসেন ‘মা মুনিয়া’ গানের অন্তরালের গল্পের ঝাঁপি। এ গানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে চিরযুবা গায়ক ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, ১৯৭৫ সালের শেষদিক কিংবা ১৯৭৬ সালের শুরুর দিকের কথা। এই গানের গীতিকার নূরুল হুদা ছিলেন নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট। পরে অবশ্য তিনি মন্ত্রীও হয়েছিলেন। আমার বন্ধু প্রখ্যাত সংগীতকার লাকী আখন্দের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল। একদিন লাকী আখন্দ আমাকে বলল, আমার ম্যজিস্ট্রেট বন্ধুটি ভালো গান লিখেন। তোমার সঙ্গে তাঁর পরিচয় করিয়ে দেব। পরের সপ্তাহে লাকী তাঁকে নিয়ে আমার ধানমন্ডির বাসায় এলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে দেখলাম অসম্ভব রুচিশীল, অমায়িক, সৃষ্টিশীল এবং ভদ্র একজন মানুষ তিনি। লাকী আমাকে বলল, ওনার লিখা একটি গান তুমি গাইলে ভালো হয়। আমি বললাম ঠিক আছে, বাচ্চাদের ওপর একটি গান করা যেতে পারে যা বড়রাও পছন্দ করবে। নুরুল হুদা সাহেব আর দেরি করলেন না, ওইদিন আমার বাসায় বসেই ৩/৪ ঘণ্টার মধ্যে গানটি লিখে ফেললেন। আমি বললাম এই গানের মধ্যে ‘মা মুনিয়া’ শব্দটি যোগ করলে কেমন হয়। এটি একটি স্প্যানিশ শব্দ। ওই দেশে বাচ্চাদের আদর করে মামুনিয়া ডাকা হয়। আমার কথাটি শুনে লাকী ও নূরুল হুদা সাহেব খুবই খুশি হলেন। গানে মুখরাতেই যোগ করলেন ‘মা মুনিয়া’। লাকী আমাকে বলল, ‘তুই তোর মতো করে করবি’। পরের সপ্তাহে দ্রুত রেকর্ডিং হয়ে গেল। তখন বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রযোজক ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। পরে তিনি বিটিভির ডিজি হয়েছিলেন। মুস্তাফিজ সাহেব তখন বিটিভির জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘আনন্দমেলায়’ গানটি আমাকে দিয়ে করান। অবাক করার মতো বিষয় প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে বাচ্চা-বুড়ো, সবাই সাদরে গানটি লুফে নেয়। চারদিকে মুখে মুখে ফিরতে থাকে ‘মা মুনিয়া মা মুনিয়া...’। আমার ভাবতে অবাক লাগে গানটি প্রচারের প্রায় ৫০ বছর পরেও এটি কীভাবে সমান জনপ্রিয় হয়ে আছে। এর সংগীত পরিচালনা করেছিলেন লাকী আখন্দ এবং এটি রেকর্ড করা হয়েছিল ফার্মগেটে অবস্থিত ঢাকা রেকর্ডিং কোম্পানিতে। এ দেশে বাচ্চাদের গানের ক্ষেত্রে এটি ছিল একটি নতুন ডাউমেনশন। এই গানের প্রথম ভিডিও তৈরি হয় ১৯৮১ সালে। ফেরদৌস ওয়াহিদ গানের গল্প বলতে বলতে গানটি গেয়ে ওঠে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে বলেন, ‘কষ্টের কথা, আজ লাকী আখন্দ আর নুরুল হুদা, দুজনই পৃথিবীতে নেই।’ এ কথা বলার সময় ফেরদৌস ওয়াহিদের চোখের কোণে অশ্রু চিকচিক করছিল। মনে হলো এই অশ্রু তাঁর আনন্দ এবং কষ্ট-দুইয়েরই। এই জীবন্ত কিংবদন্তি জানান, প্রয়াত নূরুল হুদা তাঁর জন্য আরও দুটি গান লিখেছিলেন। এগুলো হলো-‘আগে যদি জানতাম তবে মন ফিরে চাইতাম’, আরেকটি হলো ‘সব আগুন যায় নেভানো’। তিনি বলেন, প্রথম গানটি আজও জনপ্রিয় আর দ্বিতীয় গানটি রুনা লায়লা ম্যাডামের অত্যন্ত প্রিয় একটি গান। তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘ফেরদৌস তোমার এই গানটি আমার খুব পছন্দের একটি গান।’ এই খ্যাতিমান শিল্পী আরও জানান, ২০১৮ সালে ‘মা মুনিয়া’ গানটিকে হিন্দিতে গেয়ে অ্যালবাম আকারে প্রকাশ করেন তিনি। সাউন্ডটেকের ইউটিউব চ্যানেলে আপ করা হিন্দিতে এই গানের মুখরা হলো ‘প্যায়সা হুজুর’। এর সংগীতায়োজন করেন পার্থ বড়ুয়া। কথা লিখেছেন ভারতের মিয়াজনবি। আবারও চিরচেনা ভঙ্গিতে জনপ্রিয় পপতারকা ফেরদৌস ওয়াহিদ গেয়ে উঠলেন ‘মা মুনিয়া , মা মুনিয়া..., আমি বিদায় নিয়ে অন্য গন্তব্যের পথে হাঁটতে শুরু করলাম...অনেক দূর যাওয়া পর্যন্তও কানে ভেসে আসছিল ‘ও বিড়ালের ছানা গারে গান গানা...জারি সারি ভাটিয়ালি যা খুশিতে নেচে গা...।
ট্রাম্পকে নির্বোধ বললেন ম্যাক্রোঁ
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করায় পাশ্চাত্য মতে আপনি বৃশ্চিক রাশির জাত ব্যক্তি। আপনার ওপর আজ রাশি অধিপতি মঙ্গল, বুদ্ধির দেবতা বুধ ও বিঘ্ন সৃষ্টিকারী গ্রহ কেতুর প্রভাব বিদ্যমান। আপনার সঙ্গে কন্যা রাশির বন্ধুত্ব শুভফল প্রদান করবে। নিঃসন্তান দম্পতির মুখে হাসি ফুটবে। ব্যবসা-বাণিজ্যে মজুতমালের দাম বাড়বে। শিক্ষার্থীদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ আসবে। সুনাম যশ প্রতিষ্ঠা হাত বাড়িয়ে ধরবে। সামাজিক কাজকর্মে নিযুক্ত হবেন।
আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্রশংসায় ক্যারিবীয়রা
জমকালো আয়োজনে ট্রফি উন্মোচন
এবিজি স্পোর্টস সিটির মূল ফটক পার হলেই নানা রকমের পোস্টার-ফেস্টুন চোখে পড়ে
হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম বলেছেন, ‘আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই।’ গতকাল সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের শাসনামলে এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল, যেখানে সমাজের সৎ, ভালো ও নিরপেক্ষ মানুষের পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব ছিল না। তাই নির্বাচনি ব্যবস্থার আমূল সংস্কার প্রয়োজন। ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, জেলাটিতে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে। দেশের বর্তমান গ্যাসের মজুতের সঙ্গে তুলনা করলে ভোলায় উল্লেখযোগ্য গ্যাসসম্পদ রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ভোলায় আরও গ্যাসের মজুত থাকার সম্ভাবনা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার মানুষ গ্যাসের জন্য কষ্ট করছেন। ভোলাবাসীর কাছে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া তাদের ন্যায্য অধিকার এবং দীর্ঘদিনের দাবি। তিনি এ বিষয়ে জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
বসতঘরে কিং কোবরা
কক্সবাজারের টেকনাফে একটি বসতঘর থেকে বিষধর কিং কোবরা
সাংবাদিকতায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন আলপনা বেগম
ঐক্যের জন্য চাই জ্ঞান ও মুক্তবুদ্ধি
মধ্যস্বত্বভোগীর থাবা ফুলের বাজারেও
কৃষকের জমিতে যত্নে ফোটা ফুল সুবাস ছড়ায় মানুষের মনে। আচার-অনুষ্ঠান, বিয়ে, গায়ে হলুদ, তারুণ্যের ভালোবাসা, উৎসব কিংবা শ্রদ্ধা-মানুষ কখনো প্রয়োজনে কখনো তার অনুভূতি প্রকাশে ফুল
এবার নির্বিঘ্নে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদ্যাপন
সরকারের সহযোগিতায় শঙ্কাহীনভাবে সম্পন্ন হয়েছে : বাসুদেব ধর
দেশে এই প্রথম কোনো অঘটন ছাড়াই দুর্গোৎসব
মেগা সড়ক প্রকল্প সিংহভাগ সমাপ্ত পাহাড়সম দুর্ভোগ শেষে স্বপ্নের পথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
জনসাধারণের যাতায়াত নির্বিঘœ, দ্রুগামী ও ঝুঁকিমুক্ত করার লক্ষ্যে ২০২০ সালে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ হাতে নেয় ‘বাঁক সরলীকরণ ও সড়ক প্রশস্তকরণ’ প্রকল্প। একই প্রকল্পের আওতায় ১০০ মিটার নদী শাসনের কাজও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) তালা থেকে কয়রা পর্যন্ত প্রকল্পটির অনুমোদন মেলে।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.